Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

বাংলাদেশে হিন্দু সংখ্যালঘুদের অস্তিত্ব রক্ষায় শুভেন্দুবাবুর দাবি,今晚 বেহালায় মশাল মিছিল।
শুভেন্দুবাবুর টানাপড়েনের মধ্যে দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই এখন টানটান। কৃষ্ণদাস প্রভুর মুক্তির দাবি তুলে আজ বেহালায় মশাল মিছিল উন্মোচন হবে, সেই পথে হাঁটার সাহস কি ভাগ্যবিধাতার? সংবাদমাধ্যমে এই রাজনৈতিক নাটকের রঙ্গমঞ্চ চলছে, যেখানে नेतृत्वের প্রতিশ্রুতি এবং জনতার আকাঙ্ক্ষা এক বৈপরীত্য সৃষ্টি করছে। আমরা কি সত্যিই আশা করতে পারি, সন্ন্যাসী মুক্তির দাবির সঙ্গে প্রগতির সুর গুনগুনাবে?

“পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ: রিপোর্টে কারসাজি, সাসপেন্ড হওয়া কর্মীদের প্রতিবাদে উত্তাল রাজনীতি”
নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে ৯ জন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ও সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা আলোচনার ঝড় বয়ে এনেছে। তাদের অভিযোগ, দায় এড়াতে রিপোর্টে কারসাজি চলেছে; অর্থাৎ, সত্যের চেহারাটা কেমন হলেও, গণতন্ত্রের চাদর তলে অসৎ মানসিকতার আধিক্য। সিভিক ভলান্টিয়ারদেরও নিকেশের তালিকায় ডাকা হচ্ছে—এ কি প্রশাসনের ভাবমূর্তির আত্মস্বীকৃতি? প্রতিটি ঘটনার মধ্যে যেন দেশের রাজনৈতিক চিত্রের এক অশান্ত প্রতিফলন মিলছে।

মুর্শিদাবাদে ভোটের রাজনীতি: সরকারের বিরুদ্ধে অভিযুক্ত পুলিশি পদক্ষেপে কী এগোবে তৃণমূল?
মুর্শিদাবাদের মানুষ ভোট দিয়ে সরকার গঠন করে ঘোষণার পর এবার যেন দেখা যাচ্ছে, তাদের ওপর বুলডোজার আর পুলিশি দমননীতি চলছে। নিরপরাধ তৃণমূলের যুবকদের লকআপে নিয়ে তাদের নাগরিকত্বই যেন প্রশ্নবিদ্ধ। এই বিচারবহির্ভূত শাসন কি সত্যিই মানবতার জয়, নাকি নেতাদের স্বার্থের প্রভাবে সমাজের দিকে পেছনে ফিরছে?

“আলুর দামের অস্থিরতায় রাজ্যে গোপনে ভিন রাজ্যে ও বাংলাদেশে রপ্তানির অভিযোগ: সরকারী হিসেবের ভিন্ন চিত্র!”
আলুর দাম নিয়ে যখন রাজ্যে উত্তাল পরিস্থিতি, তখন গোপনে ভিন রাজ্যে ও বাংলাদেশে আলু পাঠানোর অভিযোগ যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন অধ্যায়। কৃষি বিপণন দফতরের হিসাব বলছে, রাজ্যের খাদ্য ভাঁড়ারে প্রয়োজন ৯ লক্ষ টনের বেশি আলু, অথচ কৃষকদের কষ্ট আর অপমানের কলকাঠি নাড়ছে কিছু কর্পোরেট পদক্ষেপ। সত্যিই কি নিজের সুরক্ষার জন্য কৃষকের ঘরে আলুর আস্তাবল স্বপ্ন দেখানো, না কি সরকার আসলে চাষিদের জীবনকে এক বাজারজাতকের খেলা বানাতে চায়?

