নাগরিক নিরাপত্তা

ঘটিহারা গ্রামে তরুণীর মৃত্যু: প্রশাসনের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জনমনে
শনিবার সকালে ঘটিহারা গ্রামের পুকুরে একটি তরুণীর দেহ ভাসতে দেখা যায়, হাতে-পায়ে দড়ির বাঁধন, কোমরে থান ইঁট। গা-ছমছম করা এই ঘটনায় সমাজের গহীন অন্ধকারের দিকে যেতে বাধ্য করে, যেখানে গণতন্ত্রের বুলি আর নেতাদের প্রতিশ্রুতির চেয়ে বেশি গুরুত্ব পায় হত্যার রহস্য। কি জানি, মাটির নিচে লুকানো কত অশান্তি।

বাংলাদেশের পরিস্থিতির প্রভাব: পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গি কার্যকলাপের আশঙ্কা সরকারকে ভাবাচ্ছে
ফিরে দেখা যাক, নবান্নের বৈঠকে যখন রাজীব কুমার ও সদানন্দ দাতের মধ্যে আলোচনা হয়, তখন পশ্চিমবঙ্গের রাষ্ট্রচর্চা যেন এক লহরী রক্তের স্রোতে চাহিদা পায়। বাংলাদেশের অস্থিতিশীলতা এখানে জঙ্গি কার্যকলাপের সম্ভাবনা উঁকি দেয়, কিন্তু আমাদের নেতারা কি সেই স্রোতে ভেসে যাবেন, নাকি কেবল মুখে সুর বেঁধে চলবেন? সাংবাদিকতার কলম এবং রাজনৈতিক নাটকের গতি নিয়ে এই সমাজের ঐতিহ্যও আজকে প্রশ্নবিদ্ধ।

“তৃণমূল কাউন্সিলরের নিখোঁজি: রাজনীতির নাটকে আত্মহত্যার নায়ক হয়ে উঠলেন? সমাজে কি এখনো আছে দায়িত্ববোধ?”
একজন তৃণমূল কাউন্সিলর ফিরে এলেন নিখোঁজ হওয়ার পর, কিন্তু ধূসর বাস্তবতার কাছে আত্মত্যাগের যে নাটক শুরু হয়েছিল, সেই নাটকটি শেষ হলো মিলনের পরই যেন। ঝুলন্ত দেহের পটভূমিতে লুকিয়ে রইল প্রশ্ন—গণতন্ত্রের এই গভীরে কি শুধুই শূন্যতার প্রলেপ? কিংবা মানুষের নিরাপত্তায় অবহেলা, যা আজকের রাজনীতির প্রতিচ্ছবি?