আন্দোলন

জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের মুখ আসফাকুল্লা নাইয়া: আইন ভেঙে সেবার প্রতি অটল বিশ্বাস
জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু আসফাকুল্লা নাইয়া, নিয়মের বাইরে গিয়ে ভালো কাজকে অপরাধ বলার অভিযোগে দাঁড়িয়ে গেছেন। তার বক্তব্যে উজ্জ্বল হয়ে উঠছে আমাদের সমাজের অশান্তি, যেখানে সামর্থ্য ও দক্ষতার তুলনায় পদ এবং নিয়মের রাজনীতি উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে স্তব্ধ করছে। রাজনীতির এই নাটকীয়তার মাঝে, আসফাকুল্লার কথায় যেন বিদ্রুপের সুরের নাচ, যেখানে প্রশ্ন উঠছে: সত্যিই কি 'বিশেষজ্ঞ' হতে ট্রেনির মতো সাধনা প্রয়োজনে?

হাওড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সংকট: নেতা ও প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি, জনগণের অপেক্ষা!
হাওড়ার বাসিন্দারা যেন অন্ধকারে অপেক্ষামান, তাদের জীবনযাত্রা যখন সুখের সিংহদ্বার থেকে দূরে, তখন সরকার প্রতিধ্বনিত করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা সাবস্টেশন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিদ্যুৎসঞ্চার কতটা বাস্তবে আসবে আর কতটা রাজনৈতিক আশ্বাস? পার্থপ্রতিম দত্তের অভিযানকে মনে হয়, বিষণ্ণ জনগণের লোভোল্টেজ থেকে মুক্তি দেওয়ার একটি নাটক, তবে সঠিক সমাধান কি আসবে এদের কষ্টের?

কবে জামিন পাবেন পার্থ? বড়দিনে জেলে থাকবেন নাকি মুক্তি পাবে নেতা, জনমনে কৌতূহল।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের প্রশ্নে রাজনীতির নাটকীয়তা যেন শেষ হয় না। বড়দিনের এ প্রহেলিকায় সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি ও শাসকদলের কর্মকাণ্ডের মধ্যে গভীর প্রতিফলন ঘটছে। জনমানসে ক্ষোভের ঢেউ ওঠে, যখন নেতাদের জন্য আইন অবরুদ্ধ, কিন্তু সাধারণের জন্য তা মুক্ত। এই দ্বিচারিতার মাঝেই সমাজের প্রতিটি সংকল্পের আলো-আঁধারির খেলা।

বিশ্বভারতীতে শ্রীবিদ্যুত চক্রবর্তী যুগে ফের বিক্ষোভ, বিজেপি-আরএসএসের আলোচনায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে!
বিশ্বভারতীতে বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর অধীনে গর্জনসংক্রান্ত আন্দোলন যেন এক অদ্ভুত চিত্রায়ণ, যেখানে বিজেপি ও আরএসএসের নেতাদের উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হয়ে উঠেছিল কালো ছায়ার মতো। জাদুকরি নেতৃত্বের অবসানে সেখানকার আন্দোলনের তীব্রতা কমলেও, রাজনীতির মঞ্চে সামাজিক মননশীলতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তো উঠছেই। কেমন যেন শূন্যতা, যেন কথা বলার জন্য জীবনের কাদায় ধাক্কা খাচ্ছে প্রতিবাদ।

“রত্নগর্ভা সমাজের মূর্তি: জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদে সরকারের শিরদাঁড়ায় শক্তি ও দুর্বলতার খেলা”
রাজ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিবাদের অঙ্গ হিসাবে মূর্তিটি প্রদর্শন করা হচ্ছে, যেন একদিকে চলমান প্রশাসনিক উদাসীনতার নিন্দা করা হয়, অন্যদিকে সমাজের অসংবেদনশীলতা প্রকাশ পায়। মনে হচ্ছে, রাজনীতির ক্রীড়াঙ্গনে চিকিৎসার আশা আজ শুধুমাত্র অভিনেতাদের খেলার ক্ষেত্র। জনতার মনের অন্তর্দৃষ্টি কি এক সময়ে সত্যিই মূর্তি পাবে?

