গণমাধ্যমের ভূমিকা

বিভিন্ন মহলে ইসকন নিয়ে আলোচনা, রাধারমণ দাসের মুখ খোলায় নতুন বিতর্কের জন্ম!
বাংলাদেশে ইসকন নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না; নানা মহলের মন্তব্য চলছেই। এবার রাধারমণ দাসের মুখে ওঠে প্রশ্ন—শাসনের আড়ালে ধর্মীয় খেলোয়াড়ি কেমন? এই সময়ে সক্রিয় হওয়া সামাজিক আন্দোলনগুলো সরকারের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে উঠছে। রাজনৈতিক নাটকে, যেখানে গল্পের মূল চরিত্রই রহস্যময়, সাধারণ মানুষের অনুভূতির রং কতটা অদ্ভুত!

নির্বাচনের খরচ কমবে, তবে রাজ্যগুলোর মেয়াদ পার্থক্যে সরকারের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?
সকলেই জানে, সরকারের যুক্তি হলো একত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে খরচ কমানো ও নির্বাচনী বিধিনিষেধের ঝক্কি থেকে মুক্তি। তবে বিরোধীরা জানিয়ে দিচ্ছে, প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ আলাদা, যে কারণে রাজনীতির চক্কর থেকে সমাজের উন্নয়ন কার্যত থমকে থাকছে। এই গেম-অফ-থ্রোনসের মাঝে, উন্নয়নের বুলি গাওয়া নেতাদের খালি কথার সাজ সজ্জা ছাড়া কিছুই নয়। জনগণের ভোগান্তি যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অংশ হয়ে পড়েছে।

গুমার দোকানের খাবারে দেবদেবীর ছবি: ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা নিয়ে তোলপাড় চলছে সমাজে
নেতৃত্বের অদৃশ্য কোমলতার ছায়ায়, গুমার দোকানে ধর্মীয় চিত্রের প্লেটে খাবার দেওয়া নিয়ে ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক প্রমাণ করে, আমাদের সমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতার চিত্র। HT বাংলার তদন্তে প্রকাশ পেল, এমন দাবির সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ। আসলে, এই নাটকীয়তার পেছনে скрытые রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কি? সচেতন নাগরিক হিসেবে ভাবতে হবে, সত্য কতটা অবাস্তব, আর অবাস্তব কতটা সত্যে পরিণত হয়!

মালবাজার পুরসভায় সিবিআইয়ের চিঠি, নথির ভিত্তিতে তদন্তের মুখে চেয়ারম্যান স্বপন সাহা
মালবাজার পুরসভায় ফের সিবিআইয়ের চিঠি, যা মনে করিয়ে দেয় প্রশাসনের স্বচ্ছতার অভাব আর জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের ওপর সন্দেহের কালো ছায়া। চেয়ারম্যান স্বপন সাহার মন্তব্য যেন স্রেফ একটি নাটকীয়তার প্রতিফলন; নথি প্রদানে সম্মত হলেও, জনগণের সহিষ্ণুতা আর নৈতিকতা কোথায়? প্রশ্ন উঠছে—গভীর রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে, নাগরিকদের প্রতি কে রাখছে দায়িত্ব?

স্ক্র্যাপইয়ার্ডে বিস্ফোরণে শ্রমিকের মৃত্যু, নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু
শুক্রবার সকালে একটি বাতিল ট্যাঙ্কার কাটার সময় বিস্ফোরণ ঘটে, যা কেবল শ্রমিকের দেহ নয়, আমাদের শাসনের নিষ্ক্রিয়তার প্রতীকও উন্মোচন করে। ৫০ মিটার দূরে গাছের ডালে ঝুলন্ত একটি জীবনের স্মৃতি, আমাদের সমাজের অদৃশ্য সংকটের প্রতিফলন। কাজের নিরাপত্তা নিয়ে বচন শোনানো নেতাদের উচিত ছিল এই বাস্তবতার সাক্ষী হওয়া।

