নির্বাচনী কৌশল

অখিল ও উত্তমের দ্বন্দ্ব: কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্ক নির্বাচনের চাপ ও রাজনৈতিক নাটকীয়তা
অখিল যেভাবে কাঁথি সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে উত্তম বারিককে দায়িত্ব পাস করলেন, তা যেন রাজনৈতিক নাট্যাংশে একটি নতুন মোড়। নেতা ও প্রশাসনের সুর মিলিয়ে এক্ষেত্রে সম্ভাব্য গৃহীত সিদ্ধান্তগুলি সমাজের মধ্যে বিতর্কের কেন্দ্রে পৌঁছেছে, যেখানে আন্তঃসমবায়ের সরঞ্জাম বিনিময়ে নেতাদের খেলা এবং জনগণের ভরসা উভয়ই প্রশ্নবিদ্ধ। এই পরিস্থিতি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, রাজনৈতিক ক্ষীণ প্রদীপের আলোয় সমাজের উন্নতির রাস্তা চিহ্নিত করতে গেলে উচ্চবাচ্য এবং সংকীর্ণ স্বার্থের উচ্চারণ মধ্যে দুলতে হয়।

তৃণমূলের অব্যাহত সাফল্য, পাহাড়ের পুরসভা নির্বাচনে ফের হাকিমের আশ্বাস!
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের তালে সব উপনির্বাচন জয় করে তৃণমূল কংগ্রেস যেন সূর্যের প্রভা ছড়িয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের আকাশে। বেলারঙা হাওয়ায় ফিরহাদ হাকিম পাহাড়ের পুরসভাগুলোর নির্বাচনের নিশ্চিত আশ্বাস দিচ্ছেন, কিন্তু রাজনৈতিক এই আশার পেছনে কী বাস্তবের কাঁটা লুকিয়ে আছে? সমাজের সত্য, সহজাতভাবে প্রকৃতির মতোই, কবির লেখায় চিরকালীন, অথচ রাজনীতির মঞ্চে ছন্দপতন।

মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির হারের পরবর্তী প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও জনমতের পরিবর্তন: নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা!
মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির পয়সা ও প্রচারণার বুদবুদ ফুটিয়ে ওঠেছে তাদের জনবিচ্ছিন্নতা। ভোটের আসরে তারা কার্যত কুপোকাত, আর জনগণের মন থেকে দুর্বলতা বুঝতে পেরে ভাবছি, সত্যি কি এই রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র নিয়ে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, নাকি তাদের ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটাই সবার অন্ধকারে ঢেকে রেখেছে?

“কেতুগ্রামে তৃণমূলের অনুষ্ঠানে অভিষেককে মুখ্যমন্ত্রী সম্বোধন: রাজনীতির নতুন নাটক ও বিতর্কের জন্ম!”
গতকাল পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূলের বিজয়া সম্মিলনীতে বিধায়ক শেখ শাহনাওয়াজ মণ্ডলের অভিষেককে মুখ্যমন্ত্রী বলে অভিহিত করায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। গদির লোভে গোপালকৃষ্ণ বংশের এ যেন নতুন নাটকের মহড়া, যেখানে জনগণের চাহিদা আড়ালে পড়ে যায়, অথচ স্বপ্নগুলো জ্বলজ্বলে থাকে। এই নামকরণের প্রেক্ষিতে জনতার মনে ক্ষোভ কি না, তা সঙ্গত প্রশ্ন। পলিটিক্সের এই বিবর্তনে আসলে আমরা কোথায় অবস্থান করছি?

“মুখ্যমন্ত্রীর দাবি: ডিভিসির খননে দক্ষতা পেলে বন্যা নিয়ন্ত্রণে আসবে আশার রশ্মি, কিন্ত প্রকৃতির কাছে এ কি আমাদের বৃদ্ধির দ্বিধা?”
নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, যেখানে তিনি ডিভিসির খনন প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেছেন, তা প্রতিফলিত করে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার অদূরদর্শিতা। চার লক্ষ কিউসেক জল সংরক্ষণে সক্ষম হলেও, বাস্তবে প্রকৃত সমস্যা বিমুখ। ציבורের চাহিদা আর শাসকদের আশ্বাসের ফারাক এতটাই জানতে চাইলে, ‘পলিগুলো ক্লিয়ার করুন’ কথাকে যেন হাস্যকর বিপরীতে দাঁড় করায়। রাজনৈতিক নেতাদের সদিচ্ছা আর কার্যকারিতায় যে ফারাক, তা আজও সমাজের আলোচনায়।