মহিলা চিকিৎসকের হত্যাকাণ্ডে মমতার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অভিযোগ, সিভিক ভলান্টিয়ারকে বলির পাঁঠা বানানোর অভিযোগ!
রাজ্যে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নে গভীর অন্ধকার। চিকিৎসকের ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পিতামাতা মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরছেন, যেন রাজ্যসভার চেহারা বদলে যাচ্ছে। সিভিক ভলান্টিয়ারকে বলির পাঁঠা বানানোর মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা থেকে পালানোর চেষ্টা, রাজনৈতিক নাটকে গুণধরির চেয়ে, সমাজের আসল সংকটগুলোকে উন্মোচন করছে।

দুই ভাইয়ের মধ্যে খাবারের টানাপোড়েনে উল্লিখিত দারিদ্র্যের চিত্র, সমাজে চলমান অরাজকতার প্রতিফলন!
কী আশ্চর্য, একটি পরিবারের মধ্যে খাবারের জন্য এমন মারামারি—প্রতীক সাম্প্রতিক সমাজের! দুই ভাইয়ের হিংসা-শত্রুতা যেন নেতাদের মধ্যে পাওয়া যায়, যেখানে স্বার্থের জন্যই অপরের সুখ কেড়ে নেয়া হয়। সরকারের মৌনতা, নাগরিকের অভাব, স্তব্ধ চিরস্থায়ী নৈতিকতা; সবকিছু যেন এক জালে জড়ানো। এ দৃশ্যের পেছনে কি শুধুই খিদের অলৌকিকতা, না কি একটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যা? জনগণের মৌলিক অধিকার নিয়ে আবারো ভেবে দেখা প্রয়োজন।

সঞ্জয়কে রোজ আদালতে হাজিরা, আরজি কর মামলায় নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি!
এই সপ্তাহে আদালতে আরজি কর মামলায় সঞ্জয়কে সশরীরে হাজির করার সম্ভাবনা, কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই তাকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকতে হবে। রাজনীতির এই নাটকীয় পর্বে, আমাদের সমাজের শাসনব্যবস্থা যেন কারা অন্তরায় আর বিচারব্যবস্থা হচ্ছে একটি অপরূপ অহংকার। কে জানে, এই অবস্থায় জনগণের মনে কি গোপন ক্ষোভ জমা হচ্ছে!

শান্তনুর জামিন পেতে বাধা, শ্বাসরুদ্ধকর রাজনৈতিক দুর্নীতি ও মিডিয়া প্রশ্নের কেন্দ্রবিন্দুতে!
শান্তনুর জামিন সংক্রান্ত ইডি ও সিবিআইয়ের দ্বন্দ্ব, যেন বাংলার রাজনীতির একটি নাট্যমঞ্চ; কাঠের পুতুলেরা কখনো মুক্ত, আবার কখনো জেলে বন্দি। সামান্য দুর্নীতির অভিযোগে যখন একজন জনপথের নেতা গতি হারাচ্ছেন, তখন প্রশ্ন উঠছে, সত্যিই কি এই প্রকৃত শাসনকর্তাদের হাতে সমগ্র জাতির ভবিষ্যৎ? নাটকীয়তার মাঝে, জনতার সমর্থন এবং অসন্তোষের গুঞ্জন কি কখনো শুনা যাবে?

দিলীপ ঘোষের মন্তব্য: তৃণমূলকে কোম্পানি হিসেবে অভিহিত, রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও নেতৃত্বের নতুন দ্বন্দ্ব!
দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে তৃণমূলের কর্মসমিতিকে কোম্পানির তুলনায় আনা যেন রাজনৈতিক পারদর্শিতার বিকৃত রূপ। তিনি বলছেন, মালিকই ঠিক করবেন কর্মচারীর ভাগ্য, অথচ এই 'কোম্পানি' অগণন প্রান্তিক মানুষের স্বপ্ন, স্বজাতিকে বিসর্জন দিতে প্রস্তুত। রাজনৈতিক জীবনের পটভূমিতে, যেভাবে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা গুমরে যায়, তাতে জনগণের আশা হতাশায় মিলেমিশে পলিমাটির মতো হয়ে যায়।

মমতার কৌশল: কয়লা পাচার মামলায় জেল থেকে মুক্তি পেয়েও অনুব্রতকে কেন পার্টির নেতৃত্বে রেখেছেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘ ২ বছর জেলবন্দি থাকা অনুব্রতকে বীরভূমের তৃণমূল সভাপতির পদ থেকে সরাননি, কিন্তু গত সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তাঁর বোলপুরে ফেরা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। কি হাসি! রাজনৈতিক ভবিষ্যত যেন এক নাটক, যেখানে নায়ক কবির অক্ষরশূন্য। জনতার মাঝে কি আসল সত্যি, নাকি মহাকাব্যের চরিত্রগুলি শুধুই প্রতীক?