তৃণমূল

তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি, পুলিশ গ্রেফতার করতে অস্বীকার করায় জনগণের ক্ষোভ বেড়ে গেছে
তৃণমূল নেতা বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পরেও গ্রেফতার না হওয়া পুলিশী আচরণ যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অভিজ্ঞতা। কটনাস্থল থেকে আটক হলেও মুক্তির স্রোতে আবারও প্রশ্ন উঠছে সরকারের নীতি ও চাহিদা, একদিকে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব, অন্যদিকে জনতার আবেগ—এ যেন সবার জন্য় একটি নতুন নাট্যরূপ।

বিএসবির বিরুদ্ধে উত্তেজনা: বিজেপি-তৃণমূলের মধ্যে বোমাবাজির তাণ্ডবের মাঝে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক দৃশ্যপট
বেলা বাড়লে বিজেপি ও তৃণমূলের লড়াই যেন সন্ত্রাসের রূপ নেয়, বোমাবাজির মাঝে সমাজের রঞ্জনক ছবিটি স্পষ্ট। শক্তির সাধনায় মানবতার উন্মাদনা চাপা পড়ে যায়, এবং রাজনীতির খেলার মাঠে মানবিক মূল্যবোধের অবমূল্যায়ন হয়। জনগণের জন্য কি সত্যিই নেতৃত্ব, না কি সু-কৌশলগত ঝগড়ার নৃত্য?

রাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি, কুণাল ঘোষের নেতৃত্বে পতাকা হাতে প্রতিবাদে সঙ্গী নাগেন্দ্র মিশন ও বাঙালি নাগরিক ফোরাম।
তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ আজ ভারতের পতাকা নিয়ে মিছিলে হাঁটলেন, নাগেন্দ্র মিশন ও বাঙালি নাগরিক ফোরামের আয়োজনে। সমাজের সংকট ও রাজনীতির নাটকীয় কাহিনীতে, হাতে পতাকা নিয়ে হাঁটা যেন মনে করায়, অনড় গভর্নেন্সের মধ্যে কীভাবে একটি সভ্য সমাজ বাতাসের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করতে পারে। কিন্তু কি শেষ হবে এই হাস্যকর নাটকের?

ধর্না মঞ্চে বিধায়ক লাভলি মৈত্রের কুরুচিকর মন্তব্যে উত্তাল সোনারপুর, তৃণমূলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
রবিবার সন্ধ্যায় সোনারপুরে তৃণমূলের দাবি সমর্থন করে ধর্না কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জনতাকে আবারও কষ্টের কথা মনে করিয়ে দিলেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র। তাঁর কুরুচিকর মন্তব্য যেন এক আধা-শিক্ষিত সভ্যতার বিরোধী গানের সুর, যেখানে অবস্থান বদলালেও সেই পুরাতন নাটকই চলছে, ক্রমশ তৈরী হচ্ছে নতুন সমাজের সিংহাসন।

“তৃণমূলের বিপুল জয়ে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির সমীকরণ, নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণে জনগণের আশার আলো?”
রাজ্যের ছয় কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচন দেখল তৃণমূলের ত্বরিত বিজয়, যেন পুলিশে চাকরি পাওয়ার লটারি। সোমবার থেকে বসবে বিধানসভা, নব নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণকে ধরা যাক এক নূতন নাটকের প্রথম আয়োজক। তবে এ জয় কি রাজনীতির মঞ্চে নতুন কাহিনী রচনা করবে, নাকি পুরনো ঢাকের তালেরই পুনরাবৃত্তি?

