পুলিশ প্রশাসন

বৃদ্ধের অত্যাচারের অভিযোগে দীপায়ন সরকার বিরুদ্ধে থানায় বাবামার আসা, পুলিশের হস্তক্ষেপে নতুন সংকটের সৃষ্টি।
রাজনীতির ভেতর যেন এক চিরন্তন নাটক, যেখানে বৃদ্ধ বাবা-মার অভিযোগের পর দীপায়ন সরকারের বিরুদ্ধে অত্যাচারের হুঙ্কার উভয়পক্ষেরই মুখোশ খুলে দেয়। বারাসত থানার অফিসার দুধ কুমার মণ্ডলের উপস্থিতিতে যে দুঃখ-কষ্টের পালা শুরু হয়, সেখানে ন্যায়-নীতি আর মানবতা যেন গলিত হচ্ছে, রঙ্গমঞ্চে কেবল ক্ষমতার অসৎ অভিনয়। জনতার হতাশার প্রতীক হয়ে দাঁড়ায় এ ঘটনা, যা প্রমাণ করে, নির্মম রাজনীতির চাঁদে আজও ছায়া পড়ছে।

কলকাতা পুলিশের রদবদলে চাঞ্চল্য, নতুন নেতৃত্বের অধীনে পরিবর্তনের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বারাবনির সাব ইন্সপেক্টর মনোরঞ্জন মণ্ডল সাসপেন্ড, কাঁকসার আইসি পার্থ ঘোষ কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে, আর কলকাতা পুলিশের রদবদলে মুখ্যমন্ত্রী সিআইডি ঢেলে সাজানোর ঘোষণা; এই সব কিছু যেন শাসন ব্যবস্থার ঢাকঢোল, কিন্তু জনমানসে তার প্রতিধ্বনি শোনার কেউ নেই। অত্যাচারিত সমাজের মুখে হাসি ফোটাতে সরকারের উদ্যোগ জনসাধারণের হৃদয়ে স্থায়ী না হলেও, সঙ্গীতের অবসান ঘটিয়ে দূরপাল্লার দৌড়ে — এরপরেও কি রাজনীতি অবিরাম?

“রক্তের প্রতিশোধের দাবিতে উত্তাল বোলপুর: আইন ও গণরাগের সংঘর্ষে প্রতিবেশীদের গর্জন!”
এদেশের প্রকৃত পরিস্থিতি এতো প্রগাঢ় যে, রক্তের বদলে রক্তের দাবি সত্ত্বেও আইনের পথে না হাঁটার শিক্ষায় পুলিশকে কালঘাম ছুটতে হয়। দেহ উদ্ধারে স্থানীয়বাসীদের বাধা এবং উত্তেজনা, যেন সরকারের অব্যবস্থাপনার প্রতিফলন। ঘটনা বোলপুরের অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপারের সামনে, তবুও প্রশ্ন রয়ে যায়—শাসকের মাতব্বরির মাঝে কি আদৌ ক্রোধের বশবর্তী হতে পারবো আমরা?

এমন বিরোধ যখন পুলিশের পদে হুমকি, মহিলা এসআই’র ধরনায় শাসকদের অসহায়ত্বের চিত্র ফুটে উঠেছে!
নাদিয়াল থানায় ওসি ও এসআই সোমা তরফদারের মধ্যে চরম মনোমালিন্য, প্রশাসনিক অসহিষ্ণুতার এক নতুন চিত্র তুলে ধরেছে। দুর্ব্যবহারের অভিযোগে সেই মহিলা এসআই যখন ধরনায় বসেন, তখন মনে হয়, শাসন ব্যবস্থার কোঠাদৃষ্টির ঘরছাড়া অবস্থা আমাদের গণতন্ত্রের ঘৃণ্য রূপটাকেই ফুটিয়ে তোলে। নেতাদের উদাসীনতায় জনসাধারণের সংকোচ প্রকাশ পাচ্ছে, আসলে কে কার জন্য?