অনুব্রত মণ্ডল

মমতার কৌশল: কয়লা পাচার মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েও অনুব্রতকে কেন পার্টির নেতৃত্বে রেখেছেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ ২ বছর জেলবন্দি থাকা অনুব্রতকে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরাননি, কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর বোলপুরে ফেরা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। কি হাসি! রাজনৈতিক ভবিষ্যত যেন এক নাটক, যেখানে নায়ক কবির অক্ষরশূন্য। জনতার মাঝে কি আসল সত্যি, নাকি মহাকাব্যের চরিত্রগুলি শুধুই প্রতীক?

“অনুব্রতের হাত ধরে মমতার জয়ের থমথমে যাত্রা: কর্মী থেকে নেতা, রাজনীতি কি আদৌ দামি?”
বর্তমানে অনুব্রত মণ্ডল ভেবে দেখছেন, নেতা তো হওয়ার নয়, বরং তিনি তৃণমূলের এক সাধারণ সৈনিক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়ে, রাজনীতির মায়া কাটিয়ে চলে যেতে চান—এ যেন এক নতুন গান! কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, নেতার পদ থেকে বিদায়ের সুরটা কি আসলেই ভিন্ন। এ ভাবে জনগণের সেবা নিয়ে কতদিনের এই নাটক? সমাজের দাবি কি সংবাদমাধ্যমের চেয়ে বেশি নয়? শাসকের রাজনীতির চালে সমাজ সঙ্কটে আর কত দিনের নীরব প্রহর?

“আমাদের নেতারা কর্মী, কি হাস্যকর! মুখ্যমন্ত্রী হতে চান, রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা; তৃণমূলের ভবিষ্যৎ কি অন্ধকার?”
অনুব্রত কেমন 'কর্মী' বলে নিজেকে নামে নামিয়ে রেখেছেন, যেন রাজনৈতিক স্রোতে কোন বালতি বন্দুক নয়, বরং এক অসহায় মাছ ধরার জালের কাহিনী। মমতার জয় চান, কিন্তু তার পর মোহনালালীদের ব্যবসায়িক সুরোনিমন্ত্র আরও গতে গড়ে উঠেছে। রাজনীতির পাটে, 'মহান নেতা' মমতা ছাড়া সবাই কেবল দলের সৈনিক—হায় রে, কখনো না সমগ্রজীবনের নেতা হয়ে যাওয়ার ভান। এ যেন বঙ্গবন্ধুর দেশ থেকে কেবল বিরস্যি নাম।