তন্ময় ভট্টাচার্য

তন্ময় ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওয়ার্কিং কমিটির অগ্রগতিহীনতা নিয়ে আলোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে
তন্ময় ভট্টাচার্যের সাসপেনশন নিয়ে সিপিএমে নতুন রাজনৈতিক কম্পন শুরু হয়েছে। মহম্মদ সেলিমের ঘোষণায় প্রশ্ন উঠছে, তদন্তের এই ধীরগতির পেছনের কারণ কী? আড়াই মাসে একবারও তন্ময়ের বক্তব্য নেওয়া হয়নি; যেন রাজনীতি একটি অঙ্গন, যেখানে দায়মুক্তির খোঁজে প্রতিশ্রুতির সাগরে ঘটছে ঢেউ। বৃহত্তর জনগণের দুর্ভোগের মাঝে নেতাদের এই নির্লিপ্ততা যেন Tagorean সুরে অচল সমরथকের সামনে জিজ্ঞাসা—নির্বাচনী ক্ষমতা, বা রাজনৈতিক উচ্চতার মোহ অনন্ত, কিন্তু সমাজের প্রতি তাদের দায় কেন অসমাপ্ত?

তন্ময়ের তদন্ত: রাজনৈতিক অসারতা আর দলের বৌদ্ধিক দিহিতের নাটক, আলিমুদ্দিনে সম্পূর্ণ নতুন পর্ব!
তন্ময় ভট্টাচার্যের তদন্ত প্রক্রিয়ায় যোগদান, যেন এক নাটকের রিহার্সেল। দলের তদন্ত কমিটির সামনে হাজির হয়ে তিনি ভাবেন, সত্যের খোঁজে বা ক্ষমতার খেলায় কে জয়ী হবে? কিন্তু এই নাটকের পেছনে যে গলদ থেকে যাচ্ছে, তা সমাজের চোখে ধুলোর মতোই। রাজনীতির মঞ্চে অভিনয়রত এই নেতাদের কর্মকাণ্ডে জনগণের আশা-হতাশা উভয়ই যেন অনন্তকাল ধরে অপেক্ষা করে, কাঙিক্ষত সুরম্যাভূমির।

“গুরুতর অভিযোগের মাঝে সায়ন্তিকার মিছিল: سياسية নাটকের একটি নতুন পর্বের সূচনা!”
তন্ময়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের আবহে সায়ন্তিকা যেন এক নতুন যাত্রায় পা রাখছেন, উত্তরের বারানগরে মিছিলের ডাক দিয়ে। বিকেল চারটেয় শুরু হবে তার নেতৃত্বে, এরপর দক্ষিণ বরানগরের মিছিলও অপেক্ষমাণ। এই রাজনৈতিক নাটকের পটভূমিতে প্রশ্ন উঠছে, নেতৃত্বের আসল মুখ কোনদিকে, এবং আমরা যাদের জন্য আশার আলো দেখছি, তারা কি সত্যি আমাদের প্রত্যাশার অগোয়াড়? রাজনৈতিক মহলের গেমপ্লে যেন এক দার্শনিক প্রশ্নের সম্মুখীন—ক্ষমতার চাতুরিতে কখনো মানবতা হারায়, অথবা মানবতার পথিকৃৎ হয়ে ওঠে?