কৃষক আন্দোলন

ধর্মঘটের কারণে রাজ্যে আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসকের ব্যর্থতা স্পষ্ট হচ্ছে।
রাজ্যের আলুর দাম এক মাস্তিতে বেড়ে চলেছে, যখন মুখ্যমন্ত্রী দাম কমানোর উদ্দেশ্যে ভিনরাজ্যে রফতানি বন্ধ করলেন। জনগণের ক্ষোভে ধর্মঘটের ডাক, যেন অসহায় কৃষকরা দাম বাড়ানোর নতুন কৌশল। এখানে শাসকের কর্মসূচি আর জনতার ভাবনার মধ্যে বিস্তীর্ণ একটি শূন্যতা, যা গভীর হাস্যরসের দ্বারা ফুটে ওঠে। কতটা অদ্ভুত যে, কৃষকের হাতের আলু এখন যেন রাজনৈতিক খেলার প্যাদানি!

“আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে পাঞ্জাব নির্ভরতাঃ বাংলায় বীজ উৎপাদনে নতুন উদ্যোগ ও রাজনৈতিক আলোচনা”
বাংলার কৃষির স্বনির্ভরতার গর্বে ভাসতে হলেও, আলুর বীজের জন্য পঞ্জাবের শরণাপন্ন হওয়ার দুঃখজনক সত্য আমাদের সামনে। বিধানসভায় যখন দাম বৃদ্ধির প্রশ্ন তুলে হতাশার স্তব্ধতা গড়াচ্ছিল, তখন সরকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে নিজস্ব বীজ উৎপাদনের। এই সদিচ্ছার মূলে কী আত্মবিশ্বাস, নাকি রাজনৈতিক আপ্তবাক্য? সময়ের দাবি কি প্রকৃত স্বাধীনতার, নাকি মাত্র হোঁচট খাওয়া আত্মমর্যাদার?

বিহারের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি: রাজনৈতিক আলোচনা ও সমাজে সরকারের ভূমিকা নিয়ে নতুন মাত্রা!
বিহারের একটি ছবি নিয়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে, যেখানে প্রশ্ন উঠেছে এর স্বকীয়তা ও সূত্র। সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন মতামত ঝড় তুলে, রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নেতাদের কার্যকলাপকে ব্যঙ্গ করে তুলছে। জনগণের বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ অজানা উদ্দেশ্যসমূহের দিকে ইঙ্গিত করছে, যেন আমাদের প্রাচীন শিল্পীর লেখার মাঝে লুকিয়ে থাকা তীক্ষ্ণ প্রহেলিকার মতো।

“কালীপুজোয় আকাশের খবর এবং রাজনীতির আসরে, শঙ্কার মেঘ কি সরকারের ওপরেও থাকছে?”
কালীপুজোতে আবহাওয়ার পূর্বাভাস যেমন অস্পষ্ট, তেমনই রাজনৈতিক দৃশ্যপট। নেতাদের আগ্নেয়গিরির মতো অঙ্গভঙ্গি কিন্তু জনগণের মধ্যে শ্রীচৈতন্যের প্রেম, নাকি আতঙ্ক? বৃষ্টির ছাঁটাকেও যেন আর বিবেচনা করা হচ্ছে না। দুর্নীতির সুনামি আর স্বান্তনা ভাষণ—ভালোবাসা আর রাজনৈতিক নাটকের সুর যেন অবিরাম চলছেই।