গণতন্ত্র

প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি: অভিষেকের নাম উঠলো নতুন চার্জশিটে, তৃণমূলের উপর চাপ বাড়ছে
প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির তীব্র অভিযোগে ইডির নতুন চার্জশিটে উঠে এসেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম, যে সংস্থা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে। এ যেন এক নাটক, যেখানে গণতন্ত্রের খেলার মাঠে শোভা পাচ্ছে স্বার্থের চাকা। সাধারণ মানুষের চোখে রাজনৈতিক নেতাদের মুখোশ উন্মোচন হচ্ছে আর প্রশ্ন উঠছে—সত্যিই কি শুদ্ধির পথে হাঁটছে রাজনীতি, না কি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে পুরনো কান্না?

মোদীর দায়বদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক: রাজনীতিতে ক্রিয়ার বিপরীত প্রতিক্রিয়া কি সমাজে পরিবর্তন আনছে?
মূলত ক্ষমতার খেলায়, বিদ্যুতের গতিসূত্রের মতোই, একজন নেতার কর্মকাণ্ডে বোঝা যায় সমাজের অবস্থান। মোদীকে ২০০২ এর দাঙ্গায় দায়ী করা নিয়ে বিতর্ক চললেও, ইতিহাসের এই পাতা যেন ক্রিয়ার পরিণামকেই পুণরাবৃত্তি করছে। সমাজের বিরোধিতা, মতভেদ—সব কিছুর বিপরীতে কিছু প্রভাবশালী এখনও নিজের সুর বদলাতে চায়। কিন্ত সমাজ তো দেখছে, গণতন্ত্রের নাটকে মুখোশের বদলে আসল সম্পর্কের থেকেও বড় বিষয় হলো, সবার করাতের দঁড়ে।

মন্ত্রী পরিচয়ে ভুয়ো সংস্থা পরিচালনার অভিযোগ, শাসকদলের নীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে জনমনে
রাজনীতির মঞ্চে আবার নতুন নাটক, যেখানে একজন মন্ত্রী ভুয়ো সংস্থার জালে আটকে পড়েছেন। অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র শোরগোল। কি অদ্ভুত, তিনি রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষা করে নিজের স্বার্থে পৃষ্ঠপোষকতা করেন, আর জনগণ নামমাত্র খোঁজ রাখেন। সত্যিই তো, এইভাবে কী করে গণতন্ত্রের কাঠামো দাঁড়িয়ে থাকে!

বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতায় জনগণের আহ্বান, হাসিনার ফিরে আসার দাবি শোনা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে অশান্তির মধ্য দিয়ে গণজাগরণের ঢেউয়ে উঠে এসেছে হাসিনা সরকারের ফের ফিরে আসার চাওয়া। উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিবেশে জনগণের অসন্তোষ যেন এক অবিরাম গানের তরঙ্গে গতি পাচ্ছে। তবে, ক্ষমতার লোভে যখন তিমিরে আলো খুঁজে পাওয়া যায় না, তখন কি রাজনৈতিক দর্শনের অভাবটি কেবলই বিদ্রূপাত্মক একটি নাটকের অংশ নয়?

সীমান্তে জমি ও অভিবাসন নিয়ে শুভেন্দুর উদ্বেগ, NIAর হাতে তুলে দেওয়ার আহ্বান
শুভেন্দুবাবুর মন্তব্যে সুস্পষ্ট হলো, নেতৃত্বের ছায়ায় গুমট অস্থিরতা। সীমান্তে জমি নিঃশ্বাস ফেলছে, আর উদ্বাস্তুদের ঢল দেশে অবাধ প্রবেশ। পারদরশিতা কোথায়, যখন গোপন চক্রান্তের অসম্ভব প্রতীক নিয়েই চলছে আজকের গণতন্ত্র? একদিকে ভাঙতেছে আস্থা, অন্যদিকে খয়েরি তারে গাঁথা রাজনৈতিক নাট্যকলা, সমাজ কি সেই অঙ্গনেরই দর্শক?

