Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

অর্পিতার জামিনের পর অস্বস্তিতে শিক্ষা দুর্নীতি: ৫০ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত, নথি কেন্দ্রে সরকারী নজরদারি বাড়ছে!
আজকের রাজনৈতিক নাটকে, ৫০ কোটি নগদ বাজেয়াপ্তির কাহিনী যেন এক চিত্রনাট্যের সূচনা, যেখানে অর্পিতার জামিন পেলেন, শিক্ষা দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে। একদিকে প্রশাসনিক সিক্রেটস, অন্যদিকে সমাজের অবক্ষয়। নিশ্চিতভাবেই, এটি কেবল আইনের কৌতুক নয়, বরং আমাদের গণতন্ত্রের সৌন্দর্যের ওপর এক নির্মম ব্যঙ্গারোপ।

কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি, আদালতে হাজির ৪৮ অভিযুক্ত: নতুন অরাজকতার ইঙ্গিত!
আদালতে হাজির ৪৯ অভিযুক্ত, তবে বিকাশ মিশ্রের অনুপস্থিতি যেন সুশাসনের নাটকের একটি মঞ্চস্থ দৃশ্য। কয়লা ও গরু পাচার কাণ্ডে জড়িত, অথচ রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় সে নিশ্চুপ—এটাই কি আমাদের গণতন্ত্রের আসল লীলাখেলা? জনতার চোখের সামনে, সিবিআইয়ের ক্ষুরধার তদন্ত কিন্তু সরকারের অন্তরালে চলছে এক খেলা। রাজনৈতিক নেতাদের বিভ্রান্তি বা অদূরদর্শিতা কি হচ্ছে নিজেদের দুর্নীতির বিষয়? প্রশ্নগুলো আকাশে, উত্তরগুলো গন্ধহীন।

বাংলার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন নীতি: রাজ্য সরকারের বড় পদক্ষেপ, নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হতে চলেছে!
জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বড়সড় পদক্ষেপ করতে চলেছে। মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র সদর্থক বাণী কিন্তু প্রশ্ন উঁকি দেয়, এই উন্নতির প্রলোভনে কি সত্যিই আমরা পরিবর্তনের বীজ বপন করতে পারব, নাকি শুধু অথরিতির ফুল ফোটানোর আয়োজন? উন্নয়নের এই পথে জনগণের কপালের রেখা কি সত্যিই বদলাবে?

“শীতকালে সুন্দরবনে রাজনীতির ছায়া: বাঘের প্রভাব ও কুমিরের চুপচাপ, কী বলছে জনমানসে?”
শীতকাল এসে গেছে, কিন্তু সুন্দরবনের শোভা যেন সমাজের কুমীরের মতো, বাহিরে রোদ পোহাচ্ছে, অথচ গভীরে অন্ধকার। রাজনীতির বাঘগুলো ম্যানগ্রোভের আড়ালে চুপচাপ প্রহর গুনছে, যেন ক্ষমতার রম্যরূপে হাস্যরস ছড়াচ্ছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার খেলা এবার নতুন পর্যায়ে, তবে নেতাদের অঙ্গভঙ্গিতে মন্থরতা যেন মাটির ঘরেই পড়মান।

সিবিআই তদন্তে রাজনৈতিক সুবিধা পাবেন মমতা? তৃণমূলের দাবি নিয়ে নতুন বিতর্ক উত্তেজনা ছড়াচ্ছে।
সিবিআই তদন্তের আবরণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক 'সুবিধা' প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের নীলাঞ্জন দাসের দাবি আয়নার মত প্রতিফলিত করেছে আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপট। সত্য-মিথ্যার মিছিলে নাগরিকের বার্তা কি সরকার বুঝতে পারছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় নথির ঝলক দেখিয়ে নতুন কথার তালটি খুলে দেওয়া এই রাজনৈতিক নাটকে কিসে কি হবে, তাই নিয়ে আলোচনা চলছেই। তখন মনে হয়, নেতারা ক্ষমতার চাঁদে যখন খোঁজে, সাধারণ মানুষের পথ হারাবার ভয় কি আরও বাড়ছে?

