নৈতিকতা

মধ্যমগ্রামে রাজনৈতিক আতঙ্কে নাগরিকদের মুখ বন্ধ, রাজনৈতিক নেতৃত্বের কার্যকলাপ প্রশ্নবিদ্ধ
মধ্যমগ্রাম-সহ উত্তর ২৪ পরগনার মাইকবাজদের তাণ্ডবে আতঙ্কে মানুষ আজ কথা বলতে ভয় পায়। রাজনৈতিক বাবুরা ও সমাজবিরোধীদের অনিষ্টের আশঙ্কায় নীরবতা অবলম্বন করেছে। এটি কি দূরদর্শী শাসনের চিত্র, নাকি ভয়ের সংস্কৃতির নতুন অধ্যায়? হে জনতা, আপনাদের কণ্ঠস্বরই তো প্রকৃত পরিবর্তনের আশা!

হুমায়ূনের বিস্ফোরক অভিযোগ, দলের ভেতরে ফেরিঘাটের দখল নিয়ে নৈরাজ্য চলবে না
বাংলার রাজনীতিতে আবারও হুমায়ূনের তোপের মুখে পড়েছে দলের একাংশ। ফেরিঘাটের দখলদারি নিয়ে অর্থ গোজামি করার অভিযোগ তুলে তিনি মন্তব্য করেছেন, ‘আমি থাকতে তা হতে দেব না।’ এর মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক নৈতিকতা ও কর্পোরেট শোষণের এক শ্লীলতাহানির গল্প শুনিয়ে দিয়ে সমাজের নৈতিক পতনকে তুলে ধরেছেন, যেন আমাদের আরেকবার ভাবাতে চাচ্ছেন, এই প্রবাহিত নদীর তীরে দাঁড়িয়ে, কি ভীষণ বিস্ফোরক আমাদের চৎকৃতির নৌকায়!

শুভেন্দুর মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক, হাইকোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে সন্ন্যাসীদের কর্মসূচি রানি রাসমণিতে
শুভেন্দুর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে রাজনীতির চেহারা, যেখানে হাইকোর্টের অনুমতি—একদিকে চলমান তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের মিটিং, অপর দিকে হিন্দু সন্ন্যাসীদের কর্মসূচি নিয়ে অনুমতি চাওয়ার আবস্থা। সমাজের নৈতিকতা, নেতৃত্বের কার্যকারিতা এবং গণমানুষের সংবেদনশীলতা যেন এ এক অসার নাটক, যেখানে সরকার ও ধর্মের গোলদাঁড়ি একই পথে। রাজনীতি যেন রবীন্দ্রনাথের গানে 'অন্ধের বাণী', যেন এক নতুন কাব্য রচনা করতে চলেছে।

“মানবতার কথা বললেন চিকিৎসক: শত্রুর চিকিৎসা করাকেই ধর্ম বলে মনে করছেন তাঁরা”
সম্প্রতিকালে, চিকিৎসকের অমোঘ ধর্ম নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে শত্রুরও চিকিৎসা করতে হবে—এটাই মানবতার পরিচয়। তবে প্রশ্ন হলো, রাজনীতির সবখানে কি এই মানবতা বাতাসে ভাসছে? শাসকদের অতি মানুষের মুখোশ খুলে গেলে, সমস্যা ও লক্ষ্যবিহীন নীতিতে আমাদের সমাজের 'শত্রুর' চিকিৎসা কবে হবে? সভ্যতার এই দ্বন্দ্বে, মানবিকতার দিকে আমাদের চোখ কি সবসময় খোলা থাকে?

“সিবিআইয়ের পক্ষে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট, চিকিৎসকদের সাক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক টালমাটাল!”
সিবিআইয়ের দাবি অনুযায়ী, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ হতে চলেছে, এবং তাঁর সাবেক চিকিৎসকেরা এই অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। দারুণই বুদ্ধির খেলা! একজন নেতার নৈতিকতা যে কতটা পতিত হতে পারে, সমাজের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান আরও প্রকট হয়ে উঠছে। রাজনীতির এই নাটকীয়তায় কি সত্যিই সমাজ উন্নতির পথে এগোচ্ছে, না কি শুধু মুখোশ পাল্টানোয় ব্যস্ত?

