গণমত

ত্বহা সিদ্দিকির বক্তব্য: ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে শুন্যতা নয়, শক্তি প্রদর্শনে প্রস্তুত বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
ত্বহা সিদ্দিকির মন্তব্যে রাজনৈতিক বত্তমালে নতুন উত্তাপ এসেছে, যেখানে ভারতীয় সীমা নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। মনে হচ্ছে, গর্জনগুলো যেন শুধু শূন্য গেইটে, কারণ বর্তমান সরকারী কৌশলগুলি স্রেফ কথার ফুলঝুরি। ভারতের মাটির প্রতি এই বর্বর হুমকি সমাজে শুধুই বিভক্তি বাড়াচ্ছে, নতুন করে চাটুকারিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলছে। সত্যি, শক্তির ইউরোপীয় কল্পনাই কি নিছক বালনের দোলনায় পরিণত হলো?

প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগে আগুনে প্রহেলিকা, নির্বাচনী পর্যবেক্ষক তদন্তে নেমে, নেতার দূরদর্শিতা প্রশ্নবিদ্ধ!
নতুন নির্বাচনী পর্বে প্রাক্তন মন্ত্রীর অভিযোগের মধ্যে যেন একটি নাট্যমঞ্চের রূপরেখা ফুটে উঠছে, যেখানে একটি নেতা যিনি তাঁর কাঠামোগত ক্ষমতার টাকায় জনগণের বিশ্বাসের সঞ্চয় করেছেন, অভিযোগের পাল্লায় পড়ছেন। নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে তাঁর কাছে রিপোর্ট চাইছেন, তবে কি শেষ পর্যন্ত সত্যের অন্বেষণে এই সব নাটকে কোনও আলোকপাত ঘটবে? জনগণের আশা-আকাঙ্খা কি সত্যিই রাজনৈতিক নাটকের চৌকাঠের বাইরে যাবে?

“প্রধান শিক্ষকদের ওপর চাপ: শিক্ষার টাকা বিলম্বে প্রশাসনিক গাফিলতি, নেতৃত্বের ব্যর্থতা ও সমাজের অসন্তোষের প্রেক্ষাপট”
শিক্ষকদের সংগঠন দাবি করছে, ট্রেজারি কিংবা শিক্ষা দফতর যে ভুল করেছে, সে দায় নিতে তারা প্রস্তুত নয়। এর ফলে, যে সব স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা এখনও অর্থ পায়নি, তাদের ওপর চাপ বাড়ছে। সমাজে এই অস্থিরতার মাঝে, গভীর প্রশ্ন উঠছে—শিক্ষার দায়িত্ব নেবেন কে? নেতা না, না ভাবনা?