নির্যাতন

মধ্যমগ্রামে রাজনৈতিক আতঙ্কে নাগরিকদের মুখ বন্ধ, রাজনৈতিক নেতৃত্বের কার্যকলাপ প্রশ্নবিদ্ধ
মধ্যমগ্রাম-সহ উত্তর ২৪ পরগনার মাইকবাজদের তাণ্ডবে আতঙ্কে মানুষ আজ কথা বলতে ভয় পায়। রাজনৈতিক বাবুরা ও সমাজবিরোধীদের অনিষ্টের আশঙ্কায় নীরবতা অবলম্বন করেছে। এটি কি দূরদর্শী শাসনের চিত্র, নাকি ভয়ের সংস্কৃতির নতুন অধ্যায়? হে জনতা, আপনাদের কণ্ঠস্বরই তো প্রকৃত পরিবর্তনের আশা!

“নির্যাতিতার স্বামীকে দীক্ষা দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, সমাজে প্রতিক্রিয়া ও সরকারের আইনি পদক্ষেপের দাবি বাড়ছে”
নির্যাতনের নৃশংস তত্ত্ববোধ নিয়ে উজ্জ্বল নামক সদর্থক নেতা, দীক্ষার নামে এক মহিলার। স্বামীকে ডেকে পাঠিয়ে, কপট মুরুণতার আড়ালে ঘরের চার দেওয়ালের মাঝে ঘটে তার কলঙ্কজনক অপরাধ। এ ঘটনা প্রকাশ্যে আনার পর প্রশাসনিক উদ্যোগে উঠেছে প্রশ্ন—শক্তির অমলিন আবরণে কি কেবল ধোঁকা, না বাস্তব বিপ্লবের সম্ভাবনা?

নির্যাতিতার বাবার বিবৃতি: সঞ্জয়কে চিনতে না পারায় প্রশ্নে Governance ও বিচার ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা!
নির্যাতিতার বাবার মুখে সঞ্জয়কে চিনতে না পারার ঘটনাটি বিচারকের গম্ভীর আসনের নিচে যে কতটা অন্ধকারের আবরণ ফেলেছে, সে ভাবনা আমাদের আত্মাকে নাড়া দেয়। এর মধ্য দিয়ে গবর্নেন্সের অক্ষমতা, নেতাদের দায়বদ্ধতা আর সমাজের এ বিপন্ন দশা প্রতিফলিত হয়। রাজনৈতিক নাটকের এসব ক্রীড়ানক, একদিকে জনগণের যন্ত্রণা, অন্যদিকে ক্ষমতার খেলার সীমাহীন হাস্যরস, যেন পুরো প্রেক্ষাপটটাই এক ভোঁতা কৌতুক।

পঞ্চায়েতের সালিশিতে নারী নির্যাতন: সম্পত্তির বিবাদে নেতৃত্বের দায়িত্বে প্রশ্ন, সমাজের চিত্রের অঙ্গবিকৃতি!
সম্পত্তির প্রশ্নে সালিশি সভায় নারীদের ওপর নির্যাতন, সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত মেম্বার রমজান মোল্লার নাম জড়ানো—এ তো এক অদ্ভুত পরিহাস! প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা পালন না করে স্থানীয় নেতাদের এই প্রহসন, সামাজিক নৈতিকতার চূড়ায় তোলা প্রশ্ন—আসলে আমরা কেমন নেতৃত্ব চাই? যেখানে সালিশирাই মানবাধিকারের অবক্ষয়, সেখানে রাজনৈতিক আদর্শের খেয়ে ফেলে দেওয়া কথাধিকারের বাণী শুনতে শুনতে আমরা এক গভীর নীরবতার মধ্যে আটকে যাচ্ছি।

নির্যাতনা ও সিসি ক্যামেরার রহস্য: আমাদের সমাজের বিচিত্র নাটক কি বাস্তবিক, নাকি অবাস্তবতার পর্দা?
নির্যাতনার ঘটনার পর বিতর্কিত সেমিনার রুমের কথা উঠেছে, যেখানে সিসি ক্যামেরা না থাকার সুবিধা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রমাণের অভাবে শোনা যাচ্ছে নানা ভিত্তিহীন দাবী। আমাদের সমাজের এই নাটকীয় পালাবদলে কি নেতৃবৃন্দের স্বার্থ নয়, নাকি জনসাধারণের মনে এক গভীর প্রশ্নের সঞ্চার?