পরিবেশ

কলকাতায় গভীর নলকূপের উদ্বেগ: জলস্তরের সংকটে সরকারের নীরবতা কি বিপর্যয়ের কারণ হবে?
কলকাতার জলস্তর বিপন্ন, এবং আমাদের রাজনীতির শীর্ষ নেতারা অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। যেভাবে পরিবেশকর্মীরা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, তাতে মনে হচ্ছে গভীর নলকূপের সঙ্গে বন্ধুত্বই সংকটের আসল কারণ। জল, যা জীবন—মাটি, যা মা, দুটোর প্রতি আজকের দায়িত্ব পালন করা কি আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আলস্যের মুখে হাসির পাত্র নয়?

নারকেল গাছের ভবিষ্যৎবাংলা: পরিবেশ নিয়ে নতুন বিতর্ক, ঠাণ্ডা ছড়ালেও কি গাছ বাঁচবে জোয়ার–ভাটায়?
কী অদ্ভুত, নারকেল গাছ পরিবেশকে ঠাণ্ডা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে, অথচ আমাদের নেতারা পরিবেশের স্বার্থ রক্ষায় কি করছে তা দেখা যায় না। বিদেশের জলসীমায় নারকেলের শক্তি দেখতে পাবেন, কিন্তু এখানকার সরকারী নীতির তলানিতে কি কেবল শুকনো পাতা? জনতার প্রতিরোধের তরঙ্গ এবং রাজনৈতিক চালে, প্রকৃতির প্রজ্ঞা কি আর তাদের শুনতে পাবে?

বর্ষায় ভুটানের নদীর জল: উত্তরবঙ্গে বন্যা ও দূষণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আবারও প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের অভিযান!
বর্ষার জল এসে ভুটানের নদী থেকে উত্তরবঙ্গে প্রবাহিত হচ্ছে, যেন ক্ষতি করাই তার উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষের জীবন সংকটে, সরকারি সাফল্যের গল্পে নতুন ছেদ। তৃণমূলের সুরক্ষা দাবি আবারও উঠলো—তাদের কর্তৃত্বের আলোর চাকচিক্যর আড়ালে দূষণের ছায়া। সরকারের দায়িত্বি ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, মানুষের বিপদ যেন রাজনৈতিক নাটকের কুশীলব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

“শীতকালে সুন্দরবনে রাজনীতির ছায়া: বাঘের প্রভাব ও কুমিরের চুপচাপ, কী বলছে জনমানসে?”
শীতকাল এসে গেছে, কিন্তু সুন্দরবনের শোভা যেন সমাজের কুমীরের মতো, বাহিরে রোদ পোহাচ্ছে, অথচ গভীরে অন্ধকার। রাজনীতির বাঘগুলো ম্যানগ্রোভের আড়ালে চুপচাপ প্রহর গুনছে, যেন ক্ষমতার রম্যরূপে হাস্যরস ছড়াচ্ছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার খেলা এবার নতুন পর্যায়ে, তবে নেতাদের অঙ্গভঙ্গিতে মন্থরতা যেন মাটির ঘরেই পড়মান।

“বন্দুকধারী ব্যবসার মাঝে পরিবেশের সুরক্ষা: টক্সিক ফিল্মের গাছকাটার কাহিনি”
বলিউডের সেলিব্রিটি কেজিএফ তারকা যশের নতুন সিনেমা টক্সিক নিয়ে বড় ধরণের বিতর্ক শুরু হয়েছে, কারণ প্রযোজকরা বেঙ্গালুরুর পেনিয়া এলাকায় ১০০টিরও বেশি গাছ কাটার অভিযোগের সম্মুখীন। পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জানিয়েছন, এটি একটি গুরুতর অপরাধ এবং দীর্ঘকালীন বনভূমির একটি বড় অংশ বেআইনিভাবে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। কেভিএন প্রোডাকশন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছে, দাবি করছে যে পুরো প্রক্রিয়াটিকে আইনসম্মত করা হয়েছে। যশের ফ্যানবেস সিনেমাটির প্রতি আগ্রহ বাড়ালেও, পরিবেশের সঙ্গে এই অতি-সিনেমাটিক আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।