জনমত

ভারতের বিদেশ সচিবের উদ্যোগে ইসকনের আশার আলো, বাংলাদেশে শান্তির প্রত্যাশা
ভারতের বিদেশ সচিবের উদ্যোগের সাথে সমান্তরালভাবে ইসকনের উচ্ছ্বাস, বাংলাদেশে শান্তির সম্ভাবনার নতুন আলো দেখাচ্ছে। যেন রাজনৈতিক কোলাহলে মানবিক সংবেদনশীলতার এক চমৎকার উপস্থাপনা। কিন্তু এই উদ্যোগ কি সত্যিই গভীর পরিবর্তনের সূচনা দেবে, নাকি অস্থিরতার যাত্রাপথে আরেকটি প্রতীকী কদম? জনগণের মনোভাব ও রাজনৈতিক জটিলতা এ প্রশ্নের সঙ্গী।

তন্ময় ভট্টাচার্যকে সাসপেন্ড, তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওয়ার্কিং কমিটির অগ্রগতিহীনতা নিয়ে আলোচনা বৃদ্ধি পাচ্ছে
তন্ময় ভট্টাচার্যের সাসপেনশন নিয়ে সিপিএমে নতুন রাজনৈতিক কম্পন শুরু হয়েছে। মহম্মদ সেলিমের ঘোষণায় প্রশ্ন উঠছে, তদন্তের এই ধীরগতির পেছনের কারণ কী? আড়াই মাসে একবারও তন্ময়ের বক্তব্য নেওয়া হয়নি; যেন রাজনীতি একটি অঙ্গন, যেখানে দায়মুক্তির খোঁজে প্রতিশ্রুতির সাগরে ঘটছে ঢেউ। বৃহত্তর জনগণের দুর্ভোগের মাঝে নেতাদের এই নির্লিপ্ততা যেন Tagorean সুরে অচল সমরथকের সামনে জিজ্ঞাসা—নির্বাচনী ক্ষমতা, বা রাজনৈতিক উচ্চতার মোহ অনন্ত, কিন্তু সমাজের প্রতি তাদের দায় কেন অসমাপ্ত?

শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠ শংকর ঘোষের নাম নিয়ে বিতর্ক, রাজনীতিতে তরুণদের প্রভাব বাড়ছে!
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মুখে শংকর ঘোষের নাম ঘুরপাক খাচ্ছে যেন এক নাটকের বাণী; সিপিএম থেকে আসা তরুণ নেতার শুভেন্দু অধিকারীর সীমানায় প্রবাহিত প্রভাবের ছায়া ভারী। রাজনীতির অদ্ভুত মোহে, জনতার আশা আর নেতা-বাহিনীর মিলন ঘটছে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক চলতেই আছে। বাঙালির রাজনৈতিক চাঁদ-বাহার যেন আনন্দ বিধ্বংসী কৌতুকের পরাভব, যেখানে সমাজের বিক্ষোভের মাঝে শাসকের বন্দুকের গলার মোহও আবর্তিত।

রাজশেখরের পদত্যাগ: রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা প্রধানের বদল নিয়ে শোরগোল बढ़ছে রাজনৈতিক মহলে
রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান রাজশেখরের পদচ্যুতির পেছনে রয়েছে গভীর রাজনৈতিক সুতো। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল তাঁর দিন গোনা চলছে; বুধবার সেই ‘সময়সীমা’ পূর্ণ হলো। গাইডলাইন বদল নয়, বরং রাজনৈতিক নাট্যমঞ্চের নতুন দৃশ্য—সামাজিক স্রোতে ক্ষমতার বিচিত্র রূপায়ণ। এখন প্রশ্ন, কেমন হবে governance-এর সূচনা?

ইডি-র তদন্তে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা: সিবিআইয়ের এফআইআর কি বদলাবে দুর্নীতির চিত্র?
সম্প্রতি সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর অনুসরণে, ইডি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় নেতাদের শুদ্ধাচারের কথা শুনে মনে হয়, নীলকন্ঠের মতই তাঁরা কখনো গর্জন করেন, আবার কখনো শান্তিতে নিমজ্জিত। জনগণের হতাশা কি শুধু কল্পনার রঙেই চিত্রিত?

“জামিন পেয়েও কমিশনের নজরদারিতে অর্পিতা, শীর্ষ আদালতে প্রশ্নের সম্মুখীন ইডি : রাজনীতির নতুন মোড়!”
নতুন জামিন পেলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, কিন্তু রাজনীতির নাটকে ইডি এখন প্রশ্নের মুখে। এক পাসপোর্টের খাঁচায় বন্দি, দেশের শীর্ষ আদালতেও চলছে বিতর্ক। নেতৃত্বের গুণাবলী কিংবা প্রশাসনের সঠিকতা নিয়ে জনসাধারণের কৌতূহল বাড়ছে, আর কোথাও যেন কালি ও কলমের সম্মাননা হারিয়ে যাচ্ছে। πολιτική তথা সামাজিক পরিবর্তনের এই জালে, কে জানে আগামী দিনের ছবি কেমন হবে।

মহিলা চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডে মমতার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগ, সিভিক ভলান্টিয়ারকে বলির পাঁঠা বানানোর অভিযোগ!
রাজ্যে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নে গভীর অন্ধকার। চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পিতামাতা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরছেন, যেন রাজ্যসভার চেহারা বদলে যাচ্ছে। সিভিক ভলান্টিয়ারকে বলির পাঁঠা বানানোর মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা থেকে পালানোর চেষ্টা, রাজনৈতিক নাটকে গুণধরির চেয়ে, সমাজের আসল সংকটগুলোকে উন্মোচন করছে।

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?

“তৃণমূলের বিপুল জয়, শুভেন্দুর দাবি: ‘উপনির্বাচনের প্রভাব সাধারণ নির্বাচনে পড়ে না’ – রাজনৈতিক তরঙ্গ রাঙাচ্ছে রাজ্য!”
রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলাফল তৃণমূলের বিপুল জয়ে প্রমাণ করে, সরকারকে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হতে হবে। শুভেন্দু বাবুর দাবি, নির্বাচনী ফলাফল সাধারণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলার মতো নয়, যেন এক ভাসমান মনোভাব। তবে, জনগণের বোধ এমন যে, পরিবর্তনের স্রোতকে আর আটকানো সম্ভব নয়, রাজনৈতিক নাটক সারাবছর চললেও।

“সারাদেশে সাইরেনের শব্দ: রাজনৈতিক টালমাটাল ও জনগণের ক্ষোভের নতুন অধ্যায় শুরু!”
শনিবার বিকেলে সাইরেনের ঝঙ্কার যেন ভুলে যাবার মতো ছিল, কিন্তু কি বাস্তবে ঘটে গেল! সরকারী কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ জনগণের প্রতিবাদ মঞ্চস্থ হয়, যেখানে নেতাদের সময়োপযোগিতা আর জনগণের আশা যেন মুখোমুখি দাঁড়িয়ে। এই দৃশ্যপটেই কতটা জটিল সমাজ এবং রাজনীতির পথচলা, আমরা কি মাঝে মাঝে শুধুই নীরব দর্শক?