নেতৃত্বের দায়িত্ব

বিএসবির বিরুদ্ধে উত্তেজনা: বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে বোমাবাজির তাণ্ডবের মাঝে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দৃশ্যপট
বেলা বাড়লে বিজেপি ও তৃণমূলের লড়াই যেন সন্ত্রাসের রূপ নেয়, বোমাবাজির মাঝে সমাজের রঞ্জনক ছবিটি স্পষ্ট। শক্তির সাধনায় মানবতার উন্মাদনা চাপা পড়ে যায়, এবং রাজনীতির খেলার মাঠে মানবিক মূল্যবোধের অবমূল্যায়ন হয়। জনগণের জন্য কি সত্যিই নেতৃত্ব, না কি সু-কৌশলগত ঝগড়ার নৃত্য?

“সরকারি বাবুর অদ্ভুত সংস্কৃতি: সই সেরে আড্ডা, তবে এবার কি লাগাম টানবে সরকার?”
আহারে, সরকারি বাবুররা আবারও হেলেদুলে চলে গেলেন, সইয়ের পর আড্ডায়! আমাদের সংস্কৃতিতে এই ছেলের খেলা চলছেই। তবে এখন লাগাম টানার উদ্যোগ। ভেবে দেখুন, যখন নেতৃত্বের কার্যকলাপ এমন হররর রূপ নিচ্ছে, তখন সমাজের বিবেচনা যেন দুলতে দুলতে পা ফেলে। কৃষ্ণপদার্থের মতো রসায়ের ক্ষত ত্যাগে নতুন কিছু আশা, নাকি পুরনো আঁতাতের বৃত্তে আটকে থাকবে?

“শুক্লার আত্মহত্যা: পঞ্চায়েতের মানবিকতার চেহারা উন্মোচিত, সরকারের প্রতি নাগরিকের ক্ষোভের নতুন অধ্যায়”
শুক্লার আত্মহত্যার পর সমাজের অন্ধকার দিকগুলি আবারও উন্মোচিত হলো; পঞ্চায়েত সদস্যের অবহেলা, এবং একীভূতভাবে সকলের নীরবতা যেন বাস্তবের অমানবিক নাটক। ভাইয়ের বিষাদের কাহিনি এখন সমাজের নানা স্তরে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে, সরকারের প্রতি জাতির বিশ্বাসই যেন প্রশ্নবিদ্ধ। নেতাদের জনসেবার প্রতিশ্রুতি, কীভাবে রূপ নেবে সমাজের ব্যথায়, তা অনিশ্চিত।