“সিপিএমের কার্যত শূন্যতা: কুণাল ঘোষের গানে নতুন রাজনৈতিক বার্তা”
সিপিএম কার্যত শূন্যে পৌঁছেছে, আর এই খালি গদির প্রতি কুণাল ঘোষের গান যেন রাজনৈতিক প্রহসনের এক উদাহরণ। তৃণমূলের নেতাদের মধ্যে গানের এমন প্রেক্ষাপট, যে স্মরণ করিয়ে দেয়, শাসনে নেতৃত্ব কি আদৌ কোনও শিল্প, নাকি কেবল তাসের ঘর? বর্তমানের চিত্রে সমাজের ক্ষোভ ও হতাশার সুর উঠতে শুরু করেছে, যেখানে খোদ নেতাই নিজের অস্তিত্বের প্রশ্ন তুলছে।

রাণাঘাটের বিধায়ক দল বদল: বিজেপি-তৃণমূলের মাঝে রাজনৈতিক লড়াই ও জনমানসে পরিবর্তনের স্রোত
রাজনৈতিক পালাবদলের এই নতুন অধ্যায় যেন একটি নাটকের মঞ্চ, যেখানে মুকুটমণি অধিকারী ও বিশ্বজিৎ দাসের নাটকীয় ইস্তফার কাহিনী পরিবেশিত হচ্ছে। একবার বিজেপিতে, আবার তৃণমূলে—আবার বিজেপির বুকে শরণ নিতে যাওয়া যেন নেতাদের মানসিকতার প্রতিফলন। নির্বাচনে প্রার্থিতা পেলেও পরাজয়ের জালবুকে গাঢ় হয়ে উঠছে জনতার হতাশা। তবে প্রকৃতির এ অর্থশূন্য নাটক কি আমাদের উন্নতির দিকে নিয়ে যাবে, না কি শুধুমাত্র টেম্পারারির জন্য এক অন্য আকাশের দিকে আমাদের ঠেলে দেবে?

“রামপুরহাটের সম্মেলনে তৃণমূলের ফল নিয়ে শতাব্দী রায়ের ক্ষোভ, রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তাল!”
রামপুরহাটে তৃণমূলের বুথ কর্মীদের সম্মেলনে বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে শতাব্দী রায়ের ক্ষোভ বিক্ষুব্ধ জনতার আওয়াজকে আরো জোরালো করল। শাসকদলের খারাপ ফলাফলে প্রতিফলিত হচ্ছে রাজনীতির নাটকের অসঙ্গতি, যেখানের কাটাকাটির মধ্যে জনমানসে নানাবিধ প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে—এটাই কি উন্নয়ন, নাকি নেতৃত্বের পতনের চিত্র?

“এখনকার রাজনীতিতে অশোক স্তম্ভের পরিবর্তে হাওয়াই চটি; সুকান্তের বিতর্কিত মন্তব্যে নির্বাচন কমিশনের নোটিশ!”
নির্বাচন কমিশন সুকান্ত মজুমদারকে নোটিশ পাঠিয়েছে তার অশোক স্তম্ভ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য, যেখানে তিনি তৃণমূলকে দালালি করার অভিযোগ তুলে অশোক স্তম্ভের ছোট খাটো অপমান করেছেন। এই মন্তব্যে ধরা পড়েছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যে গভীর হতাশা, যেখানে নেতাদের মুখে জাতির আভিজাত্য হারিয়ে যাচ্ছে এবং রাজনৈতিক চেতনা হাওয়াই চটির সমতলে দেবে যাচ্ছে। অসহিষ্ণুতা ও অবজ্ঞার এই নাটকে, জনগণের অনুভূতির প্রতি অদৃষ্টবিহারী নেতাদের উদাসীনতা এক নতুন ধরনের সাংস্কৃতিক সংকট সৃষ্টি করছে।

“ত্রিধারার হুমকি: ডাক্তারদের জবাবদিহি নিয়ে তৃণমূলের রাজনীতির উজ্জ্বল বিস্ময়!”
তৃণমূল নেতাদের হুমকির পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেবজিৎ ভৌমিক ও লতিফুল শেখকে শোকজ করায়, রাজনৈতিক চাপের নাটক আবারো স্পষ্ট। কি অদ্ভুত কথা! চিকিৎসকরা যেন ভিক্ষা চাইছেন, অথচ রোগীর পাশে থাকার চেষ্টা করছে। প্রশাসনের হাতে শৃঙ্খলার মুখোশ, সমাজে নীতির বরজা, এ কী পরিহাস?