“মমতা বড়মার পুজোতে, নৈহাটির তৃণমূল বিজয়: সরকারের প্রতি জনগণের নতুন প্রত্যাশা”
নৈহাটিতে তৃণমূলের বিজয় যাতে গুণগত অর্থে শুচিবায়ু আনয়ন করতে না পারে, তা নিয়ে বিতর্কে যেন এক অদ্ভুত মন খারাপের সূচনা। মমতা এবার বড়মার পুজোয় কান্নাই পছন্দ করেন, তবে শাসনকর্তাদের কৌতুকভরা মূর্তিতে যে জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষা ভেসে যাচ্ছে, তা ভাবতে বাধ্য করে। রাজনীতির এই নাট্যকাহিনীতে জনগণের মনের অধিকার বিসর্জন তো দিচ্ছে না।

“সিবিআইয়ের পক্ষে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট, চিকিৎসকদের সাক্ষ্যে নতুন রাজনৈতিক টালমাটাল!”
সিবিআইয়ের দাবি অনুযায়ী, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জশিট পেশ হতে চলেছে, এবং তাঁর সাবেক চিকিৎসকেরা এই অভিযোগের পক্ষে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। দারুণই বুদ্ধির খেলা! একজন নেতার নৈতিকতা যে কতটা পতিত হতে পারে, সমাজের প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান আরও প্রকট হয়ে উঠছে। রাজনীতির এই নাটকীয়তায় কি সত্যিই সমাজ উন্নতির পথে এগোচ্ছে, না কি শুধু মুখোশ পাল্টানোয় ব্যস্ত?

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক তোলপাড়: ৩ IPS কর্মকর্তার দ্বারা তদন্তের নির্দেশ, সিবিআই তদন্ত অগ্রাহ্য!
সোমবার বিচারপতি সূর্যকান্ত ও উজ্জ্বল ভুয়ানের নির্দেশ প্রসঙ্গে, সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন না মেনে পশ্চিমবঙ্গের ভিনরাজ্যের তিন IPS আধিকারিকের উপর দায়িত্ব পড়েছে। এখানে সদা বিরোধীশক্তির মুখে, আইনশৃঙ্খলার দদবদল যেন শাসকের নীরব হাসির রহস্য। জনগণের প্রতি এই নিশ্চয়তা আসলে কতটা আস্থার, সমাজের গূঢ় সংকটকে যদি আমাদের নেতারা দেখেন।

“তৃণমূলের বিপুল জয়ে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির সমীকরণ, নবনির্বাচিতদের শপথগ্রহণে জনগণের আশার আলো?”
রাজ্যের ছয় কেন্দ্রের বিধানসভা নির্বাচন দেখল তৃণমূলের ত্বরিত বিজয়, যেন পুলিশে চাকরি পাওয়ার লটারি। সোমবার থেকে বসবে বিধানসভা, নব নির্বাচিতদের শপথ গ্রহণকে ধরা যাক এক নূতন নাটকের প্রথম আয়োজক। তবে এ জয় কি রাজনীতির মঞ্চে নতুন কাহিনী রচনা করবে, নাকি পুরনো ঢাকের তালেরই পুনরাবৃত্তি?

ফিরহাদ হাকিমের ২৬০ আসনের দাবি কটাক্ষ করলেন সুকান্ত, সরকারী নীতির বিরুদ্ধে জনগণের স্বপ্ন দেখার তীব্র সমালোচনা!
রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিজেপি ২৬০ আসন পাওয়ার দাবি শুনে সুকান্তবাবুর তীব্র কটাক্ষ, “স্বপ্ন দেখা তো টাকা লাগে না,” বলে যেন আমাদের সত্যের আয়নার দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। আর এভাবেই আমাদের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বিরোধীরা একে অপরকে তীব্র আক্রমণ করছেন, যখন সমাজের বাস্তবতা রূপান্তরের প্রত্যাশায় রদবদল ঘটেছে। স্বপ্ন আর বাস্তবতার মধ্যে যে বৈপরীত্য, তা কি একদিন মিলবে?