Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

বাড়িতে গুলির ঘটনায় স্বামী পলাতক: নারী নির্যাতনের বর্ষণে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা শুরু!
ব্যান্ডেলের মানসপুরে স্বামী কিষাণ মালির এক নারียের মানবজীবনের চিত্র যেন সমাজের অন্ধকার দিকের একটি আড়ি—অটো চালক অন্যকে পার্যন্ত রাখার বদলে নিজের স্ত্রীর জীবন নিয়ে খেলা করলো। গুলির শব্দ যেন রাজনৈতিক শূন্যতার প্রতিধ্বনি, যেখানে মানবতা ও শাসনের বেঞ্চে টলমল গভীর সংকট। আমাদের সভ্যতা কি নতুন শুয়োরে ঢুকছে না?

“ইসরোর প্রযুক্তির ব্যবহারে ট্রলারে নতুন যন্ত্র: মেরামতির সমস্যার সমাধান হবে কি, সরকার কি ভাবছে?”
বর্তমান সরকার যেমন আশ্বাস দেয়, প্রযুক্তি সীমাহীন, তেমনি বাস্তবতা এতো সহজ নয়। ইসরোর উদ্ভাবন ট্রলারগুলির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। চালকদের উদ্দেশ্যে GPS ঠিক তেমনই, কিন্তু কার্যক্রমে প্রায়ই ব্যবস্থাপনায় অক্ষমতার ধ্বনি। উন্নতির নামে, জাতির ভবিষ্যৎ কি শুধুই যন্ত্রের কাঁধে? পরিবর্তন আসবে তো, নাকি আমরা কেবল আধুনিকতার কল্পনায় বিভোর?

“মঙ্গলবার রাতে আবাসনে যুবকের বর্বর হত্যাকাণ্ড: নিরাপত্তা প্রশ্নে গভীর উদ্বেগ উত্থাপন”
মঙ্গলবার রাতে একটি আবাসনে ঢাকার নাগরিক জীবনের অচেতন প্রতিফলন ঘটল, যখন আচমকা ভারী কিছু পড়ে যাওয়ায় সবার নজরে এল একটি খুনের দৃশ্য। যুবকের রক্তাক্ত লাশ সরকারের নিরাপত্তাব্যবস্থার প্রশ্ন তুলেছে, যেখানে জনপ্রতিনিধিরা নিজেদের রাজনৈতিক নাটকের মাঝে আটকা পড়েছে। সত্যি, কখনও কি এই রাজনৈতিক কুম্ভীলকের মধ্য থেকে উঠে আসবে কার্যকরী নেতৃত্ব?

“জামিন পেয়েও কমিশনের নজরদারিতে অর্পিতা, শীর্ষ আদালতে প্রশ্নের সম্মুখীন ইডি : রাজনীতির নতুন মোড়!”
নতুন জামিন পেলেন অর্পিতা মুখোপাধ্যায়, কিন্তু রাজনীতির নাটকে ইডি এখন প্রশ্নের মুখে। এক পাসপোর্টের খাঁচায় বন্দি, দেশের শীর্ষ আদালতেও চলছে বিতর্ক। নেতৃত্বের গুণাবলী কিংবা প্রশাসনের সঠিকতা নিয়ে জনসাধারণের কৌতূহল বাড়ছে, আর কোথাও যেন কালি ও কলমের সম্মাননা হারিয়ে যাচ্ছে। πολιτική তথা সামাজিক পরিবর্তনের এই জালে, কে জানে আগামী দিনের ছবি কেমন হবে।

“পুরসভার উন্নয়নে নতুন উচ্চতা: কলকাতা-হাওড়া-শিলিগুড়িতে ক্রেশ তৈরির বিতর্কিত সিদ্ধান্ত!”
পুলিশ ও প্রশাসনিক কৌশলে কলকাতা সহ সাতটি পুরসভায় ক্রেশ তৈরি করা হবে, এর মধ্য দিয়েই যেন বারবার শাসন ব্যবস্থা তাদের ওপর ভরসা করে চলছে। নেতাদের যুক্তি আর প্রশাসনের বিবৃতির মাঝে এক বিসদৃশ বিভক্তি তৈরি হয়েছে; যেন সরকার শুধুই বাস্তবতার ছদ্মবেশে আড়াল করতে চায় নাগরিকের মৌলিক চাহিদা। প্রশাসনের সভাগৃহে বৈঠকগুলো মানুষকে কতটা সুরক্ষা দেবে, তা নিয়ে তর্ক চলছে; মনে হচ্ছে, শাসনের গলপলির মধ্যে জনগণের আওয়াজ চাপা পড়ছে।

