নাগরিক অধিকার

লিটনের রহস্যময় মৃত্যু: রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক ও জনমতের পরিবর্তন
শুক্রবার রাতে অসুস্থ হয়ে পড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন লিটন, সৌজন্যে আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বরাবরের মতো অদূরদর্শিতা। মাদারিপুরের এই যুবকের মৃত্যু প্রমাণ করে যে, শাসকদের অগুরুত্বের মাঝে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা অকিঞ্চিৎকর। কুয়াশার মাঝে নেতাদের ক্ষমতার অপব্যবহার ও জনদুর্ভোগের ছবি কেমনভাবে বর্ধমানের মেডিক্যাল কলেজে ময়নাতদন্ত তাতেই আঁকা।

মালবাজার পুরসভায় সিবিআইয়ের চিঠি, নথির ভিত্তিতে তদন্তের মুখে চেয়ারম্যান স্বপন সাহা
মালবাজার পুরসভায় ফের সিবিআইয়ের চিঠি, যা মনে করিয়ে দেয় প্রশাসনের স্বচ্ছতার অভাব আর জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের ওপর সন্দেহের কালো ছায়া। চেয়ারম্যান স্বপন সাহার মন্তব্য যেন স্রেফ একটি নাটকীয়তার প্রতিফলন; নথি প্রদানে সম্মত হলেও, জনগণের সহিষ্ণুতা আর নৈতিকতা কোথায়? প্রশ্ন উঠছে—গভীর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে, নাগরিকদের প্রতি কে রাখছে দায়িত্ব?

পুলিশের হাতে গ্রেফতারি: জনগণের নিরাপত্তা বা শাসনের ফালতু ব্যবহার?
রাজনীতির মঞ্চে নাটকীয়তা যেন নতুন করে রঙিন হচ্ছে, যেখানে মানুষ আর পুলিশ, দুই পক্ষই যেন ভীতির খাঁচায় বন্দি। দুলালের অভিযোগ, এক দিনের জন্যও ভাবেনি যে প্রশাসন এমন নৃশংস হতে পারে। সমাজের এই ভয়াবহ পরিবর্তনে কি কেবল নেতা ও তাদের শাসনের দোষ, নাকি জনগণের নিষ্ক্রিয়তাও দায়ী?

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: এক বছরের অসন্তোষ, সরকারী নীতির বিভেদ ও জনগণের নিরাপত্তা সংকট”
রাজনীতির পটে রঙ বদলে গেছে, কিন্তু দুঃখের সুরগুলো যেন অতীতের আগুনের ছাঁই। বাংলাদেশ-বিষয়ক আলোচনায় আমাদের নেতারা কথা বলছেন, অথচ নাগরিকদের ভেতরে চলছে এক শূন্যতা। কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিভাজনে বিভ্রান্তি, আর গণমাধ্যমের সৌন্দর্যবোধের কাছে সাধারণ মানুষের আর্তনাদ চাপা পড়ে যাচ্ছে। সমাজের এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে, নেতা হিসেবে তাঁদের পারফরম্যান্স কি শুধু আমাদের দুঃখের আধার?

দুই ভাইয়ের মধ্যে খাবারের টানাপোড়েনে উল্লিখিত দারিদ্র্যের চিত্র, সমাজে চলমান অরাজকতার প্রতিফলন!
কী আশ্চর্য, একটি পরিবারের মধ্যে খাবারের জন্য এমন মারামারি—প্রতীক সাম্প্রতিক সমাজের! দুই ভাইয়ের হিংসা-শত্রুতা যেন নেতাদের মধ্যে পাওয়া যায়, যেখানে স্বার্থের জন্যই অপরের সুখ কেড়ে নেয়া হয়। সরকারের মৌনতা, নাগরিকের অভাব, স্তব্ধ চিরস্থায়ী নৈতিকতা; সবকিছু যেন এক জালে জড়ানো। এ দৃশ্যের পেছনে কি শুধুই খিদের অলৌকিকতা, না কি একটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যা? জনগণের মৌলিক অধিকার নিয়ে আবারো ভেবে দেখা প্রয়োজন।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক তোলপাড়: ৩ IPS কর্মকর্তার দ্বারা তদন্তের নির্দেশ, সিবিআই তদন্ত অগ্রাহ্য!
সোমবার বিচারপতি সূর্যকান্ত ও উজ্জ্বল ভুয়ানের নির্দেশ প্রসঙ্গে, সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন না মেনে পশ্চিমবঙ্গের ভিনরাজ্যের তিন IPS আধিকারিকের উপর দায়িত্ব পড়েছে। এখানে সদা বিরোধীশক্তির মুখে, আইনশৃঙ্খলার দদবদল যেন শাসকের নীরব হাসির রহস্য। জনগণের প্রতি এই নিশ্চয়তা আসলে কতটা আস্থার, সমাজের গূঢ় সংকটকে যদি আমাদের নেতারা দেখেন।

