Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

দিঘা-মন্দারমণির হোটেলগুলোতে চলছিল মধুচক্র, স্থানীয়দের পুলিশের কাছে বারবার অভিযোগ, সরকারের নজরদারি প্রশ্নবিদ্ধ!
দিঘা-মন্দারমণির হোটেলে চলছে মধুচক্র, এই ঘটনা যেন আমাদের সমাজের একটি দুর্বল আয়নায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশাসন এতদিন অন্ধকারে, প্রশ্ন জাগছে—শুধুমাত্র টাকার লোভে কি সত্যি চোখের সামনেই নৈতিকতা নষ্ট হচ্ছে? নিজেদের চোখে কি শুধুই দর্শক, না কি সমাজের এই অবক্ষয়ের সাক্ষী হতে চায়?

“হাসপাতাল টেন্ডার কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের গ্রেফতার, governance-এর প্রতি জনজনের আস্থা প্রশ্নবিদ্ধ!”
স্বরবিজ্ঞানের এই যুগে, স্বাস্থ্যের সুরক্ষকরা যখন নিজেই সন্দেহের তীরে, তখন সিবিআই-এর হাতে ধরা পড়া হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও তার সহযোগী চিকিৎসকের মতো চিত্রকল্প যেন একটা নারীদের স্বপ্নে রূপান্তরিত হচ্ছে। কোথায় গেল সরকারের নিয়ম কানুন, যখন টেন্ডারের বিলি চলছিল দিনের আলোতে? সমাজের এই অতলার্থে প্রশ্ন তো উঠবেই, কোথায় শেষ হবে এই দায়িত্বহীনতার খেলা?

স্ট্যানফোর্ডের মেডিসিন ও অর্থনীতির পিএইচডি, রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও সমাজে পরিবর্তনের চিত্র।
রাজনীতির আসন্ন স্রোতে, সেই খুড়তুতো ভাইয়ের কথায় শুনি, জড়ানো অঙ্কের মতোই, নেতা আর জনগণের সম্পর্ক বিচিত্র। চন্দননগরের সেই বাড়িতে যখন শিক্ষার আলো ছড়িয়েছিলেন, তখন কি জানতেন, সময়ের হালচালে শাসকের দাওয়াইয়ের অঙ্ক গুলোর চেয়ে, সন্তুষ্ট মানুষের হাসি দ্রুত মিলিয়ে যাবে?

রাজ্য সরকারের নতুন গাইডলাইন: বেসরকারি বাসের তথ্য অ্যাপে, সাধারণ মানুষের উপকার এবং বাসের প্রতিযোগিতা কমানোর উদ্যোগ!
রাজ্যে বেসরকারি বাসের তথ্য একটি নতুন অ্যাপে নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনে অনেক সুবিধা বয়ে আনবে। চিরাচরিত বাসের রেষারেষি থামানোর জন্য সরকারের নতুন গাইডলাইন সামনে আসছে, কিন্তু প্রশ্ন উঠছে—গভীরতার আবহে কি সত্যিই পরিবর্তন আসবে, নাকি এও হবে একটি ক্ষণস্থায়ী নাটক? তবে বিদেশ থেকে ধার করা পরিষেবা হয়েই উঠছে, আমাদের নিজেদের চিন্তা ও সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

সিদ্দিকুল্লাহর মন্তব্য: জমিয়তের প্রশংসা, ফিরহাদ হাকিমকে খোঁচা – ওয়াকফ ইস্যুতে নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা!
সিদ্দিকুল্লাহর মুখে ওয়াকফ ইস্যুতে জমিয়তের প্রশংসা আর ফিরহাদ হাকিমকে খোঁচা, যেন বর্তমান রাজনৈতিক নাট্যমঞ্চের এক অভিনব কাহিনী। এখানে গভীর সংকট আর শক্তিশালী নেতৃত্বের অভাব, দুইই যেন মিলেমিশে একটি আকাঙক্ষা সৃষ্টির বিলম্বিত সূচনা। জনগণের ভাবনা, সরকারের কর্মকাণ্ড ও নেতাদের পরিচালনা, এই সব কিছুর মাঝেই এখন প্রবাহিত হচ্ছে অসম্পূর্ণতার সুর।