“মহার্ঘ ভাতার দাবিতে আন্দোলন, প্রশাসনের বাধায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ গ্রুপ–ডি ঐক্য মঞ্চের সংকট!”
মহার্ঘ ভাতার দাবিতে গ্রুপ–ডি ঐক্য মঞ্চের ধরনায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পুলিশ, যেন নিরঞ্জনের ভেতরে রেখেছে বিবেকবিচারের কোদালে; কলকাতা হাইকোর্টের দিকে দৃষ্টি ফেরানো এক অব্যক্ত প্রশ্ন, সরকারি ক্ষমতার খোঁজ? আর ভাবুন, কবে নবান্নের সামনে জনগণের চিৎকার들 হবে স্বাধীন সুরে, নাকি শাসকদের দৈন্যদশার প্রতিধ্বনি হয়ে থাকবে?

“নিজের অতীতকে আলিঙ্গন করে সিপিএম: নকশালদের সাথে অস্থায়ী প্রেমের খেলা!”
রাজনীতির অমলিন চালে, সিপিএম আজ নকশালদের সাঙ্গ করে ভোটের দলে নামার চেষ্টা করছে, একসময় যাদের কাঁকসাল বলে খোঁচা দিত। ডাক্তারদের আন্দোলনে ইন্দ্রিয়ম্মাল এই জোটের প্রমাণ দেয়, সরকারী কার্যকলাপের খোলসের ভেতর তালাশ করছে শক্তিপরীক্ষা। দুর্বলের হাত ধরার এই নাটক আদর্শের বদলে বর্তমানের রঙিন রাজনৈতিক প্যালেটে জীবনের তীব্রতা ইউনিসুনে বাঁধছে।

“দুর্গাপুরের স্কুলে শিক্ষক-ছাত্রী অশালীন ঘটনার অভিযোগ: আমাদের সমাজে কি শিক্ষা এবং নিরাপত্তা এখন ভ্রমর গানের মতো?”
দুর্গাপুরের সরকারি স্কুলের অভিভাবকেরা যখন শিক্ষক হিসেবে যোগদানকারী এক অশালীন কর্মীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে সরব, তখন আমাদের সমাজের নৈতিকতার সংকট যেন প্রকাশ্যে এসে দাঁড়িয়েছে। শিক্ষার sanctum হারিয়ে ফেললে, কেমন করে গড়ে উঠবে ভবিষ্যত প্রজন্ম? নেতাদের নিদ্রার মাঝে, একদিকে প্রশ্নবিদ্ধ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা; অন্যদিকে, ছাত্রীদের নিরাপত্তার প্রতিজ্ঞা। কিছুর পরিবর্তন হবে তো, নাকি অভিভাবকদের সুর নেয়ার সুযোগেও সরকারী গুন্ডামি?

“আবহাওয়া বদলাচ্ছে, বিচারবিরোধী সব হত্যায় আইনজীবীদের নবান্ন: অভয়ার পরিবার শান্তি ও সত্যের খোঁজে!”
অভয়া শান্তির খোঁজে যেসব আইনজীবী সমর আওয়াজ তুলছেন, তাদের উদ্দেশ্যে এক নেতার পরামর্শ—মামলাটি পশ্চিমবঙ্গের বাইরের আদালতে নাকি স্থানান্তরিত হোক, যেখানে সত্যের আলোর মুখ দেখার সুযোগ থাকবে। কিন্তু এ কি অদ্ভুত এক নাটক নয়? রাজনীতির গল্পে দ্বন্দ্ব আর নাটকীয়তা যেন প্রাণের মন্ত্রও। অভয়া এবং তার পরিবার আরও একটি রাজনৈতিক খেলার অঙ্গ, যেখানে শান্তি ক্রমশ বিস্মৃতির গহ্বরে বিলীন হতে বসেছে।

“গুরুতর অভিযোগের মাঝে সায়ন্তিকার মিছিল: سياسية নাটকের একটি নতুন পর্বের সূচনা!”
তন্ময়ের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের আবহে সায়ন্তিকা যেন এক নতুন যাত্রায় পা রাখছেন, উত্তরের বারানগরে মিছিলের ডাক দিয়ে। বিকেল চারটেয় শুরু হবে তার নেতৃত্বে, এরপর দক্ষিণ বরানগরের মিছিলও অপেক্ষমাণ। এই রাজনৈতিক নাটকের পটভূমিতে প্রশ্ন উঠছে, নেতৃত্বের আসল মুখ কোনদিকে, এবং আমরা যাদের জন্য আশার আলো দেখছি, তারা কি সত্যি আমাদের প্রত্যাশার অগোয়াড়? রাজনৈতিক মহলের গেমপ্লে যেন এক দার্শনিক প্রশ্নের সম্মুখীন—ক্ষমতার চাতুরিতে কখনো মানবতা হারায়, অথবা মানবতার পথিকৃৎ হয়ে ওঠে?