জনসাধারণের প্রতিক্রিয়া

বেসরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা তথ্য আপলোডে নতুন নিয়ম, জনতার মাঝে তীব্র আলোচনা শুরু
বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে এখন থেকে রোগীর চিকিৎসার অতীত ও ভবিষ্যৎ শেয়ার করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যেন তাদের অপারেশনের সময় ঠিকভাবে নজরদারি করা যায়। তবে, এই পদক্ষেপ কি সত্যিই রোগীর স্বার্থে, না কি প্রশাসনিক স্বার্থে? জনতাকে স্বস্তির বদলে, সার্বজনীন উদ্বেগের মাঝে রেখে সরকারের দুর্বলত্ব আবার প্রমাণিত হলো।

“রেল কর্মীদের পোশাকে ক্যামেরা: নিরাপত্তা নাকি ব্যক্তিগত স্বাধীনতার হুমকি?”
রেলের কর্মীদের পোশাকে ক্যামেরা যুক্ত করার এই পদক্ষেপ, যেন নিরাপত্তার নামে গোপন নজরদারি। এ যেন সমাজের প্রতি রাজনৈতিক নেতাদের অসংবেদনশীল দৃষ্টিভঙ্গি, যেখানে মানুষের স্বাধীনতাকে সংকুচিত করা হচ্ছে। সরকার আর জনগণের মাঝে দূরত্ব বাড়ছে, আর নিরাপত্তার ঢালBehind এই অন্ধকার ভাবনায় জনগণের মনে ছড়িয়ে পড়ছে এক ধরণের অস্থিরতা। সত্যিই, সভ্যতা এগিয়ে যাচ্ছে না, বরং গোপনে একটি তালে নৃত্য করতে শিখছে।

“কলকাতা পুরসভার নতুন ভবন: তৃণমূলের প্রশংসা-সমালোচনা, ইতিহাসের স্মারক হবে চ্যাপলিন সিনেমা হল”
কলকাতা পুরসভার পুরনো ভবনে অফিসের ভিড় বেড়েছে, অথচ নতুন ভবনের মহাপ্রজেক্টের কাহিণী যেন দেরিতে আসে চ্যাপলিনের হাসির মত! ২০১৬ সালে শিলান্যাস, ২০২০ সালে কাজ শুরু, আর এখন ফলক উন্মোচনের অপেক্ষায়—এটা কি কৌতুক, নাকি শাসনের নাটক? তৃণমূলের হাত ধরে ভবন তৈরির প্রচেষ্টা যেন সমাজের অব্যবস্থার এক প্রতীক, যেখানে প্রথমে পরিকল্পনা, পরে কানা খোঁজা, আর শেষে ইতিহাসের গর্ভে চাপা পড়ে যায় যথার্থতা।

স্বপন দেবনাথের স্ক্যান যন্ত্র উদ্বোধনে विवाद; হাসপাতাল দখল করে হেলমেটবিহীন বাইক যাত্রা তরুণদের!
মন্ত্রীর সংবর্ধনা শেষে যখন হাসপাতালের দরজায় দাঁড়িয়ে ওই তরুণরা হেলমেট ছাড়াই বাইকে প্রবেশ করল, তখন হয়তো রাজনীতির খেলায় সুরক্ষার এই বোধটাই ছিল ম্লান। সরকার উন্নত যন্ত্রপাতি এনে চিকিৎসার ক্ষেত্রে ভাবনার উদ্রেগ ঘটাচ্ছে, অথচ জনগণের নিরাপত্তা নিয়ে কারো মাথাব্যথা নেই। এর মানে কি, রাজনীতির প্রজ্ঞা আমাদের সচেতনতার অন্তরালকে অতিক্রম করতে ব্যর্থ?