নোয়াপাড়া জংশনে ট্রেনের সম্ভাবনা: যাত্রী নিরাপত্তা বনাম উন্নয়নের বাস্তবতা
নোয়াপাড়া জংশন স্টেশন নিয়ে যাত্রীদের ভিড় ঠেলার চিন্তায় সরকার শেষ মুহূর্তের গড়িমসি করছে। যদিও মেট্রোপথ প্রস্তুত, কিন্তু ট্রেন চলাচল না হলে ভোগান্তি লাঘব হবে না। বরং এটি রাজনীতির মিষ্টি তেলে সিদ্ধ, যেখানে প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি আরও প্রসারিত। জনগণের দৃষ্টি এড়িয়ে, উন্নয়নের কচুরি আজও লুটোপুটি করছে।

তৃণমূল কাউন্সিলরের খুনের চেষ্টায় পুলিশের দক্ষতা নিয়ে শাসকদলের নেতাদের উদ্বেগ, চরম অস্বস্তি রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে!
কসবায় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের গুলি খুনের প্রচেষ্টার পর, শাসকদলের নেতারা পুলিশের দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এই পরিস্থিতি বোঝায়, সরকারের আওতায় থাকা পুলিশও এখন শাসকের অন্দরের বিদ্রোহের শিকার। এমন অবস্থা, যেখানে রাজনৈতিক নেতাদেরও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয়, জনতাকে সুরক্ষা দেওয়ার প্রতিশ্রুতির হাস্যকর রূপ যেমন প্রতিফলিত হয়, তেমনই রাজনৈতিক সঙ্কটের গভীরতা বলার অপেক্ষা রাখে।

“আরজি কর কাণ্ড: আদালতে চিকিৎসক ও ভিডিয়োগ্রাফারের সাক্ষ্যে উন্মোচিত হবে রাজনীতির অতি গোপন চিত্র!”
শিয়ালদা আদালতে আরজি কর কাণ্ডের সুরতহাল রিপোর্ট প্রকাশ পেরেছে, যেখানে বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে তিন সাক্ষীর কথা উল্লেখ রয়েছে। একদিকে চিকিৎসক এবং ভিডিয়োগ্রাফার, অন্যদিকে আমাদের সমাজের বিচার পথের পাথরপ্রতিমা। এ যেন এক উদ্ভট নাটক—রাজনীতির মঞ্চে। জনগণের মনে প্রশ্ন জাগে, সত্যের যে ঋণ, তা কবে শোধ হবে?

স্কুটার দুর্ঘটনায় প্রশাসনের সুরক্ষার প্রশ্ন, সড়ক নিরাপত্তায় কোথায় দৃষ্টিশক্তি?
আবহাওয়া যেমন অদলবদল ঘটে, আমাদের রাজনীতির ক্ষেত্রেও সুরোত পরিবর্তনের অভাব নেই। এক তরুণের স্কুটারযাত্রা, বাঁক বদল করতে গিয়ে বাসের নিপীড়নে বিধ্বস্ত। জনমানসে তোলপাড়, রাষ্ট্রের নীতি অকল্যাণের যেন নিদর্শন। দায়ীদের কণ্ঠস্বর কোথায়? আর নেতাদের প্রতিশ্রুতি, যেন একটি মায়াবী ছায়ার মতো—অন্তর্দৃষ্টির অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে।