দুর্নীতি

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে মাদকসন্ত্রাসের ধাক্কায় শাসক জোটের শীর্ষ নেতাদের উপর চাপ, চিন্তায় জনতা।
এই বছরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিশাল মাদক এবং সোনা-রূপোর পাচার ধরার চিত্র যেন আমাদের সমাজের গভীর অন্ধকারকে প্রকাশ করে। ১১ হাজার ৮৬৬ কেজি মাদক এবং ১৩০০ কোটি টাকার সোনা-রূপো উদ্ধার হলেও, কি পরিমাণ দুর্নীতি এবং শাসনের উদাসীনতা আমাদের কর্তাদের চরিত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করে? পাচারকারীদের বিনাশে নেওয়া কঠোর পদক্ষেপ, সত্যিই কি সামাজিক অবক্ষয় বন্ধ করতে সক্ষম হবে? সরকারের গৌরবময় বাহস চলাকালে, সাধারণ মানুষের জীবনে নৈতিকতা এবং নিরাপত্তার আবির্ভাবের আশায় কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, তা ভাবনার উদ্রেক করে।

নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সুজয়কৃষ্ণের জামিন, সিবিআইয়ের হেফাজত বাতিল হলো নিম্ন আদালতে
সিবিআইয়ের অনুরোধে সুজয়কৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন নিম্ন আদালত খারিজ করে দিয়ে জানাল যে, সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের পক্ষে জেলে গিয়ে জেরা করতে হবে। এখন জামিন পেয়ে আপাতত সুজয়কৃষ্ণের মুখে শান্তির হাসি, কিন্তু কেমন অদ্ভুত এই খেলায়—রাজনীতির মঞ্চে সতত ঘূর্ণায়মান নাট্যকাহিনী, যেখানে দুর্নীতির কুশীলবেরা নিজেদের নিরাপদে রেখে সমাজের বিশাল জালের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়েই থেকে যায়।

হাওড়ার উন্নয়নে স্বদেশ চক্রবর্তীর অবদান: সরকারের বিরুদ্ধে পরিবর্তিত জনমত।
হাওড়ার উন্নয়নকে স্বদেশ চক্রবর্তী যে বিশেষ পরিচয়ে আলোকিত করেছিলেন, আজ অরূপ রায়ের মন্তব্যে তা নতুন আলোতে এসেছে। দুর্নীতির অভিযোগ ছাড়াই যখন নেতৃত্বের আলোচনা হয়, তখন কি আমরা শাসকদের মূল্যবোধের সেই প্রকৃত পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি, নাকি শুধু গোধূলির আলোয় মুর্চ্ছিত হচ্ছি? সমাজের কাঠামোর সঠিক সরকারি বাস্তবায়ন কবে হবে, সেটা কি কেবল স্মৃতিতে থাকবে?

ইডি-র তদন্তে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা: সিবিআইয়ের এফআইআর কি বদলাবে দুর্নীতির চিত্র?
সম্প্রতি সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর অনুসরণে, ইডি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় নেতাদের শুদ্ধাচারের কথা শুনে মনে হয়, নীলকন্ঠের মতই তাঁরা কখনো গর্জন করেন, আবার কখনো শান্তিতে নিমজ্জিত। জনগণের হতাশা কি শুধু কল্পনার রঙেই চিত্রিত?

“হাসপাতাল টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের গ্রেফতার, governance-এর প্রতি জনজনের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!”
স্বরবিজ্ঞানের এই যুগে, স্বাস্থ্যের সুরক্ষকরা যখন নিজেই সন্দেহের তীরে, তখন সিবিআই-এর হাতে ধরা পড়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও তার সহযোগী চিকিৎসকের মতো চিত্রকল্প যেন একটা নারীদের স্বপ্নে রূপান্তরিত হচ্ছে। কোথায় গেল সরকারের নিয়ম কানুন, যখন টেন্ডারের বিলি চলছিল দিনের আলোতে? সমাজের এই অতলার্থে প্রশ্ন তো উঠবেই, কোথায় শেষ হবে এই দায়িত্বহীনতার খেলা?

