জামিন

নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সুজয়কৃষ্ণের জামিন, সিবিআইয়ের হেফাজত বাতিল হলো নিম্ন আদালতে
সিবিআইয়ের অনুরোধে সুজয়কৃষ্ণকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন নিম্ন আদালত খারিজ করে দিয়ে জানাল যে, সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের পক্ষে জেলে গিয়ে জেরা করতে হবে। এখন জামিন পেয়ে আপাতত সুজয়কৃষ্ণের মুখে শান্তির হাসি, কিন্তু কেমন অদ্ভুত এই খেলায়—রাজনীতির মঞ্চে সতত ঘূর্ণায়মান নাট্যকাহিনী, যেখানে দুর্নীতির কুশীলবেরা নিজেদের নিরাপদে রেখে সমাজের বিশাল জালের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়েই থেকে যায়।

“জামিন পেয়েও কমিশনের নজরদারিতে অর্পিতা, শীর্ষ আদালতে প্রশ্নের সম্মুখীন ইডি : রাজনীতির নতুন মোড়!”
নতুন জামিন পেলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, কিন্তু রাজনীতির নাটকে ইডি এখন প্রশ্নের মুখে। এক পাসপোর্টের খাঁচায় বন্দি, দেশের শীর্ষ আদালতেও চলছে বিতর্ক। নেতৃত্বের গুণাবলী কিংবা প্রশাসনের সঠিকতা নিয়ে জনসাধারণের কৌতূহল বাড়ছে, আর কোথাও যেন কালি ও কলমের সম্মাননা হারিয়ে যাচ্ছে। πολιτική তথা সামাজিক পরিবর্তনের এই জালে, কে জানে আগামী দিনের ছবি কেমন হবে।

কবে জামিন পাবেন পার্থ? বড়দিনে জেলে থাকবেন নাকি মুক্তি পাবে নেতা, জনমনে কৌতূহল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের প্রশ্নে রাজনীতির নাটকীয়তা যেন শেষ হয় না। বড়দিনের এ প্রহেলিকায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও শাসকদলের কর্মকাণ্ডের মধ্যে গভীর প্রতিফলন ঘটছে। জনমানসে ক্ষোভের ঢেউ ওঠে, যখন নেতাদের জন্য আইন অবরুদ্ধ, কিন্তু সাধারণের জন্য তা মুক্ত। এই দ্বিচারিতার মাঝেই সমাজের প্রতিটি সংকল্পের আলো-আঁধারির খেলা।

“অবৈধ জামিনের বাজারে ২০ হাজার টাকায় মুক্তি, রাজনৈতিক ও সামাজিক উৎকর্ষের প্রশ্নপত্রে আরেকটি দিল্লির নাটক!”
বাংলাদেশের একটি হাল্কা দুর্নীতি প্রকাশ্যে এসে পড়েছে, যেখানে অভিযুক্তদের জামিনের জন্য ২০ হাজার টাকার অগ্রিম দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় governance এর স্মৃতি ফুটে ওঠে, যেন সমাজের অলিগলিতে বিচারবিভাগও টাকার বিনিময়ে টালমাটাল। মানুষ কি এভাবে মানবতা বিক্রি করবে, নাকি সরকারের প্রতি তাদের আশাভঙ্গ হচ্ছে? এই কাহিনী কি শুধু একটি ঘটনা, নাকি আমাদের রাজনীতির গভীর ক্ষতের প্রতীক?