Sarkari Result
Sarkari Result

দিলীপ ঘোষের তৃণমূলকে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ, হিন্দুদের প্রতি নিখুঁত দৃষ্টিভঙ্গির অভাব!
রাজনীতির এই রঙ্গমঞ্চে দিলীপ ঘোষের তোপ নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তিনি তৃণমূলের সংখ্যালঘু তোষণের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে বলেছেন, সিরিয়ার ঘটনার সংবাদে মিছিল হয়, অথচ ওপার বাংলার হিন্দুদের জন্য তাদের আওয়াজ নেই। কী paradox! মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি প্রতিবিম্বিত এই রাজনৈতিক খেলা, সমাজের মানবিক সুরকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

সল্টলেকের কাউন্সিলারদের বৈঠকে পুরমন্ত্রীর সতর্কতা, রাস্তাঘাটের অবস্থা ও জঞ্জাল সাফাইয়ে নবীন চ্যালেঞ্জ
সল্টলেকের পুরসভা বৈঠকে পুরমন্ত্রীর ফাঁদে রাজনীতির আড়ালে এক চিত্র ফুটে ওঠে, যেখানে কাউন্সিলারদের করুণ দশা প্রতিফলিত। ‘কাজ না করলে কোপ’—মেয়র সাহেবের এই বাক্যে এ যেন শুধু সতর্কবাণী নয়, বরং গর্জনের ইঙ্গিত। রাস্তাঘাটের খারাপ দশা, অপরিষ্কার পরিবেশ, আর নবান্নে অভিযোগের রোল রিহার্সেল—দেশটির শাসন ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনা যেন গভীর ক্ষণের গান। জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে গড়িমসি আর দায়িত্বহীনতার মাঝে কি তবে মূর্তিমান এক রাজনৈতিক নাটকের আবহ?

দক্ষিণ কলকাতায় ময়লার স্তূপে পল্লবিত মুন্ডু: পৌর ব্যবস্থাপনার খারাপ চিত্র সামনে এসেছে
দক্ষিণ কলকাতার গলফ গ্রিন এলাকায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা এক ময়লার স্তূপ পরিষ্কার করতে গিয়ে যখন একটি প্লাস্টিকের প্যাকেট মোড়ানো মুন্ডু আবিষ্কার করলেন, তখন যেন গভীর রাজনৈতিক সমস্যারই প্রতিফলন ঘটল। সভ্যতার মুখোশ ও রাজনীতির অন্ধকার কূটচালগুলো এই একটি জিনিসেই পরিষ্কার হয়ে গেল। কি আশ্চর্য, আমাদের নেতৃত্বের জন্য এ হচ্ছে এক নতুন ‘মূল্যবোধ’, যেখানে মানুষের জীবন ও মরোনামার অন্তর্নিহিত গুরুত্ব কি ঠিক প্রশ্নবিদ্ধ!

বঙ্গভূমিতে হিন্দুদের ওপর মুসলমানদের অত্যাচার: রাজনৈতিক শঙ্কা ও সামাজিক অস্থিরতা বাড়ছে
বাংলাদেশের হিন্দু জনগণের ওপর অত্যাচারের বাড়বাড়ন্তে ধৃত আদো বর্মনের অভিযোগে নিছক সমালোচনা নয়, বরং গভীর উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটে। বাড়িঘর ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের এই শক্তিশালী ছবি যখন গণতান্ত্রিক সমাজের সুশাসনের কুহেলিকা উন্মোচন করে, তখন প্রশ্ন ওঠে—কোথায় রয়েছেন রাজনৈতিক নেতারা? জনমত কি ক্রমেই ন্যায়বিচারের পক্ষে দাঁড়ানোর অনীহা প্রকাশ করছে? সমাজে বিভেদ গড়ে তোলা এবং মৌলিক অধিকারের প্রতি এই অবহেলা একটি ভাবনাকে উসকে দেয়—আমরা কি সত্যিই সৌহার্দ্যপূর্ণ জনগণ হিসাবে নিজেদের চিনতে পারছি?

