জনগণের অধিকার

ভোটার কার্ডের জটিলতায় ২০২৬ সালের নির্বাচনের আগে ভোটারের উদ্বেগ বৃদ্ধি, প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভোটার কার্ডের হাহাকার যেন একটি নাটকের দৃশ্য, যেখানে আমাদের নেতারা জনগণের আশা ও শঙ্কার মাঝে সার্কাসের মতো করে ঘোরাফেরা করছেন। প্রশাসনের ব্যাখ্যায় দেড় মাসের অপেক্ষা, কিন্তু জনগণের মনোভাব যেন একটি উজ্জ্বল ভোটের নৃত্য বর্ষণে নিষ্ক্রিয়। এই অঙ্গীকারহীনতার মাঝে, আমাদের চিন্তিত নাগরিকেরা জিজ্ঞাসা করছেন, কোন পথে এগোবে গণতন্ত্র?

দেউচা পাচামিতে জমিদাতাদের তৃণমূল সভাপতির সঙ্গে বৈঠক, রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
দেউচা পাচামির জমিদাতাদের অনুব্রত মণ্ডলের কাছে আসা যেন রাজনৈতিক নাটকীয়তার এক নতুন পর্ব। সুবিধা-অসুবিধার আর্তনাদে গমগম করছে বোলপুরের তৃণমূল ভবন, অথচ প্রশ্ন উঠছে—শাসকের পুরো যাত্রাপথে কি উঠে এসেছে জনগণের প্রকৃত স্বার্থ? জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার মধ্যে হালের রাজনৈতিক চালে কি সত্যিই সমাজের মুখোশ খুলবে, নাকি শুধু এক তরফা প্রতারণার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হবে?

জোড়াই স্টেশনে ফের রেল অবরোধ, গ্রেটার কোচবিহারে আন্দোলনে নামল পিপলস অ্যাসোসিয়েশন, বাতিল বন্দে ভারত ট্রেন।
জোড়াই স্টেশনে ফের রেল অবরোধ—গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের নতুন আন্দোলন একটি নাটকীয় পালা, যেখানে বাতিল বন্দে ভারতের মতো ট্রেনের মতো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতিও মেঘের অন্তরালে। নেতাদের বিশ্বম্ভর নাট্যরূপ যেন ক্ষমতার খেলার আড়ালে বিপর্যস্ত জনগণের মাঝে প্রশ্ন তুলে—আসলে কারা রাজনীতির সত্যিকারের খেলোয়াড়? সমবেত জনগণের কণ্ঠস্বর কি শুধুই প্রতিধ্বনি, নাকি পরিবর্তনের কণ্ঠস্বর? এটাই এখন ভাবার বিষয়।

জমিদাতাদের চাকরি বঞ্চনা: সরকারের ভূমি অধিগ্রহণে বিতর্ক তীব্র, বাইরের লোকেরা পাচ্ছেন সুযোগ
এখনকার রাজনৈতিক আবহে, জমিদাতাদের চাকরি বঞ্চনার কাহিনি যেন একটি নতুন নাটক। সরকার অধিগ্রহণ করে জমি, কিন্তু প্রকৃত জমির মালিকদের পরিবর্তে বাইরের মানুষের বেড়ানো। নির্মম এই বাস্তবতা দেখিয়ে দেয়, আমাদের সমাজ কতখানি বিচ্ছিন্ন—নিয়োগপত্রের ভাগ্য, যেন মলিন এক স্বপ্ন, যা অনেকের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে ভুলে যায়।

শওকত মোল্লার অনুগামীদের হামলায় আতঙ্কিত স্বপন মণ্ডল, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে Crescendo সংঘাত
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আরাবুল অনুগামী স্বপন মণ্ডলের ওপর শাওকতের অনুসারীদের হামলা, রাজনৈতিক আধিপত্য ও বিক্ষোভের এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে। প্রশাসন কতটা নিষ্ক্রিয়; নেতা ও গুণচরিত্রের নৈতিকতার সংকট কী প্রতিফলিত করে—এ প্রশ্ন আজ বাংলার ঘরে ঘরে। সত্যি, রাজনীতির এই নাটকীয়তার মাঝে মানুষের জীবনও কি শুধুই একটি ভোটের মরীচিকা?

