Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

হাওড়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার সংকট: নেতা ও প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি, জনগণের অপেক্ষা!
হাওড়ার বাসিন্দারা যেন অন্ধকারে অপেক্ষামান, তাদের জীবনযাত্রা যখন সুখের সিংহদ্বার থেকে দূরে, তখন সরকার প্রতিধ্বনিত করে উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা সাবস্টেশন তৈরির প্রক্রিয়ায় ব্যস্ত, অথচ প্রশ্ন থেকে যায়—এই বিদ্যুৎসঞ্চার কতটা বাস্তবে আসবে আর কতটা রাজনৈতিক আশ্বাস? পার্থপ্রতিম দত্তের অভিযানকে মনে হয়, বিষণ্ণ জনগণের লোভোল্টেজ থেকে মুক্তি দেওয়ার একটি নাটক, তবে সঠিক সমাধান কি আসবে এদের কষ্টের?

“আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে পাঞ্জাব নির্ভরতাঃ বাংলায় বীজ উৎপাদনে নতুন উদ্যোগ ও রাজনৈতিক আলোচনা”
বাংলার কৃষির স্বনির্ভরতার গর্বে ভাসতে হলেও, আলুর বীজের জন্য পঞ্জাবের শরণাপন্ন হওয়ার দুঃখজনক সত্য আমাদের সামনে। বিধানসভায় যখন দাম বৃদ্ধির প্রশ্ন তুলে হতাশার স্তব্ধতা গড়াচ্ছিল, তখন সরকার স্বপ্ন দেখাচ্ছে নিজস্ব বীজ উৎপাদনের। এই সদিচ্ছার মূলে কী আত্মবিশ্বাস, নাকি রাজনৈতিক আপ্তবাক্য? সময়ের দাবি কি প্রকৃত স্বাধীনতার, নাকি মাত্র হোঁচট খাওয়া আত্মমর্যাদার?

বিজ্ঞানী ও শিল্পপতিদের সম্মিলনে ২০২৪ জগতের বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল, রাজ্য সরকারের প্রকল্প নিয়ে তীব্র আলোচনা।
রাজ্য সরকারের পরিকল্পনাগুলি নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক হলেও, ২০২৪ সালে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন বাতিল করা যেন বাণিজ্যিক স্বপ্নের শেষ। বিদেশী শিল্পপতিদের আদর যত্নের খোঁজে, প্রশ্ন উঠছে—প্রকল্পে সাফল্য না, অতিথি আপ্যায়নে বরং শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতা? রাজনীতি ও সমাজের জায়গায় ক্রমশ এই আইপিসি যেন এক অদ্ভুত নাটক।

“বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক: এক বছরের অসন্তোষ, সরকারী নীতির বিভেদ ও জনগণের নিরাপত্তা সংকট”
রাজনীতির পটে রঙ বদলে গেছে, কিন্তু দুঃখের সুরগুলো যেন অতীতের আগুনের ছাঁই। বাংলাদেশ-বিষয়ক আলোচনায় আমাদের নেতারা কথা বলছেন, অথচ নাগরিকদের ভেতরে চলছে এক শূন্যতা। কেন্দ্র এবং রাজ্যের বিভাজনে বিভ্রান্তি, আর গণমাধ্যমের সৌন্দর্যবোধের কাছে সাধারণ মানুষের আর্তনাদ চাপা পড়ে যাচ্ছে। সমাজের এই পরিবর্তনশীল প্রেক্ষাপটে, নেতা হিসেবে তাঁদের পারফরম্যান্স কি শুধু আমাদের দুঃখের আধার?

গজলডোবার পুলিশ ফাঁড়ি: সরকারের সিদ্ধান্তে নাগরিক নিরাপত্তা না রাজনৈতিক অঙ্গীকার?
গজনলডোবা পুলিশ ফাঁড়ির পুনঃপ্রতিষ্ঠা যেন কর্তৃপক্ষের এক অদ্ভুত নাটক; থানা সরিয়ে নিলেও অপরাধের অন্ধকার ছায়ায় নিরাপত্তা প্রদানের এই নতুন কৌশল প্রশ্ন তোলে প্রশাসন ও সমাজের এক বিপরীতমুখী বাস্তবতার। নেতাদের কার্যকলাপের মাঝে জনগণের কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাওয়ার আতঙ্ক, মিডিয়ার পর্যবেক্ষণে সেদ্ধ কূটনীতির অসহায় প্রতিফলন। সরকারের সাফল্যের বাক্সে আরো একটি ব্যর্থতা!