মেয়ের নির্যাতনের বিচার চেয়ে বাবার আহ্বান, বৃন্দা গ্রোভার মামলার পেছনে কেন?
নির্যাতিতার বাবার ভাষ্যে ফুটে উঠেছে এক অদ্ভুত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, যেখানে তদন্তের ধারাবাহিকতা সবে চলছে। বৃন্দা গ্রোভার কেন পিছিয়ে গেলেন, তা স্বাদের মতো অজানাই রয়ে গেল। 'কলকাতা পুলিশের চার্জশিট' বলে কটাক্ষ করা সত্ত্বেও, বিচার পেলেই যেন সকল নাটক শেষ হবে, অথচ এ কী বিচারের খেলা? সমাজের এই অচল সংস্কৃতি কি কেবল অবসরে ভাসছে, নাকি সত্যিই কোনো নেতা মুখ ফিরিয়ে রেখেছেন?

হাবরা থানায় ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ, মহিলা আতঙ্কিত, পুলিশ তদন্তে নামলো।
হাবরায় এক মহিলা ধর্ষণের হুমকি পেয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়লেন, তার অভিযোগের পর পুলিশ তদন্তে নেমেছে; কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজের এক কোণে নানা ভয়াবহতা চালিয়ে যাচ্ছে কতিপয় অন্ধকার প্রভাবশালী। নেতাদের প্রতি ভক্তি আর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা—এই দুইয়ের আধিক্য কি কখনো একীভূত হবে, নাকি আমরা শুধু প্রতিবাদ আর আতঙ্কের মাঝে লুকিয়ে রইব?

পকসো আইনে আলোচনায় কলকাতার থানার অফিসাররা, governance নিয়ে গঠনমূলক বিতর্কের আবহ তৈরি হচ্ছে।
কলকাতার থানার অফিসাররা যখন পকসো আইন নিয়ে আলোচনা করেন, তখন রাজনীতি ও সমাজের মাঝে গভীর দ্বন্দ্বের কোনা এক চিহ্ন ফুটে ওঠে। লালবাজারের কর্তারা সরকারি নীতি প্রসঙ্গে সতর্ক, যেন তারা বলছেন—"আইন আছে, কিন্তু নৈতিকতা? সেই তো হারিয়ে গেছে!" সত্যি, বিদ্রুপের সময় এসেছে, সমাজের শক্তি এখন প্রশ্নবিদ্ধ।

নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় হত্যায় নেতৃত্বের অযোগ্যতা এবং সমাজের নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি
দক্ষিণ ২৪ পরগনার নরেন্দ্রপুরে দীপক রায় এবং তাঁর পরিবারের হত্যা দৃষ্টিকটু চিত্র তুলে ধরছে বর্তমান রাজনীতির। ক্ষমতার লোভে অন্ধ সমাজে, কাঁধে কাঁধ রেখে দাঁড়িয়ে থাকা নেতারা কি আদৌ মানুষের নিরাপত্তার দায়ভার নেবেন? সংসার ভাঙার হাহাকার বাড়ছে, তবে ক্ষমতার খেলোয়াড়রা যেন তাদের মিটিংয়ের ভিতরে হারিয়ে গেছে, গুম হয়ে গেছে মানবতা!

নির্বাচনের খরচ কমবে, তবে রাজ্যগুলোর মেয়াদ পার্থক্যে সরকারের প্রতিশ্রুতি কতটা কার্যকর?
সকলেই জানে, সরকারের যুক্তি হলো একত্রিত নির্বাচনের মাধ্যমে খরচ কমানো ও নির্বাচনী বিধিনিষেধের ঝক্কি থেকে মুক্তি। তবে বিরোধীরা জানিয়ে দিচ্ছে, প্রতিটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ আলাদা, যে কারণে রাজনীতির চক্কর থেকে সমাজের উন্নয়ন কার্যত থমকে থাকছে। এই গেম-অফ-থ্রোনসের মাঝে, উন্নয়নের বুলি গাওয়া নেতাদের খালি কথার সাজ সজ্জা ছাড়া কিছুই নয়। জনগণের ভোগান্তি যেন রাজনৈতিক নাটকের একটি অংশ হয়ে পড়েছে।

গুজরাটে তরুণী ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় সিরিয়াল কিলারের গ্রেফতার, জনগণের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি
গুজরাট পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া সিরিয়াল কিলার রাহুল, প্রমাণ করছে আমাদের নৈতিক দিকের অবক্ষয় কতটা গভীর। এক তরুণীর হত্যা আর শিল্পীর খুনের মধ্যে ক্ষমতার আসনে বসা নেতাদের নৈতিকতার প্রশ্ন ওঠে। সমাজের এই অন্ধকার দিকগুলো বৈশ্বিক ভাবনার পথে আলো ফেলার পরিবর্তে, আমাদের রাজনৈতিক চরিত্রগুলোর প্রতি গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করছে।