নিরাপত্তা সংকট

মাংস বিক্রেতার শ্বাসনালিতে আঘাত, পুলিশ তদন্তে নামে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা শুরু
পুলিশের হাসপাতালে আসা সেই মাংস বিক্রেতা আঘাতের কাহিনি বলার অধিকারই যেন হারিয়ে ফেলেছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হচ্ছে—প্রশ্ন ওঠে, ভাষার রূপে রূপান্তরিত দহন কিসের ফল? সমাজের এই অসঙ্গতি, স্বাভাবিকের খুলে থাকা আঘাতে চালাচ্ছে সরকার, আর নেতাদের মুখে প্রতিশ্রুতির মায়া। এই তো আমাদের রাজনীতির নাটক—এক পা এগোলে, সমাজের শ্বাসনালি আরো একবার জর্জরিত!

পতি-বন্ধুরা প্রকাশ্যে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, পুলিশের তল্লাশি জারি!
এক গৃহবধূর পুড়ে যাওয়া দুঃখজনক ঘটনা আবারো সমাজের অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কতটা ব্যর্থ আমরা, যখন একটি নারী প্রকাশ্যে দগ্ধ হন স্বামী ও বন্ধুদের হাতে! এ কাহিনী যেন গল্প-কথার রঙিন টেলিভিশন পর্দায়, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সমাজের গভীর অস্থিরতার চিত্র হাজির করছে। প্রশাসনের তৎবিরোধক মুল্যায়ন কি কখনো হবে?

“মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে পর্যটকদের যাত্রা:Governance এর চ্যালেঞ্জ এবং পাহাড়ে পাবলিক মনোভাবের পরিবর্তন”
গত রবিবার মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ওঠা পর্যটকদের শিলিগুড়িতে নামার কথা ছিল, কিন্তু তাঁদের ভ্রমণের পরিকল্পনা যেন সরকারের অসভ্য আচরণের নিশান। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে আগত এসব পর্যটক, যেন এক অসুন্দর রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র, যেখানে স্বপ্নের পাহাড়ে পৌঁছানোর আগে নিজস্ব নিরাপত্তার সংকট। আকাশে আলো কিন্তু আমাদের পায়ে এখানে মেঘ—রাষ্ট্রের দায়িত্ব কী তবে শুধুই আতিথেয়তা নষ্ট করা?

টালা থানার প্রাক্তন ওসি ও কলেজ অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরির আগে পুলিশের ডাকে সিবিআই অভিযুক্তের মুখোমুখি!
আপনারা জানেন, টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট তৈরির জurgে এক পুলিশ অফিসারকে আবার ডাকা হল। সিবিআইয়ের কাছ থেকে পূর্বেও জেরার সম্মুখীন হওয়ার পরে, প্রশ্ন উঠেছে, ক্ষমতার এই মায়াবী জালে সত্যের অনুসন্ধান কতো দূর এগোবে? আমাদের রাজনৈতিক বাতাবরণ যেন প্রতিদিনই নতুন নাটক রচনা করে, কিন্তু জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার সিনেমা কি কখনো মুক্তি পাবে?

আসানসোলের ট্রেন দুর্ঘটনায় আতঙ্ক: রেলওয়ে ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি নিয়ে অসন্তোষ বৃদ্ধি
যুগান্তকারী এই ঘটনার পর আসানসোলে ট্রেনযাত্রীদের মনে এক ভীতির ছায়া। নিরাপত্তার প্রশ্নে আবারও দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছি আমরা—সমাজ আর সরকারের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নবিদ্ধ। ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত এলো, কিন্তু প্রশ্ন রইল, রাজনীতি কি কখনো সঠিক সময়ে আসে? আতঙ্কের মাঝে মানুষের আহত হয়ে যাওয়ার গল্প বলছে, governance এর দায়িত্ববোধের অধঃপতন। আবার সেই পুরোনো নাটকের পুনরাবৃত্তি—যেখানে সরকার থাকে উপস্থিত, কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা কী ম্লান, সে যাত্রা হিসেবে।

“বিহারের ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর নাটক: ঘাটালের যুবকদের জালে আটকা পড়ে রাজনীতির অবহেলা!”
চন্দ্রকোনা রোডে ট্রাক ছিনতাইয়ের চক্রান্তে ১৩ জন গ্রেফতার, তাদের মধ্যে দুজন ঘাটালের। রঞ্জিত দাস, যিনি ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে পরিচিত, বিহারের জামুইয়ের। প্রশাসনিক নীরবতায় প্রশ্ন ওঠে, সমাজের ফাঁকফোকর ভরপুর। আমরা যে রাজনীতির ছলে চলছি, তাতে অস্থিরতা আর দুর্নীতি কি এই আমাদের গন্তব্য?

“খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণে জঙ্গিরা, শাসন ব্যবস্থার ধূসর ছায়া: নিরাপত্তার নামে সামাজিক বিশ্বাসের ভিত্তি কি ভেঙে গেছে?”
খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণ শুধু একটি আতঙ্কের ঘটনা নয়, বরং আমাদের শাসনের অন্ধকার দিক উন্মোচন করে। জামাতুল মুজাহিদের সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ নাশকতার পরিকল্পনা, আর এ নিয়ে জনসাধারণের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে। প্রশাসনের নজরদারির গাফিলতি কিংবা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জবাবদিহির অভাব—এ যেন আমাদের রাজনৈতিক নাটকের নতুন দৃশ্যপট। প্রশ্ন ওঠে, এতগুলো বছর পরে কি আমরা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবো, না কি শঙ্কার প্রহরের পালা আরও দীর্ঘায়িত হবে?

“পঞ্চায়েতের পথে প্রাণহানি: নিহতের মায়ের আহাজারি, রাজনীতির অন্ধকারে মৃত্যু যন্ত্রণার সংবাদ!”
মাঠে সভা শেষ হতে না হতেই এক মায়েবাবু জানালেন, পঞ্চায়েত যাওয়ার আগে তাঁর ছেলেকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। স্ত্রীর কথায়, “শত্রু তো ছিলই না”, কিন্তু আমাদের রাজনীতির খেলার মাঠে কি সদ্ভাবের স্থান? সমাজে শান্তি খুঁজতে গিয়ে কি আমরা নিহতের মায়ের কান্না ম্লান করতে পারব? নেতাদের প্রতিশ্রুতি, আর ঘটনাবলী যেন বিচিত্র এক নাটকের কাহিনী, যেখানে মানবতা কেবল একটি পর্দার পেছনে ঢেকে থাকে।