গণমাধ্যম

মধ্যমগ্রামে রাজনৈতিক আতঙ্কে নাগরিকদের মুখ বন্ধ, রাজনৈতিক নেতৃত্বের কার্যকলাপ প্রশ্নবিদ্ধ
মধ্যমগ্রাম-সহ উত্তর ২৪ পরগনার মাইকবাজদের তাণ্ডবে আতঙ্কে মানুষ আজ কথা বলতে ভয় পায়। রাজনৈতিক বাবুরা ও সমাজবিরোধীদের অনিষ্টের আশঙ্কায় নীরবতা অবলম্বন করেছে। এটি কি দূরদর্শী শাসনের চিত্র, নাকি ভয়ের সংস্কৃতির নতুন অধ্যায়? হে জনতা, আপনাদের কণ্ঠস্বরই তো প্রকৃত পরিবর্তনের আশা!

লিজার চাকরির উত্তরাধিকার নিয়ে ভাইয়ের সাবালক হওয়া: সমাজে আলোচনার নতুন দিগন্ত খুলল
নাবালকের বাবার মৃত্যুতে চাকরির পিকে জন্মগ্রহণ করল নতুন গোপনাযুদ্ধে, যেখানে অবিবাহিত লিজার সে চাকরির অধিকার রয়েছে। কিন্তু সমাজের নিয়মে তাঁর ভাই এসে সামনে এলে লিজার স্বপ্নের চাকরি কি হবে? এ এক আঁতুড়ঘরে রাজনীতির সারাজীবনের নাটক, যেখানে জনগণের খোঁড়া সমাধান মুখোমুখি।

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: এক বছরের অসন্তোষ, সরকারী নীতির বিভেদ ও জনগণের নিরাপত্তা সংকট”
রাজনীতির পটে রঙ বদলে গেছে, কিন্তু দুঃখের সুরগুলো যেন অতীতের আগুনের ছাঁই। বাংলাদেশ-বিষয়ক আলোচনায় আমাদের নেতারা কথা বলছেন, অথচ নাগরিকদের ভেতরে চলছে এক শূন্যতা। কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিভাজনে বিভ্রান্তি, আর গণমাধ্যমের সৌন্দর্যবোধের কাছে সাধারণ মানুষের আর্তনাদ চাপা পড়ে যাচ্ছে। সমাজের এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে, নেতা হিসেবে তাঁদের পারফরম্যান্স কি শুধু আমাদের দুঃখের আধার?

“গোটা ঘটনার মূলে ইকবাল, বাংলাদেশে রাজনীতির নাটক ও জনমত: সত্যতা খোঁজার প্রথম পাতা!”
পুলিশের মতে, ইকবালের থেকেই খুলবে রহস্য; যেন এক অদূরদর্শী নাটকের মুখপাত্র। ক্ষমতার মোড়কে আবৃত বিতর্কের চিত্রপটে, আমরা দেখতে পাই নেতাদের নাটকীয় কৌশল আর গণমানুষের ভ্রান্ত প্রত্যাশার লুকায়িত কাহিনী। কল্যাণের বুলি স্মৃতি হয়ে যাবে, যদি না সত্যের উন্মোচন ঘটে; মানবতার গতি কি শুধুই ঘটনার বাঙ্ময় মিছিল?

“শীতে চিড়িয়াখানার খাঁচায় দর্শকের প্রবেশ: পশুরা নয়, কি এ আমাদের অশান্ত রাজনীতির প্রতিফলন?”
শীতে চিড়িয়াখানার খাঁচার ভেতরে দর্শকদের প্রবেশ, এক দিকে আনন্দের কথা, কিন্তু অন্য দিকে গভীর প্রশ্ন—কি এই আমাদের সভ্যতার মহিমান্বিত অবস্থা? নেতাদের জাদুকরী দক্ষতায় সাধারণ জনগণের উপরিরিক্ত খাঁচাবন্দী আনন্দ কি আসলেই মুক্তির চিহ্ন, না কি তা কেবল আমাদের চেতনায় নতুন বন্ধনের সুত্রপাত?

