জনস্বার্থ

মহুয়া মৈত্রের পোস্ট: সামাজিক ইস্যুর মিছিলের আহ্বান ও রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন দিগন্ত
মহুয়া মৈত্রর পোস্টের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন জনের নানা মন্তব্য, এক জ্যোতির্ময় কৌতুক। কেউ বলছেন, বাংলা ছাড়িয়ে বিশ্বদরবারে একবার বিক্ষোভ দেখান। এমন প্রশ্ন দেখা দেয়, আমাদের রাজনৈতিক মঞ্চে স্থানীয় কেচ্ছা ছাড়া কি সত্যি কিছু রয়েছে? নাগরিক সমাজের কর্তব্য কি কেবল ব্যাঙ্গের জালে আটকা? রাজনৈতিক রহস্যের গলদা চিংড়ির মতো, আমরা কি কখনো এই সরল সত্যদের আদ্যোপান্ত বিশ্লেষণ করতে পারব?

মেট্রো পরিষেবার সংকট: কর্মী অভাব সত্ত্বেও পরিচালনায় অনবদ্য মেট্রো কর্তৃপক্ষ, প্রশ্ন তুলছে শাসনের সক্ষমতা
সম্প্রতি জানা গেছে, একাধিক মেট্রো স্টেশনে কর্মীর সংখ্যা যথাযথ না হলেও মেট্রো পরিষেবায় কোনও বিঘ্ন ঘটেনি, যা শাসনের সম্রাট ও কর্মীদের অকপট দক্ষতার শৌর্য গাহন করে। তবে, জনতার মাঝে প্রশ্ন ওঠে, কি টেকসই উন্নয়ন রূপ নেবে, যেখানে বিভিন্ন কর্মী একটিমাত্র সেতুর মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত!

শুভেন্দুবাবুর আক্রমণ: স্বচ্ছতার অভিযোগে সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে ইলেক্টোরাল বন্ড তদন্তের দাবি!
শুভেন্দুবাবুর বলা কথায় যেন রাজনীতির নাটকের পাতা উল্টে যায়। 'ড্যামেজ রিপেয়ারিংয়ের' অপচেষ্টায় অভিযুক্ত নেতার স্ববিরোধিতার কাহিনী আজকালকার গণতন্ত্রের এক বিরল প্রতিচ্ছবি। স্বচ্ছতার দাবিতে উঠে এসেছে স্রোতের বিপরীতে থাকা IPS অফিসারদের রাতারাতি কীর্তির এক ধরনের অন্ধকার। এই নগ্ন সত্য প্রকাশ্যে এলে হয়তো সমাজের মননই বদলে যাবে, নাকি শুধুই জলের ওপরের ছায়া থাকবে?

প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগে আগুনে প্রহেলিকা, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক তদন্তে নেমে, নেতার দূরদর্শিতা প্রশ্নবিদ্ধ!
নতুন নির্বাচনী পর্বে প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগের মধ্যে যেন একটি নাট্যমঞ্চের রূপরেখা ফুটে উঠছে, যেখানে একটি নেতা যিনি তাঁর কাঠামোগত ক্ষমতার টাকায় জনগণের বিশ্বাসের সঞ্চয় করেছেন, অভিযোগের পাল্লায় পড়ছেন। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে তাঁর কাছে রিপোর্ট চাইছেন, তবে কি শেষ পর্যন্ত সত্যের অন্বেষণে এই সব নাটকে কোনও আলোকপাত ঘটবে? জনগণের আশা-আকাঙ্খা কি সত্যিই রাজনৈতিক নাটকের চৌকাঠের বাইরে যাবে?

“দিওয়ালির ছুটির মাঝে সরকারের কর্মচারীদের আধুনিকতার ছোঁয়া: রাজনীতির পাণ্ডিত্য না কি নাগরিকের দুর্ভোগ?”
হালফিলে রাজনৈতিক দৃশ্যে যেন এক মহান রন্ধনশালা। দিওয়ালির ছুটির মধ্যে স্টক মার্কেটের বন্ধ থাকা আর পশ্চিমবঙ্গের সরকারি অফিসের বন্ধের সিদ্ধান্ত মিলিয়ে বর্ষে বর্ষে ছুটি নিয়ে আলোচনা হলেও, নেতাদের কর্মফল জনগণের খরচা। ফলে, এই অপেক্ষা কবে শেষ হবে, তা নিয়ে সাধারনের প্রশ্ন উঠছে। সত্যি, আর কতদিন শূন্যতার মুর্তিতে আমাদের চলতে হবে?