জনগণের প্রতিক্রিয়া

শিক্ষকের সাসপেনশন: শাসন ব্যবস্থার পেছনের কাহিনী ও জনমত পরিবর্তনের চিত্র প্রকাশিত হলো
রাজনৈতিক মূলধারার গভীর অন্ধকারে যখন সেলিমের চমৎকার শৈলীতে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই সাসপেনশনের গোপন রঙ্গমঞ্চের নাটক চরম বিনোদনের মাঝে বাস্তবতার চিত্র ফলাতে থাকে। ভুল চর্চার তাই দায় নিতে গিয়ে আমরা দুর্বল নেতৃত্বের দর্পণে নিজেদেরই খুঁজে পাই, যেখানে সরকার বিনোদনের পরিবর্তে শিক্ষণীয় হয়ে উঠার দাবি করে।

তৃণমূল কংগ্রেস মেট্রো রেলে ইউনিয়ন নির্বাচনে পরাজিত, সরকারের শাসন নিয়ে সরকারী আলোচনা বাড়ছে
বাংলার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস আবারও মেট্রো রেলের শ্রমিক ইউনিয়নে জয়ের স্বপ্নে চরম ব্যর্থতা، যেন প্রকৃতির কৌতুক—বারবার চেষ্টা করেও নষ্টালজিয়ায় আটকা। ৩২.৪৬ শতাংশ ভোটের মধ্য দিয়ে প্রমাণ হলো, নিয়মের আদর্শ বর্মে মানুষ কতটা অভ্যস্ত হয়েছেন, আর নেতাদের চমকের অন্তরালে; সত্যিই সমসাময়িক রাজনীতি যেন এক নাটকের মঞ্চ, যেখানে দর্শকই মূল অভিনেতা।

বিধাননগরের জল সমস্যা সমাধানে নতুন প্রকল্প, তবে গরমকালে জলের সংকট ভয়াবহ!
বিধাননগরে জল সমস্যা কিছুটা কমেছে, কিন্তু গরমকালে তা আবার ভয়াবহ হয়ে ওঠে! কেষ্টপুরের নতুন জল প্রকল্প, যা প্রত্যাশিতভাবে শহরের বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ জল ব্যবহারের ওপর প্রভাব ফেলার কথা, তা আদৌ জনগণের আশা পূরণ করবে কিনা—এমন বিতর্কে এখন রাজনীতির আসর জমে উঠছে। সরকারি উদ্যোগের সার্থকতা এবং নেতাদের প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের মধ্যে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তাতে কি আদৌ সমস্যার মূলে প্রবেশ করা সম্ভব? রাজনৈতিক শূন্যতার মাঝে স্বচ্ছতার সন্ধানে, জল আবিষ্কারের এই অভিযাত্রা আমাদের সমাজের গভীরতাকে আবারো উন্মোচন করছে।

বিধাননগরে আন্তর্জাতিক সাইবার প্রতারণা চক্রের হদিশ, ১৯ জন গ্রেফতার, দুবাই থেকে চলছে বেআইনি কলসেন্টার।
বিধাননগরের পথে প্রহরীর সবুজ আওয়াজ, আর অপরিসীম প্রতারণার খরশ্রোতা! দুবাইয়ের সিংহাসন থেকে চালিত কলসেন্টার সেলফোনের মায়াজালে দর্শকের মনে ঢুকে পড়ার গল্প। তিনটি মাথা গ্রেফতার, কিন্তু প্রশ্ন, আমাদের শাসকেরা কি গাফিলতি ছাড়াই প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন? বিজ্ঞাপন যেমন করে হয়, শাসনও তেমনই।

মহুয়ার বিরুদ্ধে বিধায়কদের অভিযোগ, মমতার প্রতিক্রিয়া: সরকার কোথায় ঠেকেছে?
মহুয়ার বিরুদ্ধে বিধায়কদের অভিযোগের গুঞ্জনে যেমন একদিকে প্রশাসনিক দুর্বলতার ছাপ ফুটে ওঠে, তেমনই হৃদয়ের খোঁজে থাকা মমতার চেতনার শাণিত উন্মেষ। নাগরিকদের আশা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে যখন বিতর্কের নৃত্য, তখন সরকার ও নেতৃত্বের কর্মকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ। বিপরীতে, কি করে বাস্তবতার রূপে রূপান্তর ঘটে—এটাই তো সমাজের ঐশ্বর্য, যা আজ মলিন!

