নাগরিক অধিকার

সাত দিনের সাপেক্ষে রেলের লাইনচ্যুতি: সরকারী ব্যর্থতা, যাত্রীদের জীবন ও রাজনীতির খেলায় কি সহস্রিক নীরবতা?
দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ের একটি লাইনচ্যুতির ঘটনায় যে ক্ষণিকের বিপর্যয়, তা যেন আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনের বৃহত্তর দুরবস্থার প্রতিবিম্ব। নেতাদের প্রতিশ্রুতির অতলে যেমন খুঁজে পাওয়া যায় না প্রশাসনিক সুস্থতা, তেমনি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা আমাদের চোখে। সিডরিত বিদ্রোহী উপাখ্যান হয়ে উঠছে প্রতিটি ঘটনা, যখন সৈনিকের মত আমরা আমাদের বিবেকের উল্লাসে রাজনৈতিক ক্রীড়াদেখি, সমাজে চিন্তার উত্তরণ আশা করেই।

“কলকাতা হাইকোর্টে ৫ জনের বিচারযাত্রা: প্রকল্প সুবিধায় দুর্বৃত্তায়নের গল্পে সরকারের মানসিকতার চিত্র”
কলকাতা হাইকোর্টে পাঁচজন নাগরিক সরকার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে প্রকল্পের সুবিধা থেকে তাঁদের অনৈতিকভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে। আদালতে রাজ্য সরকারের রিপোর্টের পর এই মামলার শুনানি চলাকালীন, প্রশ্ন ওঠে—গভীর দুর্ভাগ্যের মাঝে সরকার শুধু নিজস্ব আভিজাত্যই দেখায়, নাকি সত্যিকার অর্থে জনতার কল্যাণে কিছু করার চেষ্টা করে? সমাজের যন্ত্রণাকে কেন্দ্র করে এই বিচারবিভাগীয় নাটক আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপটের অন্ধকার দিকগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তোলে।

“সমুদ্রগড়ে হত্যাকাণ্ড: প্রশাসনের নীরবতা, সমাজে উত্তাল প্রতিবাদের স্বর!”
সমুদ্রগড়ের ডাঙাপাড়ার সেলিম মোল্লা, বাক্কর মণ্ডল, নওয়াজ মণ্ডল ও আরিফ শেখের মৃত্যু, সমাজের চিত্রকে যেমন প্রতিফলিত করে, তেমনি রাজনৈতিক নেতাদের ব্যাকুলতা ও প্রশাসনের নাকরজনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে। একটি সভ্য সমাজে নিরাপত্তা ও ন্যায়ের প্রতিশ্রুতি আজও যে অধরা, তা কি আমাদের ভাববার সময় হল না?