নিরাপত্তাহীনতা

শওকত মোল্লার অনুগামীদের হামলায় আতঙ্কিত স্বপন মণ্ডল, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে Crescendo সংঘাত
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আরাবুল অনুগামী স্বপন মণ্ডলের ওপর শাওকতের অনুসারীদের হামলা, রাজনৈতিক আধিপত্য ও বিক্ষোভের এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে। প্রশাসন কতটা নিষ্ক্রিয়; নেতা ও গুণচরিত্রের নৈতিকতার সংকট কী প্রতিফলিত করে—এ প্রশ্ন আজ বাংলার ঘরে ঘরে। সত্যি, রাজনীতির এই নাটকীয়তার মাঝে মানুষের জীবনও কি শুধুই একটি ভোটের মরীচিকা?

তৃণমূল কাউন্সিলরের খুনের চেষ্টায় পুলিশের দক্ষতা নিয়ে শাসকদলের নেতাদের উদ্বেগ, চরম অস্বস্তি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে!
কসবায় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের গুলি খুনের প্রচেষ্টার পর, শাসকদলের নেতারা পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই পরিস্থিতি বোঝায়, সরকারের আওতায় থাকা পুলিশও এখন শাসকের অন্দরের বিদ্রোহের শিকার। এমন অবস্থা, যেখানে রাজনৈতিক নেতাদেরও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়, জনতাকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির হাস্যকর রূপ যেমন প্রতিফলিত হয়, তেমনই রাজনৈতিক সঙ্কটের গভীরতা বলার অপেক্ষা রাখে।

শহরের ভরা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি: পুলিশ ও ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন, সমাজের নিরাপত্তা কোথায়?
রাজধানীর একটি ব্যস্ত বাজারে প্রকাশ্য ডাকাতির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। শহরের শান্তিপ্রিয় চিত্রে এ রকম ঘটনার সম্মুখীন হয়ে ব্যবসায়ীরা আতঙ্কিত। প্রশ্ন উঠেছে, প্রশাসন কি আদৌ দৃষ্টি রেখেছে, নাকি সবসময়ই মুখোশ পরে থাকে?

বাংলাদেশ কায়দায় ‘হিন্দু নিধন’ জরুরি প্রশ্ন: মমতাকে সুকান্তের চ্যালেঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গ কি সত্যিই বাংলাদেশে বদলে যাচ্ছে?
সুকান্তর বিস্ফোরক অভিযোগে সাড়া দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ রাজনীতিতে নতুন চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে; তিনি দাবি করেছেন, বেলডাঙায় হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, যা বাংলাদেশের তালুর ভেতর সীমাবদ্ধ নয়। মমতার প্রতি প্রশ্ন উঠেছে, সরকার কি এক অজানা কৌশলে বাংলাকে বাংলাদেশ বানানোর পাঁয়তারা করছে? রাজনীতির এই নাটকীয়তার পেছনে জনগণের অসন্তোষ রয়েছে, যা সময়ের সাথে সাথে ফুঁসে উঠছে।

কলকাতার কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে খুনের চেষ্টায় যুবরাজ গ্রেফতার, ষড়যন্ত্রকারী এখনও অধরায়—রাজনীতির অন্ধকারে নাগরিক জীবনের শঙ্কা!
কলকাতা পুরসভার সুশান্ত ঘোষকে গুলি করে খুন করার চেষ্টায় যুবরাজের গ্রেফতার, অথচ ষড়যন্ত্রের মূল চক্রী এখনও অজ্ঞাত। সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল, কিন্তু রাজনীতির এই করুণ কাহিনিতে প্রশ্ন ওঠে—কিভাবে শাসকেরা ভয়ে নতজানু? সমাজের নিরাপত্তাহীনতা কি শুধুই রাজনীতির নাটকীয়তার আড়াল, না কি গভীর মানবিক সংকটের প্রতিফলন?

“স্বামী কর্তৃক প্রাণনাশের হুমকি ও পুলিশি অভিযোগ: সমাজের মোড়কে গৃহবধূর সাহসী প্রতিবাদ”
সম্প্রতি এক বধূর ঘটে যাওয়া ঘটনায় প্রকট হয়ে উঠছে সমাজের অন্ধকার দিক; যখন স্বামী প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছিল, তখন শাশুড়ি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের বাণী শুনিয়েছেন। এই নির্মম রাজনীতির মাঝে, কি আশ্চর্য যে, নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা আছে গণতন্ত্রের সমালোচনা। সমাজের স্বাভাবিক নিয়মগুলোতেই তো বিপন্ন মানবতা।

শাহজাহানের জামিনের চেষ্টায় বিপ্লবের সরব উপস্থিতি: রাজনীতির নাটক, সমাজের দমবন্ধ পরিস্থিতি!
জেলখানায় বন্দী শাহজাহানের কষ্ট বৃদ্ধির সাথে সাথে, বিচারব্যবস্থার সুরক্ষার বদলে নিরাপত্তাহীনতার চিত্র ফুটে উঠছে। তিনি আইনজীবী বদল করে বিপ্লব দাশগুপ্তকে নিয়োগ করছেন, যেন বন্দী জীবনের নৈমিত্তিক অন্ধকারে কিছু আলোর প্রবাহ ঘটাতে পারেন। তবে, নেতৃত্বের এই পালাবদল যে সমাজের মূল্যবোধকে কতটা বিচলিত করছে, তা ভাবতে হবে। রাজনীতির এই নাটকীয়তার পর্দায় জনগণের কণ্ঠস্বর কি আর শুনতে পাচ্ছে সমাজ?

“রাজনীতির কড়া কথার মধ্যে বিস্ফোরণের ধোঁয়া: পাটুলির বোমা ও সমাজের অস্থিরতায় অবস্হান”
পাটুলিতে ঘটে যাওয়া বিস্ফোরণ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যখন পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কিন্তু কর্তৃপক্ষের অযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করে। সমাজে নিরাপত্তাহীনতা ও অবিশ্বাসের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে, আর রাজনীতির মঞ্চে কেবল খেলা চলছে। কি মজার! বিশ্বাসঘাতকতার এই খেলা কোনদিন শেষ হবে?