জনগণের নিরাপত্তা

মেয়ের নির্যাতনের বিচার চেয়ে বাবার আহ্বান, বৃন্দা গ্রোভার মামলার পেছনে কেন?
নির্যাতিতার বাবার ভাষ্যে ফুটে উঠেছে এক অদ্ভুত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, যেখানে তদন্তের ধারাবাহিকতা সবে চলছে। বৃন্দা গ্রোভার কেন পিছিয়ে গেলেন, তা স্বাদের মতো অজানাই রয়ে গেল। 'কলকাতা পুলিশের চার্জশিট' বলে কটাক্ষ করা সত্ত্বেও, বিচার পেলেই যেন সকল নাটক শেষ হবে, অথচ এ কী বিচারের খেলা? সমাজের এই অচল সংস্কৃতি কি কেবল অবসরে ভাসছে, নাকি সত্যিই কোনো নেতা মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন?

নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় হত্যায় নেতৃত্বের অযোগ্যতা এবং সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি
দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় এবং তাঁর পরিবারের হত্যা দৃষ্টিকটু চিত্র তুলে ধরছে বর্তমান রাজনীতির। ক্ষমতার লোভে অন্ধ সমাজে, কাঁধে কাঁধ রেখে দাঁড়িয়ে থাকা নেতারা কি আদৌ মানুষের নিরাপত্তার দায়ভার নেবেন? সংসার ভাঙার হাহাকার বাড়ছে, তবে ক্ষমতার খেলোয়াড়রা যেন তাদের মিটিংয়ের ভিতরে হারিয়ে গেছে, গুম হয়ে গেছে মানবতা!

কলকাতায় ইসকনকে টার্গেটের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনুসের সরকারের ব্যর্থতায় ক্ষোভ বৃদ্ধি
কলকাতা শাখার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমন দাসের অভিযোগ, মহম্মদ ইউনূসের অন্তবর্তী সরকার পদ্মাপারে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা জাঁকিয়ে বসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোন করেছেন, তবে ভারত-বিরোধী মন্তব্যের ঢেউয়ে ঈসকন আক্রান্ত। রাজনীতির অনুরাগে বিক্ষুব্ধ সমাজ, যেন ইতিহাসের মঞ্চে ন্যায়ের দাবিতে নৃত্যরত এক নির্বাক নাট্যশিল্পী!

দুষ্টু যুবকের হাতে শিশুরা, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে সমাজে।
সম্প্রতি একটি গভীর উদ্বেগের ঘটনা ঘটেছে, যেখানে প্রতিবেশীরা এক যুবককে ধরেন শিশুর জন্য অশালীন কাজ করতে গিয়ে। এ ঘটনা শাসকদের কার্যকলাপের প্রতি মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে, সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে মূল বিষয়বস্তুর আলো ফেলছে। আমাদের নেতারা কি এসবের দায় মেনে নেবেন, নাকি চোখে বালির ঝাপড়ায় সন্ত্রাসী, নিরীহদের ভুল বুঝবেন?

ঢাকায় প্রাক্তন সামরিক সদস্যদের হুমকি, কলকাতা দখলের দাবি জনগণের মধ্যে উৎকণ্ঠা সৃষ্টি করছে
ঢাকায় সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের অভিব্যক্তি যেমন বাংলাদেশের ঐকি ও ভ্রাতৃত্বের কথা বলে, ঠিক তেমনই তাদের বিতর্কিত বক্তব্য ভারতসহ বিশ্ব রাজনীতির প্রতি এক ধরনের তাচ্ছিল্য প্রকাশ করে। চারদিনের মধ্যে কলকাতা দখলের আহ্বান যেন প্রগতির পরিবর্তে অন্ধকার যুগের পুনরাবৃত্তি—এমন ক্লিষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কে কার পাশে, সেটাই প্রশ্ন।

মমতার ঘোষণার আগে সিবিআই হাতে মামলার তদন্ত, রাজনৈতিক উত্তেজনার নতুন অধ্যায়
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে নির্যাতিতার পরিবারকে আশ্বাস দিয়ে আদালতের কাছে সিবিআই তদন্তের আবেদন করেছিলেন, তা রাজনৈতিক নাটকের সাক্ষী। একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, অপরদিকে জনগণের দৃষ্টিতে কতটা গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব! সত্যি, এ ধরণের ঘটনাবলিতে সমাজের প্রতিচ্ছবি মহৎ বা অমার্জিত, তবে রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাসে কখনো কখনো শাসকের পরিবেশিত প্রতিশ্রুতির সুর বদলায়, যা কাহিনীর মোড়ে একটি নতুন দিক নিয়ে আসে।

শিলিগুড়িতে বিক্ষোভ: বিক্রমাদিত্য মণ্ডলের বাংলাদেশি পণ্য বন্ধের আহ্বান রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে
বিক্রমাদিত্য মণ্ডল শিলিগুড়ির বাজারে বিক্ষোভের সময় দোকানদারদের বাংলাদেশি পণ্য ছাঁটাইয়ের আহ্বান জানিয়ে বলছেন, যেন ভৌতিক কার্যকলাপের ওপর দেশের শাসকদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা হয়। প্রসঙ্গত, প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে রাজনীতির লোভ ও বাজারের অস্থিরতা দেশের সংস্কৃতিকে চিরসূত্রবদ্ধ করছে, যখন এ ধরনের স্লোগানে সমাজের মননের পরিচয় যাচ্ছে।

শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারী বিপদের কারণ!
শমীক ভট্টাচার্যের অভিযোগে জানা যায়, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার ভোটব্যাঙ্কের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত দরজা খুলে দিয়েছে, যেন বাস্তবে বিপদের বলিরেখা। রাজনীতির গাদাগাদি, যেখানে নীতির পরিবর্তে স্বার্থই বড়, সমাজের শান্তি যেন এক অদৃশ্য তাঁবুর নীচে আবৃত।

কালীপুজো নিয়ে বিতর্ক: গ্রামে আমন্ত্রণের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপের আলোচনায় ক্ষুদিরামের উপস্থিতি
শনিবার একটি কালীপুজোর অনুষ্ঠানে ক্ষুদিরামের উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। গর্বিত সংস্কৃতির এই প্রদর্শনীতে, সাধারন মানুষের ভেতরকার মৌলিক বিশ্বাস এবং প্রথার প্রতি একটি গভীর কৌতূহল ফুটে উঠেছে। কিন্তু কি করে কালীপুজোকে শুধু ধর্মীয় উৎসব মনে রেখে চলার মাঝে, আমাদের নেতাদের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক দুর্গন্ধ? যে আলোচনাগুলি আমাদের সমাজকে সজ্জিত করার পরিবর্তে বিভক্ত করছে, তা কি আদৌ কালীদেবীর আশীর্বাদ পান?

জনতা ব্যস্ত জগদ্ধাত্রীর পুজোয়, দুর্ঘটনার শোরগোলেই ভেসে গেলো রাজনীতির সত্যিকার চেহারা!
জগদ্ধাত্রী পুজোর আনন্দের মাঝে ঘটে গেল মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা, যা পুলিশের নজরধারিতে আসা পিকআপ ভ্যানের কথা মনে করিয়ে দেয় রাজনৈতিক অঙ্গনের অব্যবস্থাপনার গল্প। জনগণের ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে উদ্যোগ নিতে হলেও, প্রশ্ন রয়ে যায়—সরকারি দায়িত্বশীলতা আদৌ কতোটা উন্নতি পায়? বরং আমাদের সমাজের মৌলিক নিরাপত্তা যেন এক বিদ্রোহী ক্ষণ।