নৈহাটি

“মমতা বড়মার পুজোতে, নৈহাটির তৃণমূল বিজয়: সরকারের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা”
নৈহাটিতে তৃণমূলের বিজয় যাতে গুণগত অর্থে শুচিবায়ু আনয়ন করতে না পারে, তা নিয়ে বিতর্কে যেন এক অদ্ভুত মন খারাপের সূচনা। মমতা এবার বড়মার পুজোয় কান্নাই পছন্দ করেন, তবে শাসনকর্তাদের কৌতুকভরা মূর্তিতে যে জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেসে যাচ্ছে, তা ভাবতে বাধ্য করে। রাজনীতির এই নাট্যকাহিনীতে জনগণের মনের অধিকার বিসর্জন তো দিচ্ছে না।

“টিএমসির ভোটজাল: নৈহাটি উপনির্বাচনে জনতার হাতে ধরা পড়ল দুষ্কৃতী, গণতন্ত্রের দুর্দশায় আবারও প্রশ্ন উত্থাপন!”
সুকান্ত মজুমদারের আবেদনে ফুটে উঠল আমাদের রাজনৈতিক জগতের এক অদ্ভুত নাটক, যেখানে উপনির্বাচনে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা জাল ভোটের জন্য উদগ্রীব। নৈহাটির ঘটনা প্রমাণ দেয়, সরকারী শাসনের সেলুলয়েডের অন্তরালে অশান্তি দানা বাঁধছে। জনতার হাতে ধরা পড়ে এই অদৃশ্য পর্দার চিত্রায়ণ, ভাবায় আমাদের রাজনীতির সত্য, যেখানে নৈতিকতার সংকট আর সমাজের শঙ্কা একত্রিত।

“ময়দানের রাজনীতির শুদ্ধতার আকাঙ্ক্ষায়: সিপিএম-বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়া আন্দোলন কি আসলে ‘অরাজনৈতিক’?”
নৈহাটির তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সনৎ দে’র সমর্থনে ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ও মহামেডানের কর্মকর্তাদের মন্তব্যের পর সিপিএম এবং বিজেপির সোশ্যাল মিডিয়ায় 'ময়দান রাজনীতিমুক্ত' করার আহ্বান যেন রাজনৈতিক জগতে ক্ষণিকের হাস্যরস। অরাজনৈতিক ব্যানার নিয়ে উঠেছে পুরনো গল্প, যেখানে চলমান সমাজের পরিবর্তে ক্রীড়ার অঙ্গনে রাজনীতির কৈকুমারি যাত্রা – সকলেই নিজেদের মহৎ উদ্দেশ্যে সরব, কিন্তু প্রশ্ন তোলা হয়, এ কি সত্যিই ন্যায়ের সুরে?

বিজেপি নেতার গাড়িতে হামলা: পার্থর বিতর্কিত দায়ভার ও তৃণমূলের নতুন স্বপ্নের যাত্রা!
নৈহাটির ঐকতান মঞ্চে তৃণমূলের বৈঠক, যেখানে পার্থবাবু সনৎ দে’র প্রশংসা করে বলেন, "গাড়িতে হামলা ও বোমা উদ্ধারের ঘটনা যেন নাটকের একটি অধ্যায়!" বিজেপির নীরবতা প্রকৃতপক্ষে মুখোশ দেখার মতো। রাজনীতির এই অঙ্গনে নেতা ও নাটকের চরিত্রবিভাজন, জনগণের মানসিকতায় পড়েছে নিশ্চিত। অতীতের নাটক বাকি থাক ঠিকই, কিন্তু সনৎরা যে সমর battlefield চালাচ্ছেন, তা কি রাষ্ট্রীয় ধারার একটি নতুন রঙ?