তৃণমূল কংগ্রেস

বিজেপি নেতা সত্যেন পঞ্চাধ্যায়ের ওপর তৃণমূলের হামলা, রাজনৈতিক সমতল ফের প্রশ্নবিদ্ধ
সম্প্রতি, রাজনীতির মঞ্চে ঘটে গেলো একটি অবস্থানবদল; বিজেপি মণ্ডল সভাপতি সত্যেন পঞ্চাধ্যায়ী সমবায় ব্যাঙ্কের নির্বাচনে শান্তির প্রলেপ দিতে গিয়ে সংঘাতের সম্মুখীন হলেন। তৃণমূল নেতা গৌতম জানারের নেতৃত্বে তাঁর ওপর যে অস্বস্তিকর হামলা হলো, তা কি কেবল বোটের ঢেউ, না কি রাজনৈতিক পরিস্থিতির আসল চেহারা? সমাজে এখন বক্তৃতামালার চেয়ে কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ—এটাই সত্য, যদিও কিছু নেতার গালে লেগে থাকা চড়ের শব্দ এখন ঢাকা পড়ছে শুধুমাত্র প্রচারের কণ্ঠস্বরের আড়ালে।

দেউচা পাচামিতে জমিদাতাদের তৃণমূল সভাপতির সঙ্গে বৈঠক, রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দেউচা পাচামির জমিদাতাদের অনুব্রত মণ্ডলের কাছে আসা যেন রাজনৈতিক নাটকীয়তার এক নতুন পর্ব। সুবিধা-অসুবিধার আর্তনাদে গমগম করছে বোলপুরের তৃণমূল ভবন, অথচ প্রশ্ন উঠছে—শাসকের পুরো যাত্রাপথে কি উঠে এসেছে জনগণের প্রকৃত স্বার্থ? জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে হালের রাজনৈতিক চালে কি সত্যিই সমাজের মুখোশ খুলবে, নাকি শুধু এক তরফা প্রতারণার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হবে?

তৃণমূল কংগ্রেস মেট্রো রেলে ইউনিয়ন নির্বাচনে পরাজিত, সরকারের শাসন নিয়ে সরকারী আলোচনা বাড়ছে
বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও মেট্রো রেলের শ্রমিক ইউনিয়নে জয়ের স্বপ্নে চরম ব্যর্থতা، যেন প্রকৃতির কৌতুক—বারবার চেষ্টা করেও নষ্টালজিয়ায় আটকা। ৩২.৪৬ শতাংশ ভোটের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো, নিয়মের আদর্শ বর্মে মানুষ কতটা অভ্যস্ত হয়েছেন, আর নেতাদের চমকের অন্তরালে; সত্যিই সমসাময়িক রাজনীতি যেন এক নাটকের মঞ্চ, যেখানে দর্শকই মূল অভিনেতা।

দিলীপ ঘোষের তৃণমূলকে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ, হিন্দুদের প্রতি নিখুঁত দৃষ্টিভঙ্গির অভাব!
রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে দিলীপ ঘোষের তোপ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু তোষণের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, সিরিয়ার ঘটনার সংবাদে মিছিল হয়, অথচ ওপার বাংলার হিন্দুদের জন্য তাদের আওয়াজ নেই। কী paradox! মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি প্রতিবিম্বিত এই রাজনৈতিক খেলা, সমাজের মানবিক সুরকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তৃণমূলের ভাইরাল প্রচারে উত্তাল রাজনীতি, বিজেপির পাল্টা পদক্ষেপ এখন দেখার!
বাংলার রাজনৈতিক পরিসরে এক নতুন দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে একটি ভাইরাল ভিডিও; তৃণমূল কংগ্রেস সোশ্যাল মিডিয়ার অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নেটাগরিকদের কাছে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বিজেপির পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখার এখন শুভক্ষণ—কি সাহসিকতা! আমাদের সমাজে ভিডিও, মিম এবং GIF-এর মাঝে গণতন্ত্রের নবলীলায় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে কতটা গভীর প্রতিফলন ঘটছে, তা ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে।

