আইন-শৃঙ্খলা

ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় জামিন পেয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিলেন সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল
তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সন্দীপ ঘোষ ও প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের জামিনের খবরে যেন এক নতুন রাজনৈতিক নাটকের সূচনা হল। সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ মিষ্টি আভাস দেয় বর্তমান শাসনের নৈতিকতায়। কেমন রহস্যময় এই সমাজ, যেখানে আইন ও ন্যায়ের চাবিকাঠি ক্রমশ অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিন্দায় উচ্চরশ্মি, সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় কামদুনির মামলার খালাসের বিষে প্রশ্ন উঠছে
রাজনীতি আজ এক অদ্ভুত খেলা, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিয়ে আপত্তি তুলে সমালোচকেরা প্রশ্ন করছেন, কৃতিত্বের তাড়াহুড়ো কেন? দীর্ঘ দশক পরিণতিতে দোষী কি সত্যিই বিচার পাবে, নাকি কামদুনির মামলার মতো কেবল খালাসের গল্প বর্ণিত হবে? একদিকে মানুষের বিশ্বাস, অন্যদিকে শাসকের অপশাসন, এই দ্বন্দ্বে সমাজের রূপ বদলাচ্ছে।

“ছাত্রদের জন্মদিন পালনে প্রাণহানির ঘটনায় উত্তাল রাজনীতি: সরকারের ওপর ক্ষোভ ও নিরাপত্তা প্রশ্নের উথ্থান!”
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিশোর মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনের উদাসীনতা ও সামাজিক মূল্যবোধের দুর্বলতা আবারও সামনে এসেছে। ছয় তরুণের জন্মদিন উদযাপনের মুহূর্তে তাদের নিখোঁজ হওয়া এবং বাড়িতে না জানানো চিত্তাকর্ষক প্রশ্ন সৃষ্টি করে; কীভাবে যুবসমাজের এ বৈপরীত্য দেশের শাসনকর্তাদের খারাপ কাজের প্রতিফলন? আমাদের সমাজের অন্ধকার চরিত্র কি নতুন করে উন্মোচিত হচ্ছেনা?

মমতার সাড়ে ১৩ বছরের শাসনে ‘ছোট্ট’ ধর্ষণ: রাজনীতির নাটক ও সমাজের বিপর্যয়!
রাজনীতির এ অঙ্গনে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনার পাঁচফোড়ন যেন গণতন্ত্রের ক্ষতি করছে। যখন তিনি ধর্ষণকে 'ছোট্ট ঘটনা' বলেন, তখন সমাজের বিবেক নিভে যায়। এইলাই বা কি তার ১৩ বছরের শাসনের প্রতিনিধি? জনগণের সারাংশ, আজও কি ধুলোবালির সঙ্গে এসব ভেসে যাবে, নাকি মাতৃস্বরের অঙ্গীকারে নতুন পথ তৈরী হবে?