জনতা

মমতা বন্দ্যোপाध্যায়ের তুলোধোনা: বঙ্গ ও বিহারের বিতর্কিত দখলবাদ নিয়ে তীব্র মন্তব্য ও হুঁশিয়ারি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 최근 বাংলাদেশিদের প্রতি তীব্র বক্তব্য রেখেছেন, দাবি করেছেন তাঁদের কলকাতা দখলের হুমকি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক শ্লগানে কবে হবে সুবোধের রাজনীতি? বৃহত্তর বাংলা, বিহার ও ওড়িশার স্মৃতিচারণে ফিরে যাচ্ছে সমাজ, যেখানে governance-এর মুখ কিছুটা আড়ালে পড়েছে, জনতার গলায় একটি নতুন সুর।

মোদীর দায়বদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক: রাজনীতিতে ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া কি সমাজে পরিবর্তন আনছে?
মূলত ক্ষমতার খেলায়, বিদ্যুতের গতিসূত্রের মতোই, একজন নেতার কর্মকাণ্ডে বোঝা যায় সমাজের অবস্থান। মোদীকে ২০০২ এর দাঙ্গায় দায়ী করা নিয়ে বিতর্ক চললেও, ইতিহাসের এই পাতা যেন ক্রিয়ার পরিণামকেই পুণরাবৃত্তি করছে। সমাজের বিরোধিতা, মতভেদ—সব কিছুর বিপরীতে কিছু প্রভাবশালী এখনও নিজের সুর বদলাতে চায়। কিন্ত সমাজ তো দেখছে, গণতন্ত্রের নাটকে মুখোশের বদলে আসল সম্পর্কের থেকেও বড় বিষয় হলো, সবার করাতের দঁড়ে।

“বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের মন্তব্য: সভার নিরাপত্তা প্রশ্নে পুলিশের কার্যকারিতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ জাগিয়েছে!”
বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের মন্তব্যে যে উদ্বেগ প্রকাশ পেয়েছে তা সত্যিই গভীর। আইনশৃঙ্খলার সাম্প্রতিক দুর্বিষহ অবস্থা এবং ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যে পুলিশiর জন্য এক অসম্ভব চ্যালেঞ্জ, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বাস্তবতার কাছে। সভা করার স্থান এবং ব্যবস্থাপনার জটিলতা আমাদের রাজনৈতিক অগত্যার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে, যেখানে নিরাপত্তাহীনতা ও অপরিকল্পিত কর্তৃত্বের প্রতিবিম্ব স্পষ্ট। সবচেয়ে বড় কথা—সাধারণ মানুষের আশঙ্কা ও রাজনৈতিক নেতাদের অক্ষমতা, একাকার হয়ে দর্শক পদের সঙ্গের সতেজতার অভাব নিয়ে সমালোচনা করছে।