News

গ্রন্থাগার মন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষা না থাকলে নেতারা গালিগালাজই করবেন, ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ
বাংলার গ্রন্থাগার মন্ত্রীর কথায়, বিজেপি নেতাদের ধর্মীয় গ্রন্থ পড়ার পরামর্শ যেন সুরে সুরে একটি নতুন নাট্যকাহিনী রচনা করছে। প্রণিধানীয় সাংবিধানিক জ্ঞানের অভাবে গালাগালির দৌরাত্ম্যের মাঝে, মহাভারত বা গীতার প্রতিধ্বনি নিশ্চয়ই নির্বাচনী নৈতিকতার একটি প্রসঙ্গ উত্থাপন করবে—যেখানে পাঠ্যপুস্তক নয়, ধর্মীয় বর্ণনায় জাতির চরিত্র নির্মাণের যুক্তি শোনা যাবে। তবে, প্রশ্ন জাগে, এই পাঠদানে কি সত্যিই সভ্যতা ও নৈতিকতা ফিরে আসবে?

সুন্দরবন নদীবাঁধ সংস্কারের জন্য ৪১০০ কোটি টাকার প্রকল্প, কেন্দ্রের অনুমোদন নিয়ে বিতর্ক তীব্র হচ্ছে
সেচমন্ত্রীর বক্তব্যে জানা গেছে, সুন্দরবনে নদীবাঁধ সংস্কারের জন্য ৪১০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের হাত ধরে আসা এই অর্থে আমরা কি নতুন আশা দেখতে পাচ্ছি, নাকি আরও উন্নয়নের নাটকে হারানো সময়? কেন্দ্রীয় অনুমোদনের অপেক্ষায়, প্রকৃতির পরিবর্তনে মানুষের নৈতিকতার বদল কি আসলেই সম্ভব?

মুর্শিদাবাদে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, তদন্তে পুলিশের তৎপরতা বৃদ্ধি
মুর্শিদাবাদের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রুজু হয়েছে, যিনি হয়তো সমাজের অভিজাতদের সুরক্ষা তৈরির ফাঁক গলে উদ্যোগ আর নৈতিকতার দায়িত্ব পালনে অক্ষম। মানবিকতার এ পরিণতি কি শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, নাকি আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির আঁতুড়ঘরে লুকিয়ে থাকা সিস্টেমের প্রতি এক নির্মম প্রতিফলন? নেতাদের উচ্চাভিলাষী সংলাপ কি আদতে জনগণের দুর্দশার সাথে নাচের এক অদ্ভুত সমীকরণ?

মেট্রো রেলে যাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা, পরিষেবা বিপর্যয়ে জনমানসে ক্ষোভ, সরকারের ওপর চাপ বৃদ্ধি
মানুষের জীবনের অমোঘ নাটক আবার ঘটল এসপ্ল্যানেড স্টেশনে, যখন একজন যাত্রী ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়ার অযৌক্তিক ঘটনাটি ঘটাল। সিপিআরও রাকেশ কুমারের তথ্যমতে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও, প্রশ্ন তো উঠছে—ক্ষমতার কেন্দ্রীয় দপ্তরগুলো কি এ ধরনের পরিণতি এড়াতে পারবে? সত্যি কথা কি, সমাজে কিছু পরিবর্তনের বদলে সংকটের যাত্রাই অব্যাহত।

পঞ্চগড়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসা নাবালিকা: রাজনৈতিক বিতর্ক ও মানবিক সংকটের নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের একটি নাবালিকা পায়ের জোরে সীমান্ত পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করে, বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে। এই ঘটনায় সরকারের সীমান্ত নিরাপত্তার প্রতি প্রশ্ন উঠছে, যেন নেতাদের প্রতিজ্ঞা, আদর্শের পিছনে খোঁজার মতো। সমাজের দুর্দশা আর নাবালিকার নিরাপত্তাহীনতা যেন রাজনীতির নির্বিকার মুখোশের আড়ালে মায়ার জন্ম দেয়।

সুপ্রিম কোর্টে সিবিআইয়ের দাবি: নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রশ্নে উত্তপ্ত বিতর্ক
সুপ্রিম কোর্টে আরজি শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার কথা শুনে মনে হলো, রাষ্ট্রীয় যন্ত্রণা যেন একটি নাটকের স্ক্রিপ্ট। নির্যাতিতার বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগের দাবি সামনে আসার পর বিচারক কেচ্ছার দিকে তাকালেন। সত্যি কি বিচার, নাকি কেবল প্যাঁচ? বৃন্দা গ্রোভার মনে করিয়ে দিলেন, সরকারের নৈতিকতার আকাশে ভারী মেঘ। কবে হবে সেই সুবর্ণ দিন?