শান্তনুর জামিন পেতে বাধা, শ্বাসরুদ্ধকর রাজনৈতিক দুর্নীতি ও মিডিয়া প্রশ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে!
শান্তনুর জামিন সংক্রান্ত ইডি ও সিবিআইয়ের দ্বন্দ্ব, যেন বাংলার রাজনীতির একটি নাট্যমঞ্চ; কাঠের পুতুলেরা কখনো মুক্ত, আবার কখনো জেলে বন্দি। সামান্য দুর্নীতির অভিযোগে যখন একজন জনপথের নেতা গতি হারাচ্ছেন, তখন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি এই প্রকৃত শাসনকর্তাদের হাতে সমগ্র জাতির ভবিষ্যৎ? নাটকীয়তার মাঝে, জনতার সমর্থন এবং অসন্তোষের গুঞ্জন কি কখনো শুনা যাবে?

“সিবিআইয়ের পক্ষে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট, চিকিৎসকদের সাক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক টালমাটাল!”
সিবিআইয়ের দাবি অনুযায়ী, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ হতে চলেছে, এবং তাঁর সাবেক চিকিৎসকেরা এই অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। দারুণই বুদ্ধির খেলা! একজন নেতার নৈতিকতা যে কতটা পতিত হতে পারে, সমাজের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান আরও প্রকট হয়ে উঠছে। রাজনীতির এই নাটকীয়তায় কি সত্যিই সমাজ উন্নতির পথে এগোচ্ছে, না কি শুধু মুখোশ পাল্টানোয় ব্যস্ত?

কবে জামিন পাবেন পার্থ? বড়দিনে জেলে থাকবেন নাকি মুক্তি পাবে নেতা, জনমনে কৌতূহল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের প্রশ্নে রাজনীতির নাটকীয়তা যেন শেষ হয় না। বড়দিনের এ প্রহেলিকায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও শাসকদলের কর্মকাণ্ডের মধ্যে গভীর প্রতিফলন ঘটছে। জনমানসে ক্ষোভের ঢেউ ওঠে, যখন নেতাদের জন্য আইন অবরুদ্ধ, কিন্তু সাধারণের জন্য তা মুক্ত। এই দ্বিচারিতার মাঝেই সমাজের প্রতিটি সংকল্পের আলো-আঁধারির খেলা।

বাকিবুর রহমানের দুবাই যাত্রায় জামিন ইডির বিরোধিতার মাঝে রেশন দুর্নীতির প্রতি জনমানসে উত্তেজনা বৃদ্ধি!
মানুষ বাঁচানো জরুরি, অথচ দুর্নীতির বলির পাঠা বাকিবুর রহমান দুবাই যাওয়ার আবেদন করছেন! ব্যাঙ্কশাল কোর্টে তাঁর জামিনের খোঁজে, যদিও ইডির আপত্তি আছে। রাজনৈতিক নাটক যেন গরমিলের চোরাবালি, যেখানে মানবিকতার প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে নিজেদের স্বার্থের রাষ্ট্রীয় সিংহাসন।

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় কুন্তল ঘোষের গ্রেফতারি: নতুন রাজনৈতিক সংকটের সূচনা!
দুর্নীতির অন্ধকারে ঢাকা এই রাজনীতির নক্সা যেন এক আবেগময় কবিতা; যখন কুন্তল ঘোষের ফ্ল্যাটে ইডি খুঁজে পায় দুর্নীতির নথি, তখন সমাজের চেতনায় উঠে আসে প্রশ্ন—কোথায় আমাদের নৈতিকতা? নেতাদের স্বপ্নগুলো কি আজও স্বচ্ছ, না শুধুই ছায়ার মায়াজাল? জনগণের মনে ক্রমেই বেড়ে চলেছে অসন্তোষ; সত্যের আলোতে এই ট্রাজেডি কি এক নতুন আন্দোলনের জন্ম দেবে?