নাগরিক সমাজ

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীতা, সুখেন্দুর জন্য বিপদে সিট বজায় রাখার চাপ
রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনঃপ্রবেশে রাজনৈতিক খেলার বাঁশি বাজছে, যেখানে সুখেন্দুর মত নেতারা নিজেদের স্থান ধরে রাখতে মরিয়া। ২০ ডিসেম্বরের উপনির্বাচন যে কেবল ভোটের খেলা নয়, বরং অতীতের কালো ছবির চাদর উড়িয়ে দেয়া এক ভক্তি প্রকাশ। জনচেতনায় নেতাদের বদলে গিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠছে—ক্ষমতার খেলা কি আদৌ জনহিতকর?

বাঘের আতঙ্কে জামবনি: বনদফতরের বার্তা ও মানুষের উদ্বেগের নতুন অধ্যায়
লালগড়ে ছড়িয়ে পড়া বাঘের আতঙ্ক যেন আমাদের সরকারের অক্ষমতার প্রকাশ—যেখানে সর্বত্র নিরাপত্তার অভাব, সেখানে বনদফতরের 'আতঙ্কিত হবেন না' বার্তা কেউ শুনে না। জনমানসে বেড়ে চলা ভয়ের মধ্যে থেকে আমাদের সচেতনতা ও সাহসের সুর বাজানো প্রয়োজন, কিন্তু leaders তো ফটো সেশনেই মগ্ন।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে আতঙ্ক: যাত্রীদের মুখে শঙ্কা, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ
গতকাল ভারত থেকে বাংলাদেশে যাত্রা করা কয়েকজন যাত্রীর মুখে আতঙ্কের ছাপ; একেবারে যেন এক আয়না, যেখানে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে। নেতাদের প্রতিশ্রুতির ফাঁকা আওয়াজ ও জনতার নিরব কান্না, এক অভিনব নাটক যা সমসাময়িক সমাজের রাজনৈতিক চিত্রকে poignantly চিত্রিত করছে। সত্যিই কি আমাদের ভাবনা শুধুই পথের গোলযোগ আর সীমান্তের বৈরি?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বাহিনী পাঠানোর দাবি, ইঙ্গিত সংঘাতের এবং ইউনুসের সরকারের অক্ষমতার দিকে
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন বাংলাদেশে রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ বাহিনী পাঠানোর জন্য, যা মনে করিয়ে দেয় আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের দূরদর্শিতা কতোটা ক্ষীণ। যখন মহম্মদ ইউনুসের সরকারের গলার নালির অবস্থা সংকটাপন্ন, তখনই দেখা যায়, পাশের দেশে সংঘাতের প্রেক্ষাপট তৈরি হতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে, আমাদের নিজের সমস্যা সমাধানের বদলে তারা বিদেশী হাতের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যেন রাজনীতির খেলা শুধুই একটি নাটক। সমাজের প্রতিনিধিত্ব আর নেতৃত্বের মৌলিকত্বের সমস্যা এখানে স্পষ্ট, যেখানে জনগণই একটি বড় প্রশ্ন চিহ্ন।

“চিরবিদায় পঙ্কজ দত্ত: রাজনীতিতে স্থানীয় নেতৃত্বের অকাল প্রস্থানে কী প্রভাব ফেলবে সমাজে?”
প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ করে চিরবিদায় নিলেন পঙ্কজ দত্ত, যিনি সমাজের মধ্য দিয়ে চলতে চলতে অসুস্থতার দংশন সহ্য করলেন দীর্ঘদিন। তাঁর মৃত্যু যেন আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অক্ষমতায় এক নতুন প্রতিফলন। চূড়ান্ত রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝে আমরা কি বুঝতে পারছি, স্বপ্নের সিঁড়ি গড়ার জন্য কি মূল্য দিতে হবে সমাজকে? বিচ্যয়িত নীতির ব্যর্থতা যত বেড়ে চলেছে, নাগরিক সমাজের প্রবাহে সে রক্ত প্রবাহের মত গভীরতর হচ্ছে।

কলকাতা টেক পার্ক: পূর্ব ভারতের বৃহত্তম আইটি পার্কের উন্নয়ন কি নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেবে?
কলকাতা টেক পার্কের ১.৪৯ মিলিয়ন বর্গফুটের প্রান্তরে এখন প্রযুক্তির অগ্রগতির চেয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণের আলোচনাই বেশি। আধুনিকতার প্রতীক এই পার্ক, যেখানে উদ্ভাবনী চিন্তা নাটকের নায়ক, অথচ নেতারা সমাজের প্রকৃত চাহিদাকে অবহেলা করে যাচ্ছেন। অদ্ভুত এখানেও, মিডিয়া প্রতিফলিত করছে উনতি আর অবনতির পাশাপাশি, যে সরল মানুষের কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাচ্ছে উচুঁ সুমদ্রের মাঝে।

মুর্শিদাবাদে সংঘর্ষের জেরে ইন্টারনেট বন্ধ: ১৭ জন গ্রেফতার, সমাজে অশান্তির স্রোত বয়ে চলছে!
বাংলার বেলডাঙায় সংঘর্ষের মধ্যে মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে মানবিকতা, প্রশাসনের ইন্টারনেট বন্ধের অন্ধকারে। রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার ফলস্বরূপ, হিংসা ও আতঙ্কের খেলায় ১৭ জন গ্রেফতার, কিন্তু শান্তির বার্তা কোথায়? সমাজের প্রতিচ্ছবি এমনকি প্রযুক্তির জালে বন্দী হয়ে উঠছে, ভাবুন, কোথায় গেল শান্তির গান?

সিপিএম নেতা তন্ময়ের বিরুদ্ধে অসন্তোষ: সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব!
রাজনৈতিক নাটকীয়তার শিখরে সিপিএম সদস্যরা তন্ময়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় হইচই করছেন, যেন একজন দায়িত্বশীল নেতা অনুযায়ী কর্মপন্থা নির্ধারণে সংকল্পবদ্ধ। এরই মধ্যে ওই মহিলা সাংবাদিকের নিরবতা যেন সমাজের সত্যের মুখোমুখি দাঁড়ানোর অক্ষমতার প্রতীক; রাজনীতির মঞ্চে সবাই সময়কে উল্টো ঘুরিয়ে দেওয়ার খেলায় মেতে উঠে কলমের অবমূল্যায়ন করছে।