গণপরিবহন

কলকাতায় পাইপ গ্যাসের অভাবে সিএনজি গাড়ির চাপে গ্যাস সংকট, ২০২৫ সালে অধিক স্টেশন চালুর অঙ্গীকার
কলকাতার বাঙালির রান্নাঘরে পাইপ গ্যাসের স্বাদ যতো দ্রুত আসবে, ততোদিন সিএনজি স্টেশনের অপেক্ষা। ৮,৮০০ গাড়ির চাহিদা মেটাতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়। নেতা গণ বলছেন, প্রজেক্ট তো চলছে, কিন্তু বাস্তবে স্বপ্নের রাজনীতির পর্দা সরালে দেখা যাবে জনতার আক্ষেপ। নিউটাউন যেন এক নতুন যুগের সূচনা, আর পুরনো কলকাতা কী গ্যাসের পাইপে, তলিয়ে যাচ্ছে।

“পার্পল লাইনের নির্মাণে সরকারী প্রতিশ্রুতি: কবে আসবে জনদুর্ভোগের অবসান?”
রাজনীতির মাঝে যখন বিচ্ছিন্ন স্বপ্নের পালে ভর দিয়ে মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পাড়ি দিচ্ছে ১৪ কিলোমিটার, তখন সরকারি ঘোষণায় ২০২৮ বা ২০২৯ সালের আগমন বার্তা যেন বিচিত্র এক নাটকীয়তা। এই মেট্রোর নির্মাণকাজের আড়ালে লুকানো প্রশ্নগুলো আমাদের মনে দোলা দেয়: কি আরেকটি নির্বাচনী কৌশল, অথবা মানবতার জয়গান? যতই লোহার রেলপথ নির্মাণ হোক, কি নির্মল হবে মানুষের হৃদয়ের পথ?

কলকাতা-বাঁকুড়া দূরত্ব কমানোর খোঁজে ট্রেন বাতিল, শাসন ও গণমানুষের সম্পর্ক নিয়ে নতুন সংকটের সৃষ্টি!
মসাগ্রামে ইন্টারলকিংয়ের কাজের জন্য কলকাতা এবং বাঁকুড়ার দূরত্ব কমবে, কিন্তু মানুষের জীবনে চলাচলের অসুবিধা ঘটে ৫২টি লোকাল ট্রেন বাতিল হচ্ছে। সমাজে উন্নতির এই চাপা উচ্চারণে যেন রাজনৈতিক নেতাদের নীতি ও কর্মদক্ষতার বাস্তবতা প্রকাশ পায়, যখন জনসেবা ও সেবা সংকটের মাঝে ব্যাকুলতা ফুটে ওঠে। এসবের মাঝে জনগণের মাঝে চেপে থাকা নেতিবাচক অনুভূতিগুলো কি কোনদিন মুক্তি পাবে?