কলকাতা

পকসো আইনে আলোচনায় কলকাতার থানার অফিসাররা, governance নিয়ে গঠনমূলক বিতর্কের আবহ তৈরি হচ্ছে।
কলকাতার থানার অফিসাররা যখন পকসো আইন নিয়ে আলোচনা করেন, তখন রাজনীতি ও সমাজের মাঝে গভীর দ্বন্দ্বের কোনা এক চিহ্ন ফুটে ওঠে। লালবাজারের কর্তারা সরকারি নীতি প্রসঙ্গে সতর্ক, যেন তারা বলছেন—"আইন আছে, কিন্তু নৈতিকতা? সেই তো হারিয়ে গেছে!" সত্যি, বিদ্রুপের সময় এসেছে, সমাজের শক্তি এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

কলকাতায় গভীর নলকূপের উদ্বেগ: জলস্তরের সংকটে সরকারের নীরবতা কি বিপর্যয়ের কারণ হবে?
কলকাতার জলস্তর বিপন্ন, এবং আমাদের রাজনীতির শীর্ষ নেতারা অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত। যেভাবে পরিবেশকর্মীরা ও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, তাতে মনে হচ্ছে গভীর নলকূপের সঙ্গে বন্ধুত্বই সংকটের আসল কারণ। জল, যা জীবন—মাটি, যা মা, দুটোর প্রতি আজকের দায়িত্ব পালন করা কি আমাদের রাজনৈতিক ব্যবস্থার আলস্যের মুখে হাসির পাত্র নয়?

সিবিআইয়ের ভূমিকা নিয়ে বাবা-মার হতাশা, তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডে উঠেছে নতুন প্রশ্ন
কলকাতার তরুণী চিকিৎসক হত্যার ঘটনায় সিবিআইয়ের মন্থর গতির পর বাবা-মার হতাশা নতুন দ্বন্দ্বের জন্ম দিয়েছে। গণিকাপ্রতিভা ও সমাজে নারীর নিরাপত্তার প্রশ্নে, প্রশাসন এখন চূড়ান্ত নযির হয়ে উঠলেও, কি আদৌ বদলাবে আমাদের মনোভাব? অন্তর্ভুক্তির বদলে বিচ্ছে ভরপুর এই রাজনীতির পরিসরে, নিষ্ঠুর সত্যগুলি যেন প্রহসনে পরিণত হয়ে যায়।

মমতা বন্দ্যোপाध্যায়ের তুলোধোনা: বঙ্গ ও বিহারের বিতর্কিত দখলবাদ নিয়ে তীব্র মন্তব্য ও হুঁশিয়ারি
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় 최근 বাংলাদেশিদের প্রতি তীব্র বক্তব্য রেখেছেন, দাবি করেছেন তাঁদের কলকাতা দখলের হুমকি। এই অবস্থায় প্রশ্ন উঠছে, রাজনৈতিক শ্লগানে কবে হবে সুবোধের রাজনীতি? বৃহত্তর বাংলা, বিহার ও ওড়িশার স্মৃতিচারণে ফিরে যাচ্ছে সমাজ, যেখানে governance-এর মুখ কিছুটা আড়ালে পড়েছে, জনতার গলায় একটি নতুন সুর।

বিপদে বাংলাদেশ: প্রাক্তন সেনা কর্তাকে কেন্দ্র করে কলকাতা দখলের বিতর্কিত দাবি
সম্প্রতি বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একটি প্রাক্তন সেনা কর্তাকে কলকাতা দখলের সাহসিকতার কথা বলতে শোনা গেল। চার দিনের পরিকল্পনা! রাষ্ট্রের সূক্ষ্ম সুতোর খেলা যেন লীলার একটি নাট্য নির্দেশিকা, যেখানে নেতৃত্বের অক্ষমতা এবং গণমানুষের বিকার এক সূত্রে গাঁথা। কৌতুক আর অবজ্ঞায়, এ যেন চলমান রাজনৈতিক উনমননের একটি প্রহসন।