ত্বহা সিদ্দিকির বক্তব্য: ভারতের বিরুদ্ধে দাঁড়ালে শুন্যতা নয়, শক্তি প্রদর্শনে প্রস্তুত বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
ত্বহা সিদ্দিকির মন্তব্যে রাজনৈতিক বত্তমালে নতুন উত্তাপ এসেছে, যেখানে ভারতীয় সীমা নিয়ে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সমন্বয়ের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। মনে হচ্ছে, গর্জনগুলো যেন শুধু শূন্য গেইটে, কারণ বর্তমান সরকারী কৌশলগুলি স্রেফ কথার ফুলঝুরি। ভারতের মাটির প্রতি এই বর্বর হুমকি সমাজে শুধুই বিভক্তি বাড়াচ্ছে, নতুন করে চাটুকারিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলছে। সত্যি, শক্তির ইউরোপীয় কল্পনাই কি নিছক বালনের দোলনায় পরিণত হলো?

মালদার তৃণমূল নেতার মন্তব্য, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত খোলার প্রস্তাব ও সংখ্যালঘুর দাবির প্রতিবেদন
মালদার তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি টিঙ্কুর রহমান বিশ্বাসের সাম্প্রতিক মন্তব্য, 'পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যালঘুরা বাংলাদেশ দখল করবে', যেন এক নতুন রাজনৈতিক নাটক রচনা করছে। উত্তপ্ত সীমান্তে রাজনীতির এই হাস্যকর উন্মোচন, সম্প্রদায়ের অনাসৃষ্টি কাঁপানোর পাশাপাশি, governance dynamics-এ প্রশ্ন তুলছে। রাজনৈতিক নেতাদের ভাষণ যেন পলির শব্দে মিশে যাচ্ছে, আর সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন—কতদিন এই অন্ধকারে হাঁটবো?

আরজিকর মামলায় আইনজীবীর সরে যাওয়া, সরকারকে প্রশ্নে ফেলছে সমাজের নৈতিক দায়িত্ব ও ন্যায়ক্ষমতার বিশ্বাস।
আরজিকর মামলার নাটকীয় পরিবর্তনে, নির্যাতিতার আইনজীবী সরে যাওয়ার পর রাষ্ট্রের কলঙ্কের কাহিনীর পৃষ্ঠায় আরেকটি অন্ধকার ছায়া পড়ল। রাজনৈতিক মহলে নানান প্রশ্ন উঠছে—কার ইচ্ছায় বন্ধ হলো ন্যায়ের সুতো? জনতার মনের আকাশে ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে বিক্ষোভের মেঘ। সত্যি কি আমরা গণতন্ত্রের এই ট্র্যাজেডিতেই বন্দী?

পার্থ ও জ্যোতিপ্রিয়: রাজনীতিতে সাধারণের ক্ষোভ ও নেতা-প্রশাসকের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব চলছে
পার্থ ও জ্যোতিপ্রিয়র মধ্যে মিল বলতেই মনে হচ্ছে—দুই কূটনীতিবিদের লুকানো কৌশলগুলি যেন এক সুতোয় গাঁথা। বর্তমান রাজনৈতিক নাটকে সরকারের ব্যবস্থাপনার গুণগত মান নিয়ে সবার মনে উঠেছে নানান প্রশ্ন, আর সাধারণ জনগণের হতাশার কাহিনী যেন ডিজিটালে মুড়ে দেওয়া লজ্জার পাকে। সত্যিই, রাজনীতির মঞ্চে এক অদ্ভুত হাস্যরস ফুটে উঠেছে, যেখানে সমালোচনা হয়ে গেছে শিল্প এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা রূপান্তরের হাতিয়ার।