তৃণমূলের অব্যাহত সাফল্য, পাহাড়ের পুরসভা নির্বাচনে ফের হাকিমের আশ্বাস!
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের তালে সব উপনির্বাচন জয় করে তৃণমূল কংগ্রেস যেন সূর্যের প্রভা ছড়িয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের আকাশে। বেলারঙা হাওয়ায় ফিরহাদ হাকিম পাহাড়ের পুরসভাগুলোর নির্বাচনের নিশ্চিত আশ্বাস দিচ্ছেন, কিন্তু রাজনৈতিক এই আশার পেছনে কী বাস্তবের কাঁটা লুকিয়ে আছে? সমাজের সত্য, সহজাতভাবে প্রকৃতির মতোই, কবির লেখায় চিরকালীন, অথচ রাজনীতির মঞ্চে ছন্দপতন।

তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ঋতব্রতকে বিজেপির সমালোচনা, বালিশ নেতা অভিধার বিতর্ক ছড়াচ্ছে রাজনীতিতে
তৃণমূল কংগ্রেস ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাজ্যসভায় প্রার্থী করতেই বিজেপির তৎপরতায় তাঁর অতীত খোঁছানোর খেলায় নতুন এক নাটক শুরু হয়েছে। "বালিশ নেতা" সম্বোধন করে কেয়া ঘোষের কটাক্ষ যেন আবার প্রমাণ করে দিল, আমাদের নেতাদের মধ্যে সত্য-মিথ্যা নির্ভয়ের প্রবাহ কোথায় গিয়েছিল। এ যেন বর্তমান রাজনৈতিক নাটকের মঞ্চে অভিনীত এক নতুন এক্ট, যেখানে সভ্যতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে রাজনৈতিক নেতাদের অত্যাচারিত আত্মা কাতর করছে।

মমতার দাবি, ২০২৬ সালে ফের ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল; রাজনীতি নিয়ে নতুন আলোচনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি।
বাংলার রাজনৈতিক চিত্র যেন এক নাটক, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের পুনরুত্থান হবে। কিন্তু অতীতের আসন্ন নায়করা, যাঁরা একসময় বিজেপির দিকে পা বাড়িয়েছিলেন, তাঁদের ফিরে আসার খেলা কি এবারও চলবে? গণতন্ত্রের এ এক অদ্ভুত নাট্যাভিনয়, যেখানে ভোটের রঙ্গমঞ্চে সবাই যেন নিজেদের স্বার্থের পালা করছে, আর জনগণের বোধ-বুদ্ধি ক্রমশ তালুবন্দী হয়ে যাচ্ছে।

তৃণমূল সুপ্রিমোর নির্দেশে বিধায়কদের জনসংযোগ বাড়ানোর চাপ, উন্নয়ন প্রকল্পে সবার অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতের আহ্বান
তৃণমূল সুপ্রিমো বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলীয় শৃঙ্খলায় জোর দিয়ে বলছেন, ‘জনসংযোগ বাড়াও’। উন্নয়ন প্রকল্পের অভাবে কেউ যেন পিছিয়ে না পড়ে, সেই চেতনায় সভ্যতার উন্নতি। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, নেতাদের জাঁকজমক সভাতে কি সত্যিই জনগণের কণ্ঠস্বর শোনা যাবে, নাকি শুধুই আত্মপ্রসাদ?

ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়কের টিকে থাকার লড়াই: রাজনীতি ও নির্বাচনের আগে নরম সুরে নতুন দৃষ্টি
আগামী বিধানসভা নির্বাচনের তর্জন-গর্জনে ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর যেন ভোটের বীণা বাজিয়ে গেলেন। প্রাক্তন বিধায়কের তকমা লাগালে যে রাজনৈতিক সুরের সঙ্গম হবে, সেটা বুঝতে পেরে তিনি নরম সুরে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই সুরের পরিবর্তন পূর্বের শীতল রাজনীতির কেন? সংসারের রসায়নে পাল্টে যাওয়া উপলব্ধির মাঝে, নেতাদের চাহিদার এবং জনতার আকাঙ্ক্ষার মধ্যেকার দ্বন্দ্ব যেন খুঁজে বের করার অপেক্ষায়।