কালীপুজো নিয়ে বিতর্ক: গ্রামে আমন্ত্রণের মাধ্যমে রাজনৈতিক চাপের আলোচনায় ক্ষুদিরামের উপস্থিতি
শনিবার একটি কালীপুজোর অনুষ্ঠানে ক্ষুদিরামের উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। গর্বিত সংস্কৃতির এই প্রদর্শনীতে, সাধারন মানুষের ভেতরকার মৌলিক বিশ্বাস এবং প্রথার প্রতি একটি গভীর কৌতূহল ফুটে উঠেছে। কিন্তু কি করে কালীপুজোকে শুধু ধর্মীয় উৎসব মনে রেখে চলার মাঝে, আমাদের নেতাদের কর্মকাণ্ডে রাজনৈতিক দুর্গন্ধ? যে আলোচনাগুলি আমাদের সমাজকে সজ্জিত করার পরিবর্তে বিভক্ত করছে, তা কি আদৌ কালীদেবীর আশীর্বাদ পান?

ইডি-র তদন্তে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা: সিবিআইয়ের এফআইআর কি বদলাবে দুর্নীতির চিত্র?
সম্প্রতি সিবিআইয়ের দায়ের করা এফআইআর অনুসরণে, ইডি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় নেতাদের শুদ্ধাচারের কথা শুনে মনে হয়, নীলকন্ঠের মতই তাঁরা কখনো গর্জন করেন, আবার কখনো শান্তিতে নিমজ্জিত। জনগণের হতাশা কি শুধু কল্পনার রঙেই চিত্রিত?

“মানবতার কথা বললেন চিকিৎসক: শত্রুর চিকিৎসা করাকেই ধর্ম বলে মনে করছেন তাঁরা”
সম্প্রতিকালে, চিকিৎসকের অমোঘ ধর্ম নিয়ে আলোচনা চলছে, যেখানে শত্রুরও চিকিৎসা করতে হবে—এটাই মানবতার পরিচয়। তবে প্রশ্ন হলো, রাজনীতির সবখানে কি এই মানবতা বাতাসে ভাসছে? শাসকদের অতি মানুষের মুখোশ খুলে গেলে, সমস্যা ও লক্ষ্যবিহীন নীতিতে আমাদের সমাজের 'শত্রুর' চিকিৎসা কবে হবে? সভ্যতার এই দ্বন্দ্বে, মানবিকতার দিকে আমাদের চোখ কি সবসময় খোলা থাকে?

বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের কারাবন্দী হওয়া: গভীর সংকটের প্রতীক!
বাংলাদেশের ইসকন সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে শাস্তি প্রাপ্তি, সরকারের অগ্রগতির মুখোমুখি প্রশ্ন তুলে দেয়। যেখানে নেতৃত্বের মহানুভবতা আশা করা হয়, সেখানে ঔদ্ধত্যের শৃঙ্খলে বন্দী এক সমাজের দুঃখজনক রেখাচিত্র। এই পরিস্থিতি দেখিয়ে দেয়, শান্তির ভাষণ এখন কেমন করে গলত্রে পরিণত হয়েছে!

কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনা: ভারত সরকারের কাছে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি, সরকার উদ্বিগ্ন!
সম্প্রতি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ধুন্ধুমার কাণ্ড তৈরি হলে সরকারিভাবে উদ্বেগ প্রকাশের চিত্র যেন রাজনীতির নাটক। ভারতে নিরাপত্তা বাড়ে, অথচ সমাজের মধ্যে আতঙ্কের রাজনীতি! এ যেন নেতাদের উদ্যোগ নয়, বরং জনগণের উদ্বেগের প্রতীক। আমাদের চোখের সামনে পরিবর্তনের মাঝে পরিবর্তন—কিন্তু সুরক্ষার নামে যেন চলছে এক অন্তহীন খেল।