“পূর্তমন্ত্রীর দাবি: ২০২৫-এর মধ্যে পূর্ণাঙ্গ জল সরবরাহ, অধ্যক্ষের নির্দেশনায় রাজনৈতিক সঙ্কটের আবহ!”
বিধায়ক ও পূর্তমন্ত্রীর মধ্যে কথোপকথনে স্বচ্ছতার আহ্বান, আর অধ্যক্ষ বিমানের আন্তরিক পরামর্শে প্রকল্পের সীমাবদ্ধতা ফুটে ওঠে। রাজ্য সরকারের জল সরবরাহ প্রকল্পে ৫৩ শতাংশ কাজ সম্পন্ন, কিন্তু ২০২৫ পর্যন্ত অপেক্ষা! যেন শূন্যে আবারও এক নতুন আশা, তবে জনগণের খরিদে কি এ জলের মূল্য কত? সভ্যতার স্রোতে রাজনীতির মিতুর আলোছায়া; প্রতিশ্রুতির রঙিন জালের মাঝে লুকিয়ে রইল জনপদের বাস্তবতা।

মমতা সরকারের নতুন বরাদ্দ: মূল্যবৃদ্ধির যুগে রাঁধুনি-হেল্পারদের ৫০০ টাকা বাড়ানোর লাভ কী?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যখন রাঁধুনি ও হেল্পারদের জন্য ৫০০ টাকা বাড়তি বরাদ্দের ঘোষণা দিল, তখন বাজারে মূল্যবৃদ্ধির তাকে যে কাজে লাগানো হবে সে প্রশ্ন থেকেই গেল। সরকারের বড় সংসারের ছোট্ট খরচে কি ভাঙা মনের দোলা মিটে? রাজনৈতিক নাটকে, গুনগুন করা কথাগুলো কি জনগণের দুর্দশা ঢাকার অভিনয়, নাকি সত্যিই কিছু পরিবর্তনের আভাস?

লামলুক শহরের ৩৫০ মহিলা লক্ষ্মী ভাণ্ডার থেকে টাকা পাচ্ছেন না, সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ বাড়ছে!
তমলুক শহরের ৩৫০ মহিলার চোখে জল, লক্ষ্মী ভাণ্ডারের টাকা যেন এক অভিশপ্ত রূপকথা। ১৬ হাজারের মধ্য থেকে এদের তথাকথিত পূর্ণিমার চাঁদ দেখছেন বলতে গেলে কালি গায়ে। সরকারের লহরিতে আশার ফুল ফুটে ওঠার কথা, অথচ বাস্তবে চলছে দুর্ভিক্ষের যুগ—নেতাদের গালগল্প শুনতে শুনতে, সবার মুখোমুখি দেখতে যেন শাসনের প্রতি বিশ্বাসের বাতি নিভে যাচ্ছে।

“মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে পর্যটকদের যাত্রা:Governance এর চ্যালেঞ্জ এবং পাহাড়ে পাবলিক মনোভাবের পরিবর্তন”
গত রবিবার মালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ওঠা পর্যটকদের শিলিগুড়িতে নামার কথা ছিল, কিন্তু তাঁদের ভ্রমণের পরিকল্পনা যেন সরকারের অসভ্য আচরণের নিশান। বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে আগত এসব পর্যটক, যেন এক অসুন্দর রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র, যেখানে স্বপ্নের পাহাড়ে পৌঁছানোর আগে নিজস্ব নিরাপত্তার সংকট। আকাশে আলো কিন্তু আমাদের পায়ে এখানে মেঘ—রাষ্ট্রের দায়িত্ব কী তবে শুধুই আতিথেয়তা নষ্ট করা?

বর্ষায় ভুটানের নদীর জল: উত্তরবঙ্গে বন্যা ও দূষণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে আবারও প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূলের অভিযান!
বর্ষার জল এসে ভুটানের নদী থেকে উত্তরবঙ্গে প্রবাহিত হচ্ছে, যেন ক্ষতি করাই তার উদ্দেশ্য। সাধারণ মানুষের জীবন সংকটে, সরকারি সাফল্যের গল্পে নতুন ছেদ। তৃণমূলের সুরক্ষা দাবি আবারও উঠলো—তাদের কর্তৃত্বের আলোর চাকচিক্যর আড়ালে দূষণের ছায়া। সরকারের দায়িত্বি ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ, মানুষের বিপদ যেন রাজনৈতিক নাটকের কুশীলব হয়ে দাঁড়িয়েছে।