Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

রাজ্য সরকার নির্বাচনের পথে, পাহাড়ের দলগুলি কেন শান্ত? উন্নয়ন না হলে কি সত্যিই মিটবে জনগণের সমস্যা?
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্য সরকারের কাজ শুরু হলেও পাহাড়ের রাজনৈতিক দলগুলি যেন ঘুমিয়ে আছে। ভোটের প্রস্তুতি নেই, অথচ পুরসভার নির্বাচন হলে উন্নয়ন দ্রুত সূচনার পথে। স্থানীয়দের সমস্যার সমাধানের জন্য নেতা নেই, কিন্তু নির্বাচনের পালে হাওয়া লাগলে সঙ্কট দ্রুত সমাধান হতে পারে। সভ্যতার অঙ্গনে এমন গা-ছমছমে অবস্থায়, মনে হচ্ছে রাজনৈতিক নাটকের পর্দা খোলার অপেক্ষায় সবাই।

“মমতার আহ্বানে ডাক্তাররা কালীঘাটে, লাইভস্ট্রিমের জন্য যে উৎকণ্ঠা, তাতে নীতি নয়, নাটকই মুখ্য!”
মমতার ডাকে কালীঘাটে বৈঠকে হাজির হচ্ছেন জুনিয়র ডাক্তাররা, কিন্তু লাইভস্ট্রিমিংয়ের প্রসঙ্গে তাঁদের মানসিকতা একদমই পাল্টে গেছে। আপাতত, কেবল বক্তব্যের খানিকটা আলোচনাই গুরুত্বপূর্ণ, যেন শাসনের নীতিগুলো কেমন আচমকাই গাড়ির পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে, আর সংবাদমাধ্যম থাকছে যেন এক করুণ বানরের মতো, সানন্দে সরস তথ্যের চেয়ে দর্শক আকর্ষণের দিকে। সত্যি, জনগণের অনুভূতি এখন পরিবর্তনের এক শ্রীময় পথে, যেখানে নেতৃত্বর গুণগুলো আচমকা অচল হয়ে পড়ে।

কলকাতা হাইকোর্টের নজিরবিহীন রায়: প্যানেল থেকে বাদ দেয়া যাবে না নাম, কি হবে শাসনের নতুন নাটকে?
কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের পর, রাজনৈতিক প্যানেলে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ার চূড়ান্তি হচ্ছে। বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর নির্দেশনায়, ১৪,০৫২ জনের নাম প্রকাশের মাধ্যমে Governance-এর নগণ্য নাটক আরও একবার স্পষ্ট হলো। নেতাদের অভিনয় আর জনগণের আশার স্বপ্নের মধ্যে যত দূরত্ব, ততই বেড়ে চলেছে সমাজের অসন্তোষ। এ যেন নেতাদের প্রতিশ্রুতি আর বাস্তবতার মধ্যে এক অবিরাম কথোপকথন—শব্দে যার চমক, কাজের অচলতা।

“রাজপথে মমতার হুঙ্কার, সিবিআইয়ের তৎপরতায় রাজনৈতিক নাটকের নতুন অধ্যায়—অসুরের ছায়ায় বিজেপির মুখোপাধ্যায়!”
মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর হাসপাতালের মামলা শুনানির প্রেক্ষিতে সিবিআইয়ের তৎপরতা, তৃণমূল কংগ্রেসের মাঠে নামা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফাঁসির দাবিতে মুখরতা, সবই যেন নাটকীয় রাজনৈতিক মঞ্চে এক অভিনব সাজাতন্ত্র। বিজেপিকে অসুরের সঙ্গে তুলনা করে সাগরিকার বক্তব্যে উঠে এসেছে গোঁজেলানির কেচ্ছা, যা আমাদের সমাজের দুর্বোহা সত্যকে ফুটিয়ে তোলে। এই উন্মাদনা কি আদৌ কি বিবেককে জাগ্রত করবে, নাকি রাজনৈতিক সঙ্কটের কলঙ্কে অতীতের গরমিলেই গড়বে যুগের পর যুগ?