মালদা টাউন স্টেশনে অমৃত ভারত প্রকল্প: উন্নয়ন না কি জনসংযোগের খেলা?
মালদা টাউন স্টেশনে অমৃত ভারত প্রকল্পের সৌন্দর্যায়ন প্রয়াসে স্থানীয় সরকার নিজেদেরকে সাফল্যের ফিরিস্তিতে সজাগ রাখতে চেয়েছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে যে মেঘলা অস্বস্তি, তা কি তারা অনুভব করতে পারেন? এই উন্নয়নের আড়ালে কি লুকিয়ে আছে জনসাধারণের প্রেরণা এবং বিপর্যয়ের গল্প? আধুনিকতার কোলাহলে কি আদৌ ভেঙে পড়বে রাজনৈতিক অঙ্গীকারের ঝর্ণাধারা?

শুভেন্দু অধিকারী ইউনুস সরকারকে ‘তালিবানি’ আখ্যা দিয়ে মমতার সঙ্গেও তুলনা করলেন, আজ রানি রাসমণিতে ধর্মীয় সভা।
শুভেন্দু অধিকারী, ইউনুস সরকারকে 'তালিবানি' আখ্যা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালের উদাহরণ টানলেন, যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব শুরু হয়েছে। রানি রাসমণি অ্যাভিনিউতে বাংলাদেশ ইস্যুতে সভায় তাঁর উপস্থিতির মাধ্যমে আবার যেন একবার নজর কাড়ার চেষ্টা, সত্তর ছুঁয়ে যে দেশীয় গুণাবলির ক্ষয়, তা উন্মোচনে। রাজনীতির অঙ্গনে এ যেন একটি করুণ কলোসিয়াম, যেখানে নেতারা নিজেদের নামের প্রতি কর্মফল টানতেই ব্যস্ত।

“পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: ডাকাত ধরেও কড়া হাতে কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?”
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে, যখন ডাকাত মানিককে কড়া হাতের পরিবর্তে অতি সাধারণভাবে আদালতে হাজির করা হলো। সরকারী শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পতন রীতিমতো নাটকীয়, আর জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার অভাবের অনুভূতি ক্রমশ বাড়ছে। প্রশাসনের এই দ্বিচারিতা শুধু নজির হয়ে থাকবে, নাকি বিবেকের তোলোয় পরিণত হবে?

ভারতের পতাকা অবমাননায় বাংলাদেশে রোগী পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত, শুভ্রাংশু ভক্তের প্রতিবাদে ওঠেছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা
শুভ্রাংশু ভক্তের এই ঘোষণায়, বাংলাদেশের পেশাদারিতে নতুন এক রাজনৈতিক নাটক উন্মোচিত হলো; উপমহাদেশের সমর্থন আর বিরোধীতার তোলপাড়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে তাঁরা কি শুধুই রাজনৈতিক বহিস্কার বা মানবিক বাঁধার আওয়াজ তুললেন? ভারতীয় পতাকার অবমাননা এখন হাসপাতালের বিছানায় অনিশ্চিত রোগের মতো, সংকটে পড়েছে দুই দেশের সম্পর্কের সূক্ষ্ম তন্তুরা। সত্যিই কি হৃদয়ের অনুভূতি বা বিজ্ঞানের অগ্রগতির সন্ধান পাবে জনগণ, নাকি এক নতুন বাব্বনের অপেক্ষায় প্রতীক্ষায় রয়েছে?

বিজ্ঞানী ও শিল্পপতিদের সম্মিলনে ২০২৪ জগতের বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল, রাজ্য সরকারের প্রকল্প নিয়ে তীব্র আলোচনা।
রাজ্য সরকারের পরিকল্পনাগুলি নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক হলেও, ২০২৪ সালে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল করা যেন বাণিজ্যিক স্বপ্নের শেষ। বিদেশী শিল্পপতিদের আদর যত্নের খোঁজে, প্রশ্ন উঠছে—প্রকল্পে সাফল্য না, অতিথি আপ্যায়নে বরং শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা? রাজনীতি ও সমাজের জায়গায় ক্রমশ এই আইপিসি যেন এক অদ্ভুত নাটক।