কলকাতা পুরসভা

কলকাতা পুরসভার বৈঠকে পরিবহণ ও শিল্প দফতরের দায়িত্ববান উপস্থিতি, দূষণের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যোগের আশ্বাস!
কলকাতা পুরসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে পরিবহণ ও শিল্প দফতরের পদাধিকারীদের ডাকা হলো, যেন বাতাসে ছড়ানো দূষণ ও তার পরিণতি নিয়ে ভাবনা-ভাবনা করা যায়। এই নাটকের পেছনে কি শাসনব্যবস্থার অনিয়মের আঁতুড়ঘর, নাকি জনগণের অসুস্থতায় তাদের নির্লিপ্ততা? সত্যি, জনগণের স্বাস্থ্যের চেয়ে মন্ত্রীর নিরাপত্তা বাড়ানোই কি বেশি জরুরি?

“পুরসভার উন্নয়নে নতুন উচ্চতা: কলকাতা-হাওড়া-শিলিগুড়িতে ক্রেশ তৈরির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত!”
পুলিশ ও প্রশাসনিক কৌশলে কলকাতা সহ সাতটি পুরসভায় ক্রেশ তৈরি করা হবে, এর মধ্য দিয়েই যেন বারবার শাসন ব্যবস্থা তাদের ওপর ভরসা করে চলছে। নেতাদের যুক্তি আর প্রশাসনের বিবৃতির মাঝে এক বিসদৃশ বিভক্তি তৈরি হয়েছে; যেন সরকার শুধুই বাস্তবতার ছদ্মবেশে আড়াল করতে চায় নাগরিকের মৌলিক চাহিদা। প্রশাসনের সভাগৃহে বৈঠকগুলো মানুষকে কতটা সুরক্ষা দেবে, তা নিয়ে তর্ক চলছে; মনে হচ্ছে, শাসনের গলপলির মধ্যে জনগণের আওয়াজ চাপা পড়ছে।

“কলকাতা পুরসভার নতুন ভবন: তৃণমূলের প্রশংসা-সমালোচনা, ইতিহাসের স্মারক হবে চ্যাপলিন সিনেমা হল”
কলকাতা পুরসভার পুরনো ভবনে অফিসের ভিড় বেড়েছে, অথচ নতুন ভবনের মহাপ্রজেক্টের কাহিণী যেন দেরিতে আসে চ্যাপলিনের হাসির মত! ২০১৬ সালে শিলান্যাস, ২০২০ সালে কাজ শুরু, আর এখন ফলক উন্মোচনের অপেক্ষায়—এটা কি কৌতুক, নাকি শাসনের নাটক? তৃণমূলের হাত ধরে ভবন তৈরির প্রচেষ্টা যেন সমাজের অব্যবস্থার এক প্রতীক, যেখানে প্রথমে পরিকল্পনা, পরে কানা খোঁজা, আর শেষে ইতিহাসের গর্ভে চাপা পড়ে যায় যথার্থতা।

কলকাতার কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে খুনের চেষ্টায় যুবরাজ গ্রেফতার, ষড়যন্ত্রকারী এখনও অধরায়—রাজনীতির অন্ধকারে নাগরিক জীবনের শঙ্কা!
কলকাতা পুরসভার সুশান্ত ঘোষকে গুলি করে খুন করার চেষ্টায় যুবরাজের গ্রেফতার, অথচ ষড়যন্ত্রের মূল চক্রী এখনও অজ্ঞাত। সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল, কিন্তু রাজনীতির এই করুণ কাহিনিতে প্রশ্ন ওঠে—কিভাবে শাসকেরা ভয়ে নতজানু? সমাজের নিরাপত্তাহীনতা কি শুধুই রাজনীতির নাটকীয়তার আড়াল, না কি গভীর মানবিক সংকটের প্রতিফলন?

রাজস্ব ঘাটতি: কলকাতা পুরসভার আয়ে ৭৮ কোটি টাকার পতন, কি বলবে নেতারা?
কলকাতা পুরসভার রাজস্ব আদায়ে ভাঁটা পড়েছে, নির্মম সত্য ফুটে উঠেছে যে, ৭৮ কোটি টাকা আয় কমেছে। এই সংকটে কি আর্থিক শৃঙ্খলার অভাব, নাকি নেতৃত্বের দৃষ্টিভঙ্গির অন্ধকার? জনমানসে প্রতিফলিত হচ্ছে শাসনের অন্তর্নিহিত দুর্বলতা, যেখানে সরকারী খরচের অলঙ্কারে জনগণের আশা করজালে জড়িয়ে যাচ্ছে। সত্যিই কি লালসার মোহে আমাদের নেতারা অন্ধ হয়ে পড়ছেন?