উপনির্বাচন

রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থীতা, সুখেন্দুর জন্য বিপদে সিট বজায় রাখার চাপ
রাজ্যসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুনঃপ্রবেশে রাজনৈতিক খেলার বাঁশি বাজছে, যেখানে সুখেন্দুর মত নেতারা নিজেদের স্থান ধরে রাখতে মরিয়া। ২০ ডিসেম্বরের উপনির্বাচন যে কেবল ভোটের খেলা নয়, বরং অতীতের কালো ছবির চাদর উড়িয়ে দেয়া এক ভক্তি প্রকাশ। জনচেতনায় নেতাদের বদলে গিয়ে মৌলিক প্রশ্ন উঠছে—ক্ষমতার খেলা কি আদৌ জনহিতকর?

তৃণমূলের অব্যাহত সাফল্য, পাহাড়ের পুরসভা নির্বাচনে ফের হাকিমের আশ্বাস!
চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের তালে সব উপনির্বাচন জয় করে তৃণমূল কংগ্রেস যেন সূর্যের প্রভা ছড়িয়ে দিচ্ছে উত্তরবঙ্গের আকাশে। বেলারঙা হাওয়ায় ফিরহাদ হাকিম পাহাড়ের পুরসভাগুলোর নির্বাচনের নিশ্চিত আশ্বাস দিচ্ছেন, কিন্তু রাজনৈতিক এই আশার পেছনে কী বাস্তবের কাঁটা লুকিয়ে আছে? সমাজের সত্য, সহজাতভাবে প্রকৃতির মতোই, কবির লেখায় চিরকালীন, অথচ রাজনীতির মঞ্চে ছন্দপতন।

“তৃণমূলের বিপুল জয়, শুভেন্দুর দাবি: ‘উপনির্বাচনের প্রভাব সাধারণ নির্বাচনে পড়ে না’ – রাজনৈতিক তরঙ্গ রাঙাচ্ছে রাজ্য!”
রাজ্যের উপনির্বাচনের ফলাফল তৃণমূলের বিপুল জয়ে প্রমাণ করে, সরকারকে সাধারণ মানুষের মুখোমুখি হতে হবে। শুভেন্দু বাবুর দাবি, নির্বাচনী ফলাফল সাধারণ নির্বাচনে প্রভাব ফেলার মতো নয়, যেন এক ভাসমান মনোভাব। তবে, জনগণের বোধ এমন যে, পরিবর্তনের স্রোতকে আর আটকানো সম্ভব নয়, রাজনৈতিক নাটক সারাবছর চললেও।

মমতার অক্সফোর্ড সফরের প্রস্তুতি, উপনির্বাচনের ফলাফলের পূর্বে রাজনৈতিক গল্পে নতুন মোড়!
কদিন পরেই ৬টি উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হবে, তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর বিদেশ সফরের প্রস্তুতি। অক্সফোর্ডের স্মারক বক্তৃতায় অংশ নিতে চাওয়া, কিন্তু জনগণের সমস্যা নিয়ে ভাবনা রক্ষার সময় কোথায়? আমাদের রাজনীতির অংকে যেন নেতাদের ব্যস্ততার মধ্যে আমৃত্যু আত্ম-উলনবনে সমাজের বাস্তবতা পড়ে থাকে, গূঢ় অন্তর্দৃষ্টি মনে করিয়ে দেয়—শাসনের নাট্যরূপ কখনো শেষ হয় না।

মমতার উত্তরবঙ্গ সফরে ভোটযুদ্ধের প্রস্তুতি; উপনির্বাচনে শাসকের আবেদন: জনগণের আসল মুখচ্ছবি কী?
উত্তরবঙ্গের পল্লিগ্রামগুলো এখন মুখ্যমন্ত্রীর পদধ্বনিতে মগ্ন, যিনি ১৩ নভেম্বরের উপনির্বাচনে জনতার মন জয় করতে সদা প্রস্তুত। কিন্তু এই কার্যক্রমের মাঝে তার আবেদন যেন রাজনৈতিক নাটকের এক বিস্তৃত স্ক্রিপ্ট। নির্বাচনের ফলাফল ২৩ নভেম্বর প্রকাশ হবে, সেইসঙ্গে গণমানুষের আশা আর হতাশার ঝিলমিল। কি নির্মম! নির্বাচনী তপ্ত বাতাসে তার বার্তা যেন প্রতিশ্রুতির মায়াজাল, যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লড়াইয়ের আকুতিও ভাসমান। কতটুকু পরিবর্তন আসবে এই সাধনার মাধ্যমে? কষ্টে লেখার সময়ে, আমাদের রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে বন্দী থাকা কি সত্যিই নতুন পথের সূচনা?

“উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে উত্তাল ঢেউ: তৃণমূল নেতাদের ‘কড়া দাওয়াই’ ও উপনির্বাচনের চ্যালেঞ্জ”
দিনহাটায় তৃণমূলের সভা যেন এক নাটকীয়তা নিয়ে হাজির হয়েছে, যেখানে উদয়ন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রীর কণ্ঠে দলের নেতা-কর্মীদের জন্য ঘুরে দাঁড়ানোর নির্দেশনা, যেন সৃষ্টির হাতে দিয়েছিলেন চ্যালেঞ্জ। আর ১৩ নভেম্বরের উপনির্বাচন নিয়ে আলোচনা যেন আমাদের সমাজের গভীর রাজনৈতিক স্রোতের দিকে এক নজর। দক্ষতার অভাব অথবা দর্শনের আলোচনা, আটপৌরে রাজনীতির মঞ্চে এক মনোরম তামাশার জন্ম দেয়। জনগণের বিশ্বাস, নেতাদের বক্তব্য এবং নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়া আসছে, ততই যেন দর্শকের মাঝে তরঙ্গব্রেকের সুর উঠছে।