জনমানস

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীতা, সুখেন্দুর জন্য বিপদে সিট বজায় রাখার চাপ
রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনঃপ্রবেশে রাজনৈতিক খেলার বাঁশি বাজছে, যেখানে সুখেন্দুর মত নেতারা নিজেদের স্থান ধরে রাখতে মরিয়া। ২০ ডিসেম্বরের উপনির্বাচন যে কেবল ভোটের খেলা নয়, বরং অতীতের কালো ছবির চাদর উড়িয়ে দেয়া এক ভক্তি প্রকাশ। জনচেতনায় নেতাদের বদলে গিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠছে—ক্ষমতার খেলা কি আদৌ জনহিতকর?

জলপাইগুড়ির ফুলবাড়িতে লজিস্টিক্স হাব, কি পরিবর্তন আনবে সরকারের ব্যবসায়িক নীতিতে?
জলপাইগুড়ির ফুলবাড়িতে ২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে প্রতিষ্ঠিত TVS আইএলপি লজিস্টিক্স হাব যেন সরকারের উন্নয়ন নীতির নাট্যমঞ্চ, যেখানে অনিয়ম ও স্বার্থে রাতের অন্ধকারের চক্রান্ত ফুটে ওঠে। এই বাণিজ্যিক প্রকল্পের আলোকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের কাছে অদৃশ্য রাজনৈতিক খেলা ও জনমানসে শঙ্কা বিরাজ করছে, যেন স্বপ্নের সাদা কপোটটিও কিছুটা নিস্তেজ। রাজনৈতিক নেতা ও তাদের দর্শন যেন কামাল নিয়ে হাঁটলেও জনতার দৃঢ় সংশয় অতলদিন।

বন্দি অবস্থায় ভার্চুয়াল আদালতে হাজির, নয়া ধারায় বিচার ব্যবস্থার ভাঙচুর!
দেশের বিচার ব্যবস্থায় নতুন যুগের সূচনা, বন্দি অবস্থায় ভার্চুয়াল শুনানির ব্যবস্থায় খটকা সৃষ্টি হলো। একদিকে প্রযুক্তির উজ্জীবন, অন্যদিকে স্বচ্ছতার অভাব; দেখা যাচ্ছে বদ্ধ ঘরে একজন নেতা, অথচ মিডিয়ার ক্যামেরা সবই ধরছে! কি নিদর্শন, আধুনিকতার দ্যুতিতে পুরনো ব্যবস্থার গন্ধ! জনতার মনে প্রশ্ন, আইন কী সত্যি জোরালো, নাকি ক্ষমতার খেলায় মেতে ওঠা পুতুলের নাটক?

বিভিন্ন রাজ্যে আলু রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত: দাম কমানোর টাস্কফোর্সের অভিযান শুরু!
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে ভিন রাজ্যে আলু রফতানি বন্ধ হওয়ায় বাজারে দাম কমানোর আশ্বাস যেন নির্বিকার হাহাকার। টাস্কফোর্সের অভিযান সহযোগে সীমান্তের সিলিংয়ের নাটক, প্রশাসনের এ নাটকে জনগণের কপালে গ্রীষ্মের অপেক্ষা—এমন এক পরিস্থিতি, যেখানে রাজনীতির গাঢ় আবরণে দামের দ্বন্দ্ব ও জনমানসের উদ্বেগ এক ছন্দে সুর তুলে।

কলকাতা পুলিশের রদবদলে চাঞ্চল্য, নতুন নেতৃত্বের অধীনে পরিবর্তনের আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
বারাবনির সাব ইন্সপেক্টর মনোরঞ্জন মণ্ডল সাসপেন্ড, কাঁকসার আইসি পার্থ ঘোষ কম্পালসারি ওয়েটিংয়ে, আর কলকাতা পুলিশের রদবদলে মুখ্যমন্ত্রী সিআইডি ঢেলে সাজানোর ঘোষণা; এই সব কিছু যেন শাসন ব্যবস্থার ঢাকঢোল, কিন্তু জনমানসে তার প্রতিধ্বনি শোনার কেউ নেই। অত্যাচারিত সমাজের মুখে হাসি ফোটাতে সরকারের উদ্যোগ জনসাধারণের হৃদয়ে স্থায়ী না হলেও, সঙ্গীতের অবসান ঘটিয়ে দূরপাল্লার দৌড়ে — এরপরেও কি রাজনীতি অবিরাম?

স্কুটার দুর্ঘটনায় প্রশাসনের সুরক্ষার প্রশ্ন, সড়ক নিরাপত্তায় কোথায় দৃষ্টিশক্তি?
আবহাওয়া যেমন অদলবদল ঘটে, আমাদের রাজনীতির ক্ষেত্রেও সুরোত পরিবর্তনের অভাব নেই। এক তরুণের স্কুটারযাত্রা, বাঁক বদল করতে গিয়ে বাসের নিপীড়নে বিধ্বস্ত। জনমানসে তোলপাড়, রাষ্ট্রের নীতি অকল্যাণের যেন নিদর্শন। দায়ীদের কণ্ঠস্বর কোথায়? আর নেতাদের প্রতিশ্রুতি, যেন একটি মায়াবী ছায়ার মতো—অন্তর্দৃষ্টির অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে।

“আমাদের নেতারা কর্মী, কি হাস্যকর! মুখ্যমন্ত্রী হতে চান, রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা; তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার?”
অনুব্রত কেমন 'কর্মী' বলে নিজেকে নামে নামিয়ে রেখেছেন, যেন রাজনৈতিক স্রোতে কোন বালতি বন্দুক নয়, বরং এক অসহায় মাছ ধরার জালের কাহিনী। মমতার জয় চান, কিন্তু তার পর মোহনালালীদের ব্যবসায়িক সুরোনিমন্ত্র আরও গতে গড়ে উঠেছে। রাজনীতির পাটে, 'মহান নেতা' মমতা ছাড়া সবাই কেবল দলের সৈনিক—হায় রে, কখনো না সমগ্রজীবনের নেতা হয়ে যাওয়ার ভান। এ যেন বঙ্গবন্ধুর দেশ থেকে কেবল বিরস্যি নাম।

মিঠুনের হাতজোড়: বিজেপি কর্মীদের সতর্কতা, ‘টাকার জন্য রাজনীতি নয়, তৃণমূলে চলে যাওয়ার আহ্বান’
মিঠুন ঘোষের ভাষণে উঠে এলো বিজেপির ভক্তির অন্ধত্বের প্রতি এক জোরালো সতর্কবাণী। বুঝিয়ে দিলেন, অর্থের মোহে পা রাখতে নয়, বরং তৃণমূলের দিকে তাকানো উচিত। সত্যিই, আমাদের রাজনৈতিক আবহে কি এটাই প্রতিফলন—গণতন্ত্রের আড়ালে লুকানো স্বার্থের রাজনীতি? যা নৈতিকতা ও সততার ঈশ্বরবাদী চিত্রকে ম্লান করছে!