কলকাতায় পাইপ গ্যাসের অভাবে সিএনজি গাড়ির চাপে গ্যাস সংকট, ২০২৫ সালে অধিক স্টেশন চালুর অঙ্গীকার
কলকাতার বাঙালির রান্নাঘরে পাইপ গ্যাসের স্বাদ যতো দ্রুত আসবে, ততোদিন সিএনজি স্টেশনের অপেক্ষা। ৮,৮০০ গাড়ির চাহিদা মেটাতে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়। নেতা গণ বলছেন, প্রজেক্ট তো চলছে, কিন্তু বাস্তবে স্বপ্নের রাজনীতির পর্দা সরালে দেখা যাবে জনতার আক্ষেপ। নিউটাউন যেন এক নতুন যুগের সূচনা, আর পুরনো কলকাতা কী গ্যাসের পাইপে, তলিয়ে যাচ্ছে।

কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায় ডাউন; সম্প্রীতির আবার্তা, সংকট ও সমাজের চিত্র প্রকাশ পায় HT বাংলার প্রতিবেদনে।
কলকাতার মিনি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক বিরম্যতা আর আধপেটা জীবনের বাস্তবতায় খুব একটা সম্প্রীতির শিক্ষা মিলছে না। রাজনীতি সেখানে যেন খেলা, যেখানে নেতারাই নিজেদের স্বার্থে জনগণের দৃশ্যপটকে তাচ্ছিল্য করে চলেছেন। কিছু হলেও খবর চাউর হচ্ছে, কিন্তু তাদের কথায় কি জনগণের ক্ষুধা মেটানো যাবে?

মেট্রো পরিষেবার সংকট: কর্মী অভাব সত্ত্বেও পরিচালনায় অনবদ্য মেট্রো কর্তৃপক্ষ, প্রশ্ন তুলছে শাসনের সক্ষমতা
সম্প্রতি জানা গেছে, একাধিক মেট্রো স্টেশনে কর্মীর সংখ্যা যথাযথ না হলেও মেট্রো পরিষেবায় কোনও বিঘ্ন ঘটেনি, যা শাসনের সম্রাট ও কর্মীদের অকপট দক্ষতার শৌর্য গাহন করে। তবে, জনতার মাঝে প্রশ্ন ওঠে, কি টেকসই উন্নয়ন রূপ নেবে, যেখানে বিভিন্ন কর্মী একটিমাত্র সেতুর মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত!

করণ অজলার নতুন ট্যুর: ভক্তদের জন্য উপভোগ্য অভিজ্ঞতার প্রতিশ্রুতি!
কলকাতার সিনে প্রেমীদের জন্য, তাদের প্রিয় গায়কের লাইভ কনসার্ট উপভোগ করা একটি স্বপ্নের মতো। তবে, সাম্প্রতিক কোল্ডপ্লে কনসার্টের টিকিট পাওয়ার প্রতিযোগিতা দেখাচ্ছে যে ভক্তদের জন্য এই অভিজ্ঞতা কতোটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। করণ অুজলা তার আসন্ন 'It Was All A Dream' ট্যুরে ভক্তদের নতুন কিছু উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে শিল্পী-ভক্তের সম্পর্ক সহজতর করতে টিকিটিং সিস্টেমের উন্নতির প্রয়োজন বলছেন।

কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনা: ভারত সরকারের কাছে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি, সরকার উদ্বিগ্ন!
সম্প্রতি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ধুন্ধুমার কাণ্ড তৈরি হলে সরকারিভাবে উদ্বেগ প্রকাশের চিত্র যেন রাজনীতির নাটক। ভারতে নিরাপত্তা বাড়ে, অথচ সমাজের মধ্যে আতঙ্কের রাজনীতি! এ যেন নেতাদের উদ্যোগ নয়, বরং জনগণের উদ্বেগের প্রতীক। আমাদের চোখের সামনে পরিবর্তনের মাঝে পরিবর্তন—কিন্তু সুরক্ষার নামে যেন চলছে এক অন্তহীন খেল।