“১৮ বছর পর ফিরছে ‘ভাগাম ভাগ ২’, আবারও হাসির ঝড় তুলবে অক্ষয়-কুমার ও গোবিন্দার অভিনয়!”
বিশ্বজুড়ে হাসির তরণী নিয়ে ফিরে আসছে 'ভাগám ভাগ ২', আটнад বছর পর অবশেষে শুরু হতে চলছে হৃত্বিক ও গৌরবের এই সিক্যুয়েল। পূর্ণতা পেতে চলেছে দর্শকদের প্রিয় প্রিয়দর্শনের কাছে, যেখানে নির্মাতারা ওয়েবের সময় পরিবর্তনের সাথে এক নতুন মাত্রা যুক্ত করছেন। প্রবীণ অভিনেতাদের সঙ্গে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে শিল্প, এ যেন চলচ্চিত্রের মুক্তির এক নতুন অঙ্গন।

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারি: নতুন রাজনৈতিক সংকটের সূচনা!
দুর্নীতির অন্ধকারে ঢাকা এই রাজনীতির নক্সা যেন এক আবেগময় কবিতা; যখন কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে ইডি খুঁজে পায় দুর্নীতির নথি, তখন সমাজের চেতনায় উঠে আসে প্রশ্ন—কোথায় আমাদের নৈতিকতা? নেতাদের স্বপ্নগুলো কি আজও স্বচ্ছ, না শুধুই ছায়ার মায়াজাল? জনগণের মনে ক্রমেই বেড়ে চলেছে অসন্তোষ; সত্যের আলোতে এই ট্রাজেডি কি এক নতুন আন্দোলনের জন্ম দেবে?

“হিসাব বারাবরের বিশ্বপ্রিমিয়ার: সমাজের নিরিখে সত্যের খোঁজে রাধে মোহনের সাহসী যাত্রা”
বলিউডের নতুন সামাজিক নাটক "হিসাব বরাবর" ২৬ নভেম্বর ২০২৪-এ ৫৫তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রিমিয়ার হতে চলছে। এমাধবন একটি সাধারণ মানুষ হিসেবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে আর্থিক প্রতারণার অন্ধকার দিকগুলি প্রকাশ করেন। এই চলচ্চিত্রটি শুধুমাত্র এক নির্মম সত্যের উপাখ্যান নয়, বরং নৈতিক দায়িত্ব ও সম্পর্কের জটিলতাকে জলাঞ্জলি দেয়। বর্তমান সমাজের প্রতিচ্ছবি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এটি, এবং দর্শকদের ভাবনায় বিপর্যয় ঘটাতে প্রস্তুত।

এখনও কি সেলুলয়েডের দুনিয়ায় সততার ঠুনকো তাল? ইরোসের সুনীল লুল্লার জরিমানা আমাদের কী শিখায়?
ইরোস ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়ার সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুনীল লুল্লার বিরুদ্ধে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (SEBI) ৫০ লাখ রুপি জরিমানা করেছে। জুন ২০২৩ থেকে সিকিউরিটিজ মার্কেট থেকে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, লুল্লা নির্দেশনা উপেক্ষা করায় সমস্যায় পড়েছেন। বর্তমানে ইন্ডাস্ট্রি একটি গুরুতর পর্যায় অতিক্রম করছে, যেখানে বিনোদন ও নৈতিকতার মধ্যে সংঘাত স্পষ্ট হচ্ছে। এই ঘটনাগুলি আমাদের দেখায় কিভাবে ক্ষমতা এবং সৎ ব্যবসা থিয়েটার থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।

নারীশক্তির আরাধনায় ধর্মীয় বিসর্জনে মদের আক্রমণ: সমাজের চিত্র বোঝাতে বাধ্য রাষ্ট্রীয় সৃষ্টির নতুন স্রোত?
বাংলার এই দৃশ্যে নারীশক্তির আরাধনা আর বিড়ম্বনার মিশেল—একদিকে শোভাযাত্রায় মহিলার গায়ে মদ ঢালার ঘটনা, অন্যদিকে বৃহত্তর সমাজের চোখে রাজনীতির ক্লীবতা। কি আশ্চর্য, নারীর আবেগের বন্দনা করতে গিয়ে, সুবাসিত সংসারের ঐতিহ্য ভেঙে পড়ছে। সেখানেই কি সত্তার শক্তি আর স্বাধীকারের পরিমাণ নির্ভর করে?