Bengal
পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির সর্বশেষ আপডেট, নির্বাচনের খবর, রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশল এবং বিশ্বজুড়ে চলমান ট্রেন্ডিং খবর একসাথে পান।

রাজ্য সরকার আলুর দাম নিয়ে ব্যবসায়ীদের দাবির জটিলতায়, পুলিশ ট্রাক আটকায়—কী ঘটছে কৃষি ব্যবসায়?
রাজ্য সরকারের আলু কিনে নেয়ার প্রস্তাব যেন বাজারের জটিলতার মধ্যে একটি নতুন নাটকীয়তা। ব্যবসায়ীরা দাবি তুলছেন, অথচ পুলিশ ভিন রাজ্যে রফতানি বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে সরকারের সোজাসাপ্টা নীতির আলোচনায় রাজনৈতিক নাটক বড় প্রশ্ন নিয়ে এসেছে—মুনাফা আর ন্যায্যতা কিভাবে মিলবে? রাজনীতি আর ব্যবসার এই গোলকধাঁধায় জনতার স্বার্থ রয়েছে, কিন্তু কে শুনবে তাঁদের কাহিনি?

বহরমপুরের তরুণীর পরকীয়া সম্পর্কের অভিযোগ: শ্বশুরবাড়িতে না যেতে চাওয়ার পর ক্ষোভে গাঁথা প্রতিশোধের গল্প
বহরমপুরের এক তরুণীর জামাইয়ের প্রতিশোধের ছক, শাশুড়ির বাড়ির আলোর নিভে যাওয়া ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়, যেখানে নৈতিকতার বদলে আসেনি রাজনৈতিক ক্ষমতার চর্চা। প্রেম আর প্রতিশোধের স্রোতে ভাসছে সমাজ, রাজনীতির হাস্যকর নাটকের ভেতরে মানুষের আবেগ এবং সম্পর্কের টানাপোড়েন যেন নির্বাসিত এক রবীন্দ্রনাথের অনুপ্রণণে ঝরে পড়া গান।

শিশুদের জন্য উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা: মেয়র’স স্কুলের নতুন উদ্যোগে আদর্শ শিক্ষণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি!
শিশুদের জন্য গড়ে তোলা এমন এক স্কুল, যেখানে বইয়ের সঙ্গে সখ্যতার জন্য ‘গল্প ঘর’ আছে; কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, এই আকর্ষণীয় প্রস্তাবনায় কি আসলেই শিশুদের মননের বিকাশ হবে, না কি শিক্ষা ব্যবস্থার আড়ালে ক্ষমতার রাজনীতি লুকানো? নেতাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে সমাজের উত্তাপ বেড়ে চলেছে, মনে হয়, শিক্ষার আদর্শ ধীরে ধীরে বাস্তবে পরিণত হতে ব্যর্থ হচ্ছে।

কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনা: ভারত সরকারের কাছে নিরাপত্তা বৃদ্ধির দাবি, সরকার উদ্বিগ্ন!
সম্প্রতি কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের সামনে ধুন্ধুমার কাণ্ড তৈরি হলে সরকারিভাবে উদ্বেগ প্রকাশের চিত্র যেন রাজনীতির নাটক। ভারতে নিরাপত্তা বাড়ে, অথচ সমাজের মধ্যে আতঙ্কের রাজনীতি! এ যেন নেতাদের উদ্যোগ নয়, বরং জনগণের উদ্বেগের প্রতীক। আমাদের চোখের সামনে পরিবর্তনের মাঝে পরিবর্তন—কিন্তু সুরক্ষার নামে যেন চলছে এক অন্তহীন খেল।

পতি-বন্ধুরা প্রকাশ্যে স্ত্রীকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা, পুলিশের তল্লাশি জারি!
এক গৃহবধূর পুড়ে যাওয়া দুঃখজনক ঘটনা আবারো সমাজের অন্ধকার দিক উন্মোচন করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কতটা ব্যর্থ আমরা, যখন একটি নারী প্রকাশ্যে দগ্ধ হন স্বামী ও বন্ধুদের হাতে! এ কাহিনী যেন গল্প-কথার রঙিন টেলিভিশন পর্দায়, কিন্তু বাস্তবে আমাদের সমাজের গভীর অস্থিরতার চিত্র হাজির করছে। প্রশাসনের তৎবিরোধক মুল্যায়ন কি কখনো হবে?