“গো-সেবার নামে অমানবিক নাটক: আদালতে খুঁজে পাওয়া কি হবে পশুর হিত?”
অখিল ভারতীয় কৃষি গো সেবা কেন্দ্রের আবেদনে উঠে এসেছে বর্বরতার মাঝে মানবতার কল্যাণ চাওয়ার অদ্ভুত অসঙ্গতি। সরকার আর প্রশাসনের দলবাজিতে, পশুউদ্ধারের অঙ্গীকার মরে গেছে মন্দিরের অন্ধকারে। কি বিচিত্র, এই ক্ষেত্রেই তো 'গোবিন্দ ভজন' রহস্যময় কিছু হতে পারে, যখন আসল কর্তৃপক্ষ নির্বাক!

“প্রশাসনের আধিপত্যের মাঝে সর্বনাশের আগুন, সিউড়িতে ঘটনাস্থলে পুলিশ, অথচ সহায়তা এল দেরিতে!”
সিউড়িতে এক অগ্নিকাণ্ডে সবকিছু পুড়ে গেলেও পুলিশের আগমন বিলম্বিত হল, যেন শান্তির প্রতীক ও নেতৃত্বের ঔদাসীন্য আরও একবার প্রমাণিত হলো। স্থানীয় বাসিন্দাদের দুঃখ-বেদনায় ভরপুর গল্পে, আমরা কি আদৌ খুঁজে পাব সঠিক প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা? গোটা জাতি যেন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে তার প্রতিবিম্ব খুঁজছে—শাসকেরা নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখতে ক্ষয়ে যাচ্ছেন, তবে আগুনে সব যে চলে যায়, সে তো এখন আমাদের ভোটের গল্পও!

“সলমন খানের স্যাটায়ার, Karan Veer Mehra’র বিবাহ বিচ্ছেদের আলোচনায় ‘বিগ বস’–এ নাটকীয়তার নতুন অধ্যায়!”
সুপারস্টার সালমান খানের সাম্প্রতিক মন্তব্যে বিপত্তির সৃষ্টি হয়েছে, যখন তিনি বিগ বসের প্রতিযোগী করণ বীর মেহরার দুই ডিভোর্সের প্রসঙ্গে চিন্তা-provoking কটাক্ষ করেছিলেন। সালমানের মন্তব্যে যেমন আলোচনার ঝড় উঠেছে, তেমনই করণের ফ্যানদের সমর্থন পেয়েছেন তিনি, যা বলিউডের সম্পর্কের জটিলতা এবং প্রতিযোগিতা ব্যবস্থায় দর্শকদের চিন্তাভাবনার প্রতিফলন। এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, দর্শক এবং তারকাদের মধ্যকার সম্পর্ক কতটা জটিল এবং প্রকাশ্যে চলা গেমটিতে কিভাবে তাঁদের পরিস্থিতি একে অপরকে প্রভাবিত করছে।

শিয়ালদা ট্রেন বাতিলের নাটক: রাতে এক কথা, সকালে অন্য—রাজনীতির খেলার মাঠে দ্বিচারিতা!
শিয়ালদা শাখায় ট্রেন বাতিলের ঘটনায় পূর্ব রেলের অস্পষ্ট কথার মধ্যে যেন রাজনৈতিক নাটকের পর্দা। এক রাতে যা বলা হচ্ছে, সকালে তা ভুলে যাওয়ার উন্মাদনা—সরকারের এই ভঙ্গির মধ্যে আমাদের সমাজের প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গির কেমন বিচ্ছিন্নতা, তা ভাবানোর মত। জনগণের দুর্ভোগে হলো বিনোদন; শীতলির নিচে কি তবে ঘূর্ণিঝড়ের ভিন্ন কাহিনি?