রাজ্য সরকারের আলু মজুত সময়সীমা বাড়ানো: ব্যবসায়ীদের সুবিধা, বাজারে অগ্নিমূল্য, দোষ কার?
রাজ্য সরকার আলু মজুতের সময়সীমা ৩০ নভেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর বাড়িয়ে ব্যবসায়ীদের সুবিধা দিলেও, খুচরো বাজারে অগ্নিমূল্যের কারণে প্রশ্ন উঠেছে—আলুর ‘দোষ’ কার? প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নেপথ্যে নেতাদের কর্তৃত্বে যে অনিশ্চয়তা বিরাজমান, তা অনায়াসে জনগণের ওপর চাপ প্রস্থাপন করছে, যেন জনগণেই দায়ী। এই নাটকের মধ্যে আদর্শ-রাজনীতি হারিয়ে গেছে, আর জনগণের কষ্টে সরকার নিজেকেও অতিক্রম করছে।

পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং: সৌমিত্রের শেষ সংকেত রেলপথে, রাজনীতিতে নতুন সংকটের উৎপত্তি!
পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং নাটক যেন বর্তমান রাজনৈতিক সুড়ঙ্গে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে সৌমিত্রের ফোনের অবস্থান রেলপথে আবিষ্কৃত হয়েছে। শেষবার সালেমের দিকে, কিন্তু পরক্ষণেই সে নিখোঁজ! এই ঘটনার মাধ্যমে কি প্রমাণিত হচ্ছে আমাদের সরকারী ব্যবস্থার অকার্যকরতা, নাকি বিষয়টি অন্য কোন গোপন সংকেত? জনগণের চোখে তাই দেখছি, এক অশনি সংকেত যেন বৈশ্বিক রাজনীতির বলিরেখা।

মুর্শিদাবাদে ভোটের রাজনীতি: সরকারের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত পুলিশি পদক্ষেপে কী এগোবে তৃণমূল?
মুর্শিদাবাদের মানুষ ভোট দিয়ে সরকার গঠন করে ঘোষণার পর এবার যেন দেখা যাচ্ছে, তাদের ওপর বুলডোজার আর পুলিশি দমননীতি চলছে। নিরপরাধ তৃণমূলের যুবকদের লকআপে নিয়ে তাদের নাগরিকত্বই যেন প্রশ্নবিদ্ধ। এই বিচারবহির্ভূত শাসন কি সত্যিই মানবতার জয়, নাকি নেতাদের স্বার্থের প্রভাবে সমাজের দিকে পেছনে ফিরছে?

“নতুন হেলমেট নিয়মে রাজ্যের শাসন ব্যবস্থার বাঁকা আয়নায় উঠে এল জনগণের নিরাপত্তা বনাম প্রশাসনিক গতিবিধির দ্বন্দ্ব!”
নতুন হেলমেট নিয়মে রাজ্যের পরিবহণ দফতরের আইন, যেন এক নাটকীয় দৃশ্য, যেখানে ট্রাফিক পুলিশের হাতে মহিলাদের সুরক্ষার প্রতীক হেলমেটও নিরাপদ নয়। রাজনীতির অলিতে গলিতে এ কান্ডে চলছে আলোচনা, সরকারী নীতির চৌহদ্দি থেকে কোথায় আমাদের স্বাধীনতা? জনগণ কি অভিনেতার সাজ-পোশাক, নাকি তাঁরা সত্যিকার অর্থে মানুষ?

“লটারির ছাপাখানা ধরা, কোটি কোটি টাকার প্রতারণা; রাজনীতির খেলার মাঠে সৎজয়ীদের বঞ্চনার কাহিনী!”
মাইকেলনগরের লটারির ছাপাখানায় ইডির তল্লাশীর পর সেখান থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হওয়া, যেন গোপনীয় সমঝোতার এক দাগ রেখেছে সমাজের অন্তর্দৃষ্টিতে। জয়ীদের প্রতারণা করে আখেরে অদৃশ্য স্তব্ধতার সৃষ্টি, যা আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি মানুষের অনাস্থার দরোজা খুলে দেয়। বস্তুত, এই দুর্নীতির গোদাম থেকে বের হয়ে আসছে চোখে ধুলো দেওয়া চেহারা, যে চেহারা সময়ের সাথে সাথে আরও রহস্যময় হয়ে উঠছে।