কলকাতা পুরসভার বৈঠকে পরিবহণ ও শিল্প দফতরের দায়িত্ববান উপস্থিতি, দূষণের বিরুদ্ধে নতুন উদ্যোগের আশ্বাস!
কলকাতা পুরসভার সাম্প্রতিক বৈঠকে পরিবহণ ও শিল্প দফতরের পদাধিকারীদের ডাকা হলো, যেন বাতাসে ছড়ানো দূষণ ও তার পরিণতি নিয়ে ভাবনা-ভাবনা করা যায়। এই নাটকের পেছনে কি শাসনব্যবস্থার অনিয়মের আঁতুড়ঘর, নাকি জনগণের অসুস্থতায় তাদের নির্লিপ্ততা? সত্যি, জনগণের স্বাস্থ্যের চেয়ে মন্ত্রীর নিরাপত্তা বাড়ানোই কি বেশি জরুরি?

নির্বাচনী প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ড: স্থানীয়দের ক্ষোভ ও প্রশাসনের অকার্যকর ব্যবস্থা!
প্রকল্পের সুবিধা পেতে ভুয়ো বিয়ের কার্ডের ঘটনার মাধ্যমে আমাদের সমাজের অদ্ভুত রাজনীতির নাটক খোলসে আসে। স্থানীয়দের বিডিওকে লেখা চিঠি যেন শুধুই একটি হাস্যকর দৃশ্যে পরিণত, যেখানে ক্ষমতার খেলায় জনগণের জন্য কোনো বাস্তব পরিবর্তন হয়নি। এই সংকট সত্যিই ঠুনকো, অথচ আমাদের নেতাদের গৌরবময় মুখাবরণে ফোটে বিতৃষ্ণার ফুল।

বামেদের বিরুদ্ধে তরুণজ্যোতির তোপ: ‘বিএনপি-মৌলবাদীদের আসল রং দেখাচ্ছে সিপিএম!’
বাংলাদেশের বিষয়টি সামনে এনে সিপিএমের বিবৃতি নিয়ে তরুণজ্যোতি অতি প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন তুলেছেন। মৌলবাদ ও হিন্দুত্ববাদকে একাকার করে, যেন দ্বিধা নিয়ে প্রতিষ্ঠার পথে বামেরা তাদের আসল রং প্রকাশ করছে। গ্রামের সুখের কথা বললেও, রাজনীতির কারাগারে বন্দী বন্ধুরা নিজেদের বক্তব্যে কি ভাদ্রলগ্নের সাজ সাজতে শুরু করেছে? মাঠের মানুষ এই নাটক দেখে কি পারে, ভাববার বিষয় হয়েছে।

ঘুম রেলস্টেশন: পর্যটনে গতি, নেতৃত্বে অস্থিরতা ও পাহাড়ের সংস্কৃতির উন্মেষ।
ঘুম স্টেশনের চূড়ায় দাঁড়িয়ে, যেখানে ইতিহাস ও পর্যটনের মেলবন্ধন, গভীর ভাবে প্রশ্ন জাগে—আমাদের উন্নয়নের ট্রেন কি সত্যিই সঠিক পঙ্ক্তিতে চলছে? দার্জিলিংয়ের হেরিটেজের প্রতি সরকারের মনোযোগ, নিকটবর্তী সাংস্কৃতিক উন্মোচন কি জাতির টয়ট্রেনের মতোই প্রকৃত পরিবর্তন আনতে সক্ষম? সমাজের ভূতিকেন্দ্রের কাহিনী কি আসলেই আমাদের নৃত্য-গানে রূপায়িত হচ্ছে, না পৌরাণিক কল্পনার পৃষ্ঠায় লুকানো?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে কি বোঝালেন একা অভিষেক, তৃণমূলের নেতৃত্বের আসল চেহারা কি প্রকাশ পেল?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবস্থান যেন এক গড়পড়তা রাজনীতির মহাকাব্য, যেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লান্ত কণ্ঠস্বর অচিরেই নিদর্শন করে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভাঁড়ামি। ঝাড়খণ্ড থেকে ফিরে এসে কলকাতায় তিনি কেমন করে ‘বস’ শরীরে বার্তা দেন, তা বুঝতে কি সমাজের শৃঙ্খলাগুলো উন্মুক্ত হচ্ছে না? সঙ্গীতের মন্ত্রে বিভোর, সেই কর্তৃত্বের মায়াজাল ভাঙা হয় কি?