বেআইনি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভাড়ার মাধ্যমে প্রতারণা: আমাদের সমাজের নৈতিকতা কোথায়?
গোয়েন্দাদের রিপোর্টে জানা যায়, প্রতারকরা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া নিয়ে জনগণের সঙ্গে কারচুপির খেলায় মত্ত। ১০ হাজার টাকার লেনদেনের বিনিময়ে ৩০০ টাকা পাওয়া যেন এক নতুন বাণিজ্য, যা দেশের শাসকদের দুর্বলতা ও সমাজের অসুস্থতা নিয়ে গভীর প্রশ্ন রাকে। কোথায় গেল আমাদের আদর্শ ও নৈতিকতা, সেই অনুসন্ধানের প্রতিফলন কি এই ক্ষুদ্র দ্বন্দ্বে?

“ডিউটির অজুহাতে সই চাওয়া: সৌরভবাবুর মন্তব্যে সরকারের প্রতি জনগণের অসন্তোষে নতুন রূপ!”
সৌরভবাবুর ভাষ্য, কর্তব্যে অনিহার পরও বকেয়া স্লিপে সই করাতে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, যেন সরকারের রোস্টার অশিক্ষা ও অদক্ষতার পক্ষে স্বাক্ষর করা হয়। অদ্ভুত এই রাজনৈতিক নাটক, যেখানে দায়িত্বের বদলাও মাধ্যমের দিকে তাকানোর প্রয়োজন মনে হয় না, আমাদের সমাজের অস্থিরতায় নতুন মাত্রা যোগ করছে। জনতার ভাবনা, কি ছলনায় আটকে গেছে!

“আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ৫০ সিসিটিভি: ৩ লক্ষ ৫২ হাজারে স্বচ্ছতার আড়ালে অস্বচ্ছতার মিছিল!”
আরামবাগ মেডিক্যাল কলেজে ৫০টি সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর জন্য ১ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ের খবরটি শুধু আর্থিক অপচয়ের গল্প নয়, বরং শাসনের অদৃশ্য হাতের পরিচয়। তিন লক্ষ ৫২ হাজার টাকা প্রতি ক্যামেরায়, আমরা কি নিরাপত্তা পাচ্ছি, নাকি রাজনৈতিক দৃষ্টিক্ষেপ? প্রশ্ন জাগে, ক্যামেরার পেছনে কি আমাদের বিশ্বাসের অভাব নাকি নেতৃত্বের অযোগ্যতা?

গভীর নগরীর আলোতে খুনের কালিমা: টাকা-পয়সার লেনদেনে দুর্বৃত্তদের উত্থান, প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন!
ব্যস্ত বাজারে প্রকাশ্যে এক ব্যক্তির খুনের ঘটনায় আমাদের সমাজের আসল চেহারা ফুটে উঠেছে। অর্থ লেনদেনের বিবাদে হত্যা যেন অনিবার্য, আর দুষ্কৃতীদের এত সাহস বোঝায় বর্তমান সরকারের শাসন ক্ষমতার দুর্বলতা। পুলিশের ময়নাতদন্ত শুধু প্রমাণিত করবে, কিন্তু আমাদের বিবেকের ময়নাতদন্ত আজকের যুগের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

“শাসনের ঝোড়ো হাওয়ায় কেমন টালমাটাল! ঘূর্ণিঝড়ের গতি সামনে রেখে রাজনীতির নাটকীয় পাল্টান”
ওড়িশার ভিতরকণিকা ও ধামারার প্রান্তে ঘূর্ণিঝড়ের ল্যান্ডফল, যেন আমাদের প্রাক্তন নেতাদের প্রতিশ্রুতির টর্নেডো। শতকোটি বাজেটের সরকারের তাণ্ডব, এবং এই ঝড়ের মুহূর্তে গণমানুষের কল্যাণ উধাও। বাতাসের গতিবেগ যতটা প্রচণ্ড, ততটাই যেন আমাদের রাজনীতিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রতারণা; সত্য কবে উন্মোচিত হবে?