“নবান্ন অভিযান পেরিয়ে ছাত্র সমাজের নতুন সংগ্রাম, সদস্য সংগ্রহ অভিযান: রাজনৈতিক গতি-প্রকৃতিতে ভিন্ন কাব্যচিত্রের সূচনা!”
নবান্ন অভিযান শেষে ছাত্র সমাজ থেমে নেই, এবার সদস্য সংগ্রহ অভিযানে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষে কথা বলার বদলে কর্মীদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের খোঁজ নেয়ার প্রবণতা, বলছে, বঙ্গের রাজনীতিতে সত্যি-সত্যিই বেদেবাবার দোহাই। ছাত্রদের আন্দোলনে হয়তো কাঙিক্ষত পরিবর্তন আসেনি, কিন্তু ক্রমবর্ধমান সামাজিক সচেতনতা, জানিয়ে দিচ্ছে, গণতন্ত্রের ফসল ফলে যেতে পারে।

বাংলাদেশে ফেরত যাওয়া আলমগির: সীমান্ত পেরিয়ে রাষ্ট্রের অপ্রকাশিত বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি!
লালমনিরহাটে অভিযুক্ত আলমগিরকে আটক করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা বাবার সন্তানরূপে চ্যাংরাবান্ধা সীমান্ত পার করে পাঠিয়ে দিলেন বাংলাদেশের অভিবাসন পুলিশের হাতে। কী নিখুঁত খেলা, যেন নেতা-পুত্ররা তাদের জাল বিছিয়ে রেখেছে, এবং সমাজের চোখে ধুলো দিয়ে তারাই স্বর্গের পথে! ভবিষ্যত যেন সমুদ্রের ঢেউ, কথার আবহে ভাসছে, কিন্তু কজন নেতা নিজের বংশধরদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন, আর জনতা চুপ করে থাকবে?

“সিবিআইয়ের নজরে টালা থানার ওসি, হাসপাতাল মামলায় নতুন এক ষড়যন্ত্রের চাদরে ঢাকা রাজনীতি!”
মঙ্গলবার Suprem Court-এ আরজি কর হাসপাতালের মামলার শুনানি, সিবিআই-এর তদন্তে হাজির হলেন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলের স্ত্রী। নেটাগরিকদের প্রশ্ন, কি আর সব কিছুই অন্ধকারে, গর্তে, সিস্টেমের ক্ষমতার গলিতে? গলির পেছনে ছোট্ট গল্প না হয় শুধু উৎসুক বিনোদন, কিন্তু কি করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব মুছে যাচ্ছে সে ভাবনা রয়ে যায়।

“মুখ্য সচিবের সাম্প্রতিক ভিডিও: মুখ্যমন্ত্রীর আন্তরিকতার প্রশ্নে সমাজের দৃঢ় বাতাবরণ!”
মুখ্য সচিব ও স্বরাষ্ট্র সচিবের একটি ভিডিওতে বাবাদের সঙ্গে বোঝাপড়ার চেষ্টার প্রেক্ষাপটে কি আমাদের চোখে পড়ছে? নেতাদের আন্তরিকতা প্রশ্নে রেখেছে। সভ্যতার এই মোড়ে, রাজনৈতিক নাটকের পেছনে সমাজের ক্ষোভ আর অসন্তোষের সংলাপ যেন আমাদের মনে করিয়ে দেয়, আমরা কি সত্যিই পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত?

“গভীর সংকটে সরকার, তরুণী চিকিৎসক হত্যা নিয়ে রহস্যজনক তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগে তদন্তকারীদের অভিযান!”
নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে আরজি কর মেডিক্যালে তরুণী চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত। সিবিআই তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত চিকিৎসক তার বাড়িতে কি তথ্য লোপাট করছেন, তা জিজ্ঞাসার গরজে। এই বঙ্গদেশে, কথার ফুলঝুরি তো আছেই, কিন্তু কার নৈতিকতা কবে সুরক্ষিত হবে? জনগণের মনে তো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, শুধু প্রশাসনের নীরবতায়।

“কুণাল ঘোষের সংঘাতের তত্ত্ব: জুনিয়র চিকিৎসকদের ঐক্যের বার্তা ধর্মতলার রাজনীতির মঞ্চে!”
কুণাল ঘোষের সৃষ্ট সংঘাতের তত্ত্ব যেন আন্দোলনকারীদের হতোদ্যম করে ছিন্নভিন্ন করতে চায়, অথচ জুনিয়র চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটির অডিয়ো ফাঁসের পর তাঁরা আবারও ঐক্যবদ্ধ হবার সংকল্প জাহির করলেন। আইনের প্রতি, সমাজের প্রতি, এবং রাজনীতির প্রতি এই অনড় প্রতিবাদে উজ্জীবিত হয়ে উঠে আসে জনগণের জীবনের বাস্তবতা; যেন এই সঙ্কটের মধ্যেও প্রবাহিত হচ্ছে এক নতুন আবেগ, যে আবেগের চেতনাই জনসমক্ষে আরেকটি রাজনৈতিক মঞ্চ স্থাপন করতে চায়।