নবান্নে বিশেষ কক্ষ: রাজ্যের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সিসি ক্যামেরার নজর, গদি ফেলার স্রোত বয়ে যেতে পারে!
নবান্নের অদূরে নতুন কক্ষে মনিটর বসানোর আয়োজন যেন রাজ্যের সিসি ক্যামেরা দিয়ে সামাজিক জীবনের পুঙ্খানুপুঙ্খ নজরদারির এক নাটক। সরকারী সূক্ষ্মতায় চোখ রাখা হলেও, জনগণের গোপনীয়তা কোথায়? এই অনুপ্রবেশের সাথে কি বিরোধিতা, নাকি নতুন আদর্শের উন্মোচন ঘটছে? সত্যি, আপনার দৃষ্টিতে কাকে কি দেখাবেন, সেই নিয়ন্ত্রণই বা কার হাতে!

প্রধানমন্ত্রীর ছবি কলেজে: তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভ ও অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি!
কলেজে প্রধানমন্ত্রীর ছবি সংক্রান্ত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নাটকের নতুন পর্ব উন্মোচিত হলো। রুম্পার নেতৃত্বে ছাত্রদের দাবি, অধ্যক্ষের পদত্যাগ, যিনি বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন—একটি শৈলী, যা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গৃহস্থালির সঙ্গে তুলনা করার রসবোধকে চেনায়। চলতি সমাজে, যেখানে শাসকরা ছবি ঝুলিয়ে রাখার যুগান্তকারী নীতি নিয়ে ব্যস্ত, সেখানেই ছাত্রদের ক্ষোভ যেন একটি নতুন আলোর সাশ্রয়, যা মুখোশের অন্তরালে ঢাকা রাজনৈতিক শপথগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযানে প্রশ্ন: সফলতা নাকি ক্ষমতার প্রদর্শন? ১ কোটি সদস্য সংগ্রহের চ্যালেঞ্জ
বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান ৩০ নভেম্বরের শেষ দেখে এক কোটি সদস্যের লক্ষ্য পূরণ করা কি সত্যি সম্ভব? রাজ্যের নেতাদের বাস্তবতা অগ্রাহ্য করে, সংগঠনের অবস্থা বোঝাতে চাইছেন না। সত্যিই, গণতন্ত্রের মঞ্চে এমন নাটকীয়তা দেখে যেন রবীন্দ্রনাথের কল্পনাও লজ্জিত হবে। সদস্য গড়ার খেলা না হয়ে উল্টো জনগণের আস্থা অর্জনের পরীক্ষা এমন যেন!

পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং: সৌমিত্রের শেষ সংকেত রেলপথে, রাজনীতিতে নতুন সংকটের উৎপত্তি!
পুলিশের মোবাইল ট্র্যাকিং নাটক যেন বর্তমান রাজনৈতিক সুড়ঙ্গে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে সৌমিত্রের ফোনের অবস্থান রেলপথে আবিষ্কৃত হয়েছে। শেষবার সালেমের দিকে, কিন্তু পরক্ষণেই সে নিখোঁজ! এই ঘটনার মাধ্যমে কি প্রমাণিত হচ্ছে আমাদের সরকারী ব্যবস্থার অকার্যকরতা, নাকি বিষয়টি অন্য কোন গোপন সংকেত? জনগণের চোখে তাই দেখছি, এক অশনি সংকেত যেন বৈশ্বিক রাজনীতির বলিরেখা।

সিবিআইয়ের উদ্যোগে ময়নাতদন্তের মান পরীক্ষা, তরুণীর হত্যার ঘটনায় নতুন পরিণতি!
সিবিআইয়ের উদ্যোগে ময়নাতদন্তের মান পরীক্ষার উদ্যোগ নতুন করে আলোচনা জন্ম দিয়েছে। খুন হওয়া তরুণীর کیسটি সামনে আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ১০টি মৃতদেহের রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ এসেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, এ ময়নাতদন্তের রাজনীতির আসল মুখোশ খুলতে পেরে কতটা সক্ষম হবে, তা নিয়ে সৃষ্ট জনমনে প্রশ্ন উঠছে। মানব জীবন ও সরকারের মাঝে ‘রাষ্ট্রীয় বিশ্লেষণের’ এমন সমান্তরাল চিত্র, যে কোনও আলোকিত মনকে ভাবাতে বাধ্য করে।