দার্জিলিং

দার্জিলিংয়ে মেডিক্যাল টেস্ট বাধ্যতামূলক, পর্যটকের মৃত্যুর পর প্রশাসনের উদ্বেগ বেড়ে গেল
দার্জিলিং জেলা প্রশাসনের মেডিক্যাল টেস্টের বাধ্যতামূলকতার চিন্তা প্রমাণ করে, আমাদের শাসকরা কতটা নিরীহ, যখন পর্যটকের মৃত্যু ঘটছে। যুবতীর অকাল প্রয়াণে পর্যটন বিভাগের জ্যোতি ঘোষ শোক প্রকাশ করছেন, কিন্তু সত্যিই কি তাঁদের শোক ও চিন্তার গহনতা জনগণের জীবনের দিকে ফিরে তাকানোর সময় এল? বিষয়টি প্রচারের আলোয় বিস্তারিতভাবে উঠে আসা জরুরি, নাকি কেবল সঙ্গীতের সুরে প্রদর্শনী অপেক্ষা?

ঘুম রেলস্টেশন: পর্যটনে গতি, নেতৃত্বে অস্থিরতা ও পাহাড়ের সংস্কৃতির উন্মেষ।
ঘুম স্টেশনের চূড়ায় দাঁড়িয়ে, যেখানে ইতিহাস ও পর্যটনের মেলবন্ধন, গভীর ভাবে প্রশ্ন জাগে—আমাদের উন্নয়নের ট্রেন কি সত্যিই সঠিক পঙ্ক্তিতে চলছে? দার্জিলিংয়ের হেরিটেজের প্রতি সরকারের মনোযোগ, নিকটবর্তী সাংস্কৃতিক উন্মোচন কি জাতির টয়ট্রেনের মতোই প্রকৃত পরিবর্তন আনতে সক্ষম? সমাজের ভূতিকেন্দ্রের কাহিনী কি আসলেই আমাদের নৃত্য-গানে রূপায়িত হচ্ছে, না পৌরাণিক কল্পনার পৃষ্ঠায় লুকানো?

“টয় ট্রেনের যাত্রা: বিদেশি পর্যটকদের আগমনে সরকারের উন্নয়নের নেপথ্যে কী লুকিয়ে আছে?”
আজ ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে দার্জিলিঙের উদ্দেশে টয় ট্রেনের যাত্রা শুরু হল, যেখানে বিদেশি পর্যটকও অন্তর্ভুক্ত। তবে এই উদ্ভাসিত ছবির আড়ালে প্রশাসনের অব্যবস্থাপনা ও অবকাঠামোগত ঘাটতির বিবর্ণ কাহিনী লুকিয়ে। রাজনীতির নাট্য মঞ্চে সংক্ষিপ্ত সাফল্য ও সমকালীন অসঙ্গতি নিয়ে ভাবনার আহ্বান তুলে এনে, বার্তা দিচ্ছে, সবুজ পতাকা তুলে ধরার সাথে সাথে কি আদৌ পরিবর্তনের বাতাবরণ তৈরি হচ্ছে?

মমতার নতুন প্রস্থানের সঙ্গে দার্জিলিং পাহাড়ে ‘ক্রিকেট’ শুরু, বিমল বদলে অনীত থাপার বিদ্রুপ!
দার্জিলিং পাহাড়ের রাজনীতিতে এখন গুডবুকের রুটি-রুজি হলেও বিমল গুরুংয়ের জায়গায় মমতার ভরসা অনীত থাপা। ম্যাজিক দেখার মতো, একাত্তর ভোটের মঞ্চে নেতাদের করুণার লুকানো খেলা। পাহাড়ের নজরদারির দায়িত্বে যে মনিটরিং কমিটি গড়া হলো, তা শুধু পলিটিকাল নাটক নয়, বরং সমাজের কপালে ঝোলা জনগণের দীনতা ও ক্ষোভের সাগরে নৌকা ভাসানোর চেষ্টা। মুখেই হাসি, অন্তরে তিক্ততা, আর প্রশ্ন—কোথায় যাবে এই রাজনৈতিক ভেলা?

“দর্শনার্থীর মৃত্যু: দার্জিলিং-এর সংবেদনশীলতা ও রাজনৈতিক শূন্যতার মাঝে অসঙ্গতির খোঁজ!”
দার্জিলিংয়ের পর্যটকের মৃত্যুর পর, প্রশ্ন উঠছে সরকারের মানবিকতার। পুলিশ জানিয়েছে, হৃদরোগে মৃত্যু হলেও স্থানীয় গোষ্ঠীর নেতারা যেন মায়া-মমতা ও কষ্টের অনেক দূরে—জিঞ্জারির মতো বেঁচে আছে। এটা কি নেতাদের অঙ্গীকারের অস্পষ্ট খণ্ডছবি, না জনগণের অবহেলা? সমাজের হৃদয়ে অসঙ্গতির ডানা, নাকি নীরবতার রহস্যময় কাহিনি?