কলকাতা টেক পার্ক: পূর্ব ভারতের বৃহত্তম আইটি পার্কের উন্নয়ন কি নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দেবে?
কলকাতা টেক পার্কের ১.৪৯ মিলিয়ন বর্গফুটের প্রান্তরে এখন প্রযুক্তির অগ্রগতির চেয়ে রাজনৈতিক মেরুকরণের আলোচনাই বেশি। আধুনিকতার প্রতীক এই পার্ক, যেখানে উদ্ভাবনী চিন্তা নাটকের নায়ক, অথচ নেতারা সমাজের প্রকৃত চাহিদাকে অবহেলা করে যাচ্ছেন। অদ্ভুত এখানেও, মিডিয়া প্রতিফলিত করছে উনতি আর অবনতির পাশাপাশি, যে সরল মানুষের কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাচ্ছে উচুঁ সুমদ্রের মাঝে।

“পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন: ডাকাত ধরেও কড়া হাতে কেন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?”
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবারও প্রশ্ন উঠেছে পুলিশের কার্যকলাপ নিয়ে, যখন ডাকাত মানিককে কড়া হাতের পরিবর্তে অতি সাধারণভাবে আদালতে হাজির করা হলো। সরকারী শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার পতন রীতিমতো নাটকীয়, আর জনগণের মধ্যে নিরাপত্তার অভাবের অনুভূতি ক্রমশ বাড়ছে। প্রশাসনের এই দ্বিচারিতা শুধু নজির হয়ে থাকবে, নাকি বিবেকের তোলোয় পরিণত হবে?

“সমীর জানার প্রশ্ন: লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে महिलाओंর সুবিধা ও সরকারের খরচ, কী বলছে জনমানুষ?”
শুক্রবার বিধানসভায় বিধায়ক সমীর জানা যে প্রশ্ন তুললেন, তা যেন চিরকালীন বক্তব্যের প্রতিধ্বনি—রাজ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের নাম ভাঙা হল কি? মহিলাদের জন্য এই সুবিধা, আর রাজ্য সরকারের খরচ, তা কি কেবল অঙ্কের খেলা? সমাজের অন্ধকারে কি সত্যিই আলোর কিরণ ফুটছে, নাকি নীতির নাট্যমঞ্চে পালাবদল হচ্ছে? বাউল গানের মতোই, জনতার কণ্ঠের সুর এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির হারের পরবর্তী প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ ও জনমতের পরিবর্তন: নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা!
মাদারিহাট উপনির্বাচনে বিজেপির পয়সা ও প্রচারণার বুদবুদ ফুটিয়ে ওঠেছে তাদের জনবিচ্ছিন্নতা। ভোটের আসরে তারা কার্যত কুপোকাত, আর জনগণের মন থেকে দুর্বলতা বুঝতে পেরে ভাবছি, সত্যি কি এই রাজনৈতিক নাটকের চরিত্র নিয়ে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, নাকি তাদের ভুলে যাওয়ার অভ্যাসটাই সবার অন্ধকারে ঢেকে রেখেছে?

ভারতের পতাকা অবমাননায় বাংলাদেশে রোগী পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত, শুভ্রাংশু ভক্তের প্রতিবাদে ওঠেছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা
শুভ্রাংশু ভক্তের এই ঘোষণায়, বাংলাদেশের পেশাদারিতে নতুন এক রাজনৈতিক নাটক উন্মোচিত হলো; উপমহাদেশের সমর্থন আর বিরোধীতার তোলপাড়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে তাঁরা কি শুধুই রাজনৈতিক বহিস্কার বা মানবিক বাঁধার আওয়াজ তুললেন? ভারতীয় পতাকার অবমাননা এখন হাসপাতালের বিছানায় অনিশ্চিত রোগের মতো, সংকটে পড়েছে দুই দেশের সম্পর্কের সূক্ষ্ম তন্তুরা। সত্যিই কি হৃদয়ের অনুভূতি বা বিজ্ঞানের অগ্রগতির সন্ধান পাবে জনগণ, নাকি এক নতুন বাব্বনের অপেক্ষায় প্রতীক্ষায় রয়েছে?