গণতন্ত্রের সংকট

শওকত মোল্লার অনুগামীদের হামলায় আতঙ্কিত স্বপন মণ্ডল, রাজনৈতিক টানাপোড়েনে Crescendo সংঘাত
সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে আরাবুল অনুগামী স্বপন মণ্ডলের ওপর শাওকতের অনুসারীদের হামলা, রাজনৈতিক আধিপত্য ও বিক্ষোভের এক নতুন অধ্যায় উন্মোচন করছে। প্রশাসন কতটা নিষ্ক্রিয়; নেতা ও গুণচরিত্রের নৈতিকতার সংকট কী প্রতিফলিত করে—এ প্রশ্ন আজ বাংলার ঘরে ঘরে। সত্যি, রাজনীতির এই নাটকীয়তার মাঝে মানুষের জীবনও কি শুধুই একটি ভোটের মরীচিকা?

কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি, আদালতে হাজির ৪৮ অভিযুক্ত: নতুন অরাজকতার ইঙ্গিত!
আদালতে হাজির ৪৯ অভিযুক্ত, তবে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি যেন সুশাসনের নাটকের একটি মঞ্চস্থ দৃশ্য। কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে জড়িত, অথচ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় সে নিশ্চুপ—এটাই কি আমাদের গণতন্ত্রের আসল লীলাখেলা? জনতার চোখের সামনে, সিবিআইয়ের ক্ষুরধার তদন্ত কিন্তু সরকারের অন্তরালে চলছে এক খেলা। রাজনৈতিক নেতাদের বিভ্রান্তি বা অদূরদর্শিতা কি হচ্ছে নিজেদের দুর্নীতির বিষয়? প্রশ্নগুলো আকাশে, উত্তরগুলো গন্ধহীন।

ফারুক মণ্ডলের গ্রেফতার: রাজনীতির অন্ধকারে প্রশ্নবিদ্ধ নেতৃত্ব ও সমাজের হতাশা বেড়ে চলেছে
ফারুক মণ্ডল আবারও সন্দেহের সংকীর্ণ পথে। পুলিশ যখন তাকে গ্রেফতার করে, তখন তাঁর মুখ থেকে বের হয়ে আসে নানা প্রশ্ন, খাদ্য ও শিক্ষার মতো মৌলিক বিষয়গুলো যখন তরল রাজনীতির উৎসব। সমাজের পরিবর্তনশীল গতি কি সত্যিই নেতাদের জন্য দায়বদ্ধতা বাড়াতে পারে, নাকি এভাবেই চলে অকাল গ্রেফতারির নাটক?

অর্পিতার প্যারোল: সরকারের আইজি সিদ্ধান্তে প্রকাশিত বিতর্ক, জনমত কি বদলাচ্ছে?
রাজনৈতিক অঙ্গনে অদ্ভুত নাটকীয়তা। অর্পিতা, বন্দির মর্যাদা নিয়ে আসা ৫ দিনের প্যারোলের ৪ দিন খরচা করে যাচ্ছেন, আর শেষ দিনটি অমলিন পারলৌকিকতার জন্য! কোথায় গেলো সেই গণতন্ত্রের মর্যাদা? সমাজের দুঃখ-দুর্দশা দেখার দীর্ঘশ্বাস কি শুধুই সুরক্ষিত কারাগারেই থাকে? বর্তমানের যোগাযোগে প্যারোলও যেন রাজনীতির চাতুরি, যেখানে সৃষ্টির পরিসর কমে যায় এবং মানবিকতাও হয়ে যায় এক তামাশার পণ্যে।

নেতৃত্বের পরীক্ষা: ধূপগুড়ির ভাষণে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনার স্রোত, ভোটের আগে সমাজের অন্তর্নিহিত আন্দোলন উন্মোচিত!
বর্তমান রাজনৈতিক নাট্যে, ধূপগুড়ির জটিলতার প্রেক্ষাপটে কিছু নেতৃবৃন্দের আত্মবিশ্বাস যেন একেবারে অদ্ভুত; নৈহাটি থেকে মাদারিহাটে ভোটের ঘোষণায় জনগণের আশা ও অধিকার নিয়ে খেলা চলছে। সংস্কৃতি ও সমাজের মৌলিক অধিকারগুলি ক্রমেই গৌণ হয়ে যাচ্ছে, আর মিডিয়া যেন নিরব দর্শক। জনগণের চিন্তাভাবনায় যে পরিবর্তন হচ্ছেও, তার প্রতিবেদন হচ্ছে যেন কেবল একটি হাস্যকর নাটক।

“রাজনীতির বিষাক্ত কুয়ো: মেডিক্যাল কলেজের হত্যাকাণ্ডে তৃণমূলের উত্তর—সম্প্রদায়ের স্বার্থ ও নারী সুরক্ষার দায়িত্ব!”
জনতার চার্জশিট কর্মসূচিত এক মহিলা আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যার কথা বললেও, তৃণমূল সমর্থকরা সেই বক্তব্যে কটাক্ষ করেছেন। এই ঘটনার মাধ্যমে সমাজের গভীর খারাপ প্রভাব ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অযোগ্যতা আরও স্পষ্ট হলো, যখন মৌলিক মানবতার প্রশ্নে কণ্ঠস্বরগুলি যেন বেঁচে থাকার জন্য একটি সভ্য সমাজের খোঁজেই।

“পুলিশের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ: বিজেপি সাংসদ ও তৃণমূল সমর্থকের দ্বন্দ্বে নড়েচড়ে উঠছে রাজনীতির চিত্র”
বর্তমান রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বিজেপি সাংসদের অভিযোগ ও এক পুলিশকর্মীর প্রকাশ্য তৃণমূল সমর্থনের কথা সুকান্তের নৈতিকতায় সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠিয়াছে। এভাবে গবর্ণেন্সের নিরপেক্ষতা নিয়ে আলোচনা চলতে থাকায়, সমাজের চেতনায় একটি নাটকীয় পরিবর্তন সংঘটিত হচ্ছে, যেখানে নেতাদের কর্মকাণ্ড নতুন সিগন্যাল হাজির করছে। সত্যিই, এই নাট্যসংগীতের কৌতুক দেখে সমাজের মানুষ হাসছেন, নাকি কাঁদছেন?

শাসনের অন্ধকার: ২২০টি ভুয়ো অ্যাকাউন্টে সরকারের প্রকল্পের টাকা পাচারের ঘটনা, জনগণের আস্থা হারাতে শুরু করেছে কি ক্ষমতাসীনরা?
রাজ্যের শাসকদের এক অদ্ভুত নাটকে, সাম্প্রতিক তদন্তে জানা গেছে, হ্যাকাররা সরকারি পোর্টালের তথ্য পাল্টে ফেলেছে, ফলে ২২০টি ভুয়ো ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। এই ঘটনায় সদ্য ফ্রিজ করা ৮৪টি অ্যাকাউন্ট যেন টাকার পাহাড়ের ওপর বসে থাকা শাসকদের জন্য এক নির্মম আয়নায়। বাহবা, সত্ত্বেও জনসাধারণের মুখোমুখি প্রশ্নগুলোর পত্তন কেন হচ্ছে, সে কথা তো আর কেউ শোনে না।