তৃণমূল কংগ্রেস

শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারী বিপদের কারণ!
শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত দরজা খুলে দিয়েছে, যেন বাস্তবে বিপদের বলিরেখা। রাজনীতির গাদাগাদি, যেখানে নীতির পরিবর্তে স্বার্থই বড়, সমাজের শান্তি যেন এক অদৃশ্য তাঁবুর নীচে আবৃত।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে কি বোঝালেন একা অভিষেক, তৃণমূলের নেতৃত্বের আসল চেহারা কি প্রকাশ পেল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান যেন এক গড়পড়তা রাজনীতির মহাকাব্য, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লান্ত কণ্ঠস্বর অচিরেই নিদর্শন করে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাঁড়ামি। ঝাড়খণ্ড থেকে ফিরে এসে কলকাতায় তিনি কেমন করে ‘বস’ শরীরে বার্তা দেন, তা বুঝতে কি সমাজের শৃঙ্খলাগুলো উন্মুক্ত হচ্ছে না? সঙ্গীতের মন্ত্রে বিভোর, সেই কর্তৃত্বের মায়াজাল ভাঙা হয় কি?

দিলীপ ঘোষের মন্তব্য: তৃণমূলকে কোম্পানি হিসেবে অভিহিত, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের নতুন দ্বন্দ্ব!
দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তৃণমূলের কর্মসমিতিকে কোম্পানির তুলনায় আনা যেন রাজনৈতিক পারদর্শিতার বিকৃত রূপ। তিনি বলছেন, মালিকই ঠিক করবেন কর্মচারীর ভাগ্য, অথচ এই 'কোম্পানি' অগণন প্রান্তিক মানুষের স্বপ্ন, স্বজাতিকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক জীবনের পটভূমিতে, যেভাবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা গুমরে যায়, তাতে জনগণের আশা হতাশায় মিলেমিশে পলিমাটির মতো হয়ে যায়।

মমতার কৌশল: কয়লা পাচার মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েও অনুব্রতকে কেন পার্টির নেতৃত্বে রেখেছেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ ২ বছর জেলবন্দি থাকা অনুব্রতকে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরাননি, কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর বোলপুরে ফেরা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। কি হাসি! রাজনৈতিক ভবিষ্যত যেন এক নাটক, যেখানে নায়ক কবির অক্ষরশূন্য। জনতার মাঝে কি আসল সত্যি, নাকি মহাকাব্যের চরিত্রগুলি শুধুই প্রতীক?

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?

“মমতা বড়মার পুজোতে, নৈহাটির তৃণমূল বিজয়: সরকারের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা”
নৈহাটিতে তৃণমূলের বিজয় যাতে গুণগত অর্থে শুচিবায়ু আনয়ন করতে না পারে, তা নিয়ে বিতর্কে যেন এক অদ্ভুত মন খারাপের সূচনা। মমতা এবার বড়মার পুজোয় কান্নাই পছন্দ করেন, তবে শাসনকর্তাদের কৌতুকভরা মূর্তিতে যে জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেসে যাচ্ছে, তা ভাবতে বাধ্য করে। রাজনীতির এই নাট্যকাহিনীতে জনগণের মনের অধিকার বিসর্জন তো দিচ্ছে না।

“তৃণমূলের বিপুল জয়, শুভেন্দুর দাবি: ‘উপনির্বাচনের প্রভাব সাধারণ নির্বাচনে পড়ে না’ – রাজনৈতিক তরঙ্গ রাঙাচ্ছে রাজ্য!”
রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলাফল তৃণমূলের বিপুল জয়ে প্রমাণ করে, সরকারকে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হতে হবে। শুভেন্দু বাবুর দাবি, নির্বাচনী ফলাফল সাধারণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলার মতো নয়, যেন এক ভাসমান মনোভাব। তবে, জনগণের বোধ এমন যে, পরিবর্তনের স্রোতকে আর আটকানো সম্ভব নয়, রাজনৈতিক নাটক সারাবছর চললেও।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশাল মিডিয়ায় উচ্ছ্বাস, বিরোধীদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক!
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশাল মিডিয়া পোস্টের উচ্ছ্বাসে যেমন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের জলছবি স্পষ্ট, তেমনি বিরোধীদের প্রতি তার কঠোর ভাষা সমাজের বুকে কি এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মিডিয়া ও বিচার বিভাগের কিছু অংশকে নিশানা করে, তিনি প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক প্রবল নাড়াচাড়া সৃষ্টি করেছেন, যা নীরব প্রতিবাদের তালে এক অদ্ভূত বৈপরীত্য তৈরি করছে।

“কলকাতা পুরসভার নতুন ভবন: তৃণমূলের প্রশংসা-সমালোচনা, ইতিহাসের স্মারক হবে চ্যাপলিন সিনেমা হল”
কলকাতা পুরসভার পুরনো ভবনে অফিসের ভিড় বেড়েছে, অথচ নতুন ভবনের মহাপ্রজেক্টের কাহিণী যেন দেরিতে আসে চ্যাপলিনের হাসির মত! ২০১৬ সালে শিলান্যাস, ২০২০ সালে কাজ শুরু, আর এখন ফলক উন্মোচনের অপেক্ষায়—এটা কি কৌতুক, নাকি শাসনের নাটক? তৃণমূলের হাত ধরে ভবন তৈরির প্রচেষ্টা যেন সমাজের অব্যবস্থার এক প্রতীক, যেখানে প্রথমে পরিকল্পনা, পরে কানা খোঁজা, আর শেষে ইতিহাসের গর্ভে চাপা পড়ে যায় যথার্থতা।

তৃণমূলে রদবদল: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্ত কি বদলাবে রাজনৈতিক চিত্র?
তৃণমূল কংগ্রেসের ভেতরে রদবদলের গুজব যেন এক নাটকের চিত্রনাট্য, যেখানে সুব্রত বক্সি ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক তাঁকে দেবে ভিন্ন মাত্রা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে পৌঁছানো তালিকার দেখা না পেলে, প্রশ্ন উঠছে—ছুরি কাঁচি চলে না কি শাসকশ্রী মৃন্ময়ী মূর্তির গোপনে সাজছে? রাজনীতির এই জটিল তাসের খেলায় জনগণের আশা কি অমলিনেই রবে?