পুলিশের হাতে গ্রেফতারি: জনগণের নিরাপত্তা বা শাসনের ফালতু ব্যবহার?
রাজনীতির মঞ্চে নাটকীয়তা যেন নতুন করে রঙিন হচ্ছে, যেখানে মানুষ আর পুলিশ, দুই পক্ষই যেন ভীতির খাঁচায় বন্দি। দুলালের অভিযোগ, এক দিনের জন্যও ভাবেনি যে প্রশাসন এমন নৃশংস হতে পারে। সমাজের এই ভয়াবহ পরিবর্তনে কি কেবল নেতা ও তাদের শাসনের দোষ, নাকি জনগণের নিষ্ক্রিয়তাও দায়ী?

সঞ্জয়কে রোজ আদালতে হাজিরা, আরজি কর মামলায় নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি!
এই সপ্তাহে আদালতে আরজি কর মামলায় সঞ্জয়কে সশরীরে হাজির করার সম্ভাবনা, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই তাকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে হবে। রাজনীতির এই নাটকীয় পর্বে, আমাদের সমাজের শাসনব্যবস্থা যেন কারা অন্তরায় আর বিচারব্যবস্থা হচ্ছে একটি অপরূপ অহংকার। কে জানে, এই অবস্থায় জনগণের মনে কি গোপন ক্ষোভ জমা হচ্ছে!

“ছাত্রদের জন্মদিন পালনে প্রাণহানির ঘটনায় উত্তাল রাজনীতি: সরকারের ওপর ক্ষোভ ও নিরাপত্তা প্রশ্নের উথ্থান!”
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিশোর মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনের উদাসীনতা ও সামাজিক মূল্যবোধের দুর্বলতা আবারও সামনে এসেছে। ছয় তরুণের জন্মদিন উদযাপনের মুহূর্তে তাদের নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়িতে না জানানো চিত্তাকর্ষক প্রশ্ন সৃষ্টি করে; কীভাবে যুবসমাজের এ বৈপরীত্য দেশের শাসনকর্তাদের খারাপ কাজের প্রতিফলন? আমাদের সমাজের অন্ধকার চরিত্র কি নতুন করে উন্মোচিত হচ্ছেনা?

আসানসোলের ট্রেন দুর্ঘটনায় আতঙ্ক: রেলওয়ে ব্যবস্থাপনায় গাফিলতি নিয়ে অসন্তোষ বৃদ্ধি
যুগান্তকারী এই ঘটনার পর আসানসোলে ট্রেনযাত্রীদের মনে এক ভীতির ছায়া। নিরাপত্তার প্রশ্নে আবারও দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছি আমরা—সমাজ আর সরকারের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নবিদ্ধ। ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত এলো, কিন্তু প্রশ্ন রইল, রাজনীতি কি কখনো সঠিক সময়ে আসে? আতঙ্কের মাঝে মানুষের আহত হয়ে যাওয়ার গল্প বলছে, governance এর দায়িত্ববোধের অধঃপতন। আবার সেই পুরোনো নাটকের পুনরাবৃত্তি—যেখানে সরকার থাকে উপস্থিত, কিন্তু জনগণের নিরাপত্তা কী ম্লান, সে যাত্রা হিসেবে।

“শান্তিনিকেতনে পোস্টার-রাজনীতি: ‘অপা’র আবেদনে চট্টোপাধ্যায়দের শাসনেও কি চলছে কার্তিকের নিদ্রা?”
শান্তিনিকেতনের 'অপা'-র বাড়ির গেটে টানানো ব্যানারে যেন একটি নাটকীয় প্রতিরোধের সুর, যেখানে চলছে রাজনৈতিক বন্দুকযুদ্ধ। পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের প্রতিমূর্তিতে জাগছে বিতর্কের আগুন। সমাজের নিদ্রিত সত্তাকে প্রশ্ন করছে, প্রশাসনের নৈতিকতা কি রং বদলাচ্ছে, না কি বাস্তবে